রাতের অন্ধকারে মুখোশ পড়ে- ঘরে ঢুকে শিক্ষিকার ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা আতঙ্কিত পরিবার।
ঘটনাটি হাবরা থানার রাউতারা বিশ্বাস পাড়া এলাকার, পরিবার সূত্রে জানা গেছে শনিবার রাত 10:30 নাগাদ খাওয়া-দাওয়া সেরে তারা বসেছেন সেসময় পাঁচিল টপকে এক যুবক কালো ড্রেস এবং মুখে মুখোশ পরা অবস্থায় হাতে তলোয়ার নিয়ে ঘরে ঢুকে শিক্ষিকা নাজমুন নাহার (৪২) তাকে তলোয়ার ঠেকায়, প্রথমে পরিবারের লোকজন সেভাবে বুঝে উঠতে পারেনি পরবর্তীতে তারা চিৎকার চেচামেচি করলে তরোয়ালের আঘাতে শিক্ষিকার দুই হাতের দুটি হাতের কবজির কাছে গভীর ক্ষত হয়েছে ,দুটি আঙুল কেটে পরে যায়।
রাউতারা হাইস্কুলে প্যারা টিচার হিসেবে তিনি চাকরি করতেন কারো সাথে সেরকম কোন শত্রুতা নেই এমনটাই জানিয়েছে পরিবার তবে কি কারণে এই হামলা তা নিয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন। শনিবার রাতেই আশঙ্কাজনক অবস্থায় মহিলাকে বারাসত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় সেখান থেকে রেফার করে দেওয়া হয় এখন কলকাতার একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে চিকিৎসাধীন। ঘটনার খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে ছুটে যায় হাবরা থানার পুলিশ পরিবারের বয়ান অনুসারে স্থানীয় এক যুবককে ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে আটক করেছে হাবড়া থানার পুলিশ । রবিবার সকালে এ ঘটনা জানাজানি হতে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে তবে কী কারণে এই হামলা তা নিয়ে দ্বন্দ্বে পরিবার এবং স্থানীয় লোকজন।
আটক যুবককে গ্রেফতার করা হল।ধৃতের নাম খুরশিদ আলম মন্ডল(১৮)।বাড়ি রাউতাড়া বিশ্বাস পাড়া এলাকায়।ভোররাতে ওই এলাকা থেকে গ্রেফতার করে হাবড়া থানার পুলিশ।আজই ধৃতকে পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানিয়ে বারাসত আদালতে তোলা হচ্ছে। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে হাবরা থানার পুলিশ।





















