ভ্যাকসিন নেওয়ার পর সার্টিফিকেট না পেয়ে হয়রানির শিকার বেলঘড়িয়ার বর্মন পরিবার।
ভুক্তভুগী কলকাতা পুরসভার অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার দেবনাথ বর্মন। বেলঘড়িয়া ৬ নম্বর ঠাকুরদাস ব্যানার্জি রোডে স্ত্রী ও ছেলেকে নিয়ে বসবাস করেন । দেবনাথ বাবু গত 30 শে এপ্রিল দেবনাথ বাবুর স্ত্রী পাপরি বর্মন উত্তর বারাকপুর নোয়াপাড়া বিধানসভার অন্তর্গত বয়েস ক্লাব থেকে কোভিসিল্ড ভ্যাকসিন নেন। তারপর ৮৪ দিন কেটে গেলেও ভ্যাকসিনের সার্টিফিকেট পায়নি । রেজিস্টার করা মোবাইল নম্বরে ও আসেনি কোন এসএমএস । এর ফলে কর্মক্ষেত্র থেকে শুরু করে দৈনন্দিন জীবনে সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে গোটা বর্মন পরিবারকে ।
চিন্তায় অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বর্মন পরিবারের সদস্যরা । সার্টিফিকেট ছাড়া অন্যত্র কোথাও দ্বিতীয় ভ্যাকসিন নিতে পারছেন না । নোয়াপাড়ার যেখানে প্রথম ভ্যাকসিন নিয়েছিলেন দেবনাথ বাবু সেখানে ক্লাবের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেও কোনও লাভ হয়নি । ফলে চরম হয়রানির স্বীকার বর্মন পরিবার । প্রথম ভ্যাকসিন নেওয়ার কোনো প্রমাণপত্র নেই তার জন্য দ্বিতীয় ভ্যাকসিন কোথাও পাচ্ছেন না বর্মন পরিবার । এই দুর্ভোগের থেকে কবে মুক্তি পাবেন জানেন না তারা । কিন্তু যে ক্লাবে প্রথম ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ দেয়া হয়েছিল সেই ক্লাব বন্ধ এখন। কর্মকর্তারাও বেপাত্তা। তাই অথৈ জলে বর্মন পরিবার। বাইট : দেবনাথ বর্মন(ভুক্তভোগী)
C. P. I.(M) বড়জোড়া রেড ভলেন্টিয়ার টীম করোনা পরিস্থিতিতে মানুষের জন্য কাজ করে চলেছে। করোনা রোগীকে অক্সিজেন, ওষুধ, খাবার পৌঁছানো, হাসপাতালে ভর্তি, মৃতদেহ দাহ করার কাজ করে চলেছে।
আজ বড়জোড়ায় একটি সংস্থার পরে থাকা অ্যাম্বুলেন্স মানুষের কাছে অর্থ সাহায্য নিয়ে সারিয়ে অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা র উদবোধন হলো। উদবোধন করেন C. P. I.(M) বড়জোড়া এরিয়া সম্পাদক সুজয় চৌধুরী। উপস্থিত ছিলেন রেড ভলেন্টিয়ার সাগর শিট, অর্ণব রাজ, ভারত বন্ধু ব্যানার্জী, বাবলু কর্মকার, অজয় দে, অমৃত ঘোড়ুই, মহাদেব ভট্টাচার্য, রাজেশ মন্ডল, অসীম খাঁ সহ রেড ভলেন্টিয়ার গণ। সুজয় চৌধুরী জানান এই কাজে মানুষের আরো সাহায্য চাই। আমরা মানুষের জন্য কাজ করে যাবো।
নাকে অক্সিজেন, পায়ে স্যালাইন, বৃষ্টিতে ভিজছে রোগী, চরম অবহেলার ছবি এনআরএস মেডিকেল কলেজে ।
নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বেডে শুয়ে রয়েছেন রোগী। তার মুখে অক্সিজেন মাস্ক, পায়ে লাগানো স্যালাইন। বেডের নিচে রয়েছে অক্সিজেন সিলিন্ডার, রোগীর গায়ে চাদর দিয়ে ঢাকা, যদিও মুখ খোলা। বাইরে অঝোরে বৃষ্টি হয়ে চলেছে, তবুও হুশ নেই হাসপাতাল কর্মীদের। রোগীর বিন্দুমাত্র তোয়াক্কা না করে বৃষ্টির মধ্যেই তাঁকে নিয়ে চলেছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। যারা রোগীর শয্যা ঠেলে নিয়ে যাচ্ছেন তাদের একজনের মাথায় অবশ্য ছাতা রয়েছে। তবুও রোগীর মাথার ওপর কোন আড়াল জুটলো না, ছাতা তো দূর অস্ত! তাই ফলস্বরূপ বৃষ্টিতে ভিজে চুপচুপে অবস্থা রোগীর।এভাবেই সরকারি মেডিক্যাল কলেজ থেকে রোগীকে নিয়ে যাওয়া হল পাশের স্টুডেন্ট হেলথ হোমে। শনিবার বারবেলায় রোগীর প্রতি এমনই চরম অবহেলা এবং অনিয়মের ছবির সাক্ষী থাকলো নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, যা ধরা পড়ল আজকের ক্যামেরায়।
শনিবার দুপুর বারোটা নাগাদ দেখা যায়, এনআরএস মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চত্বর থেকে একজন রোগীকে নিয়ে বেরোচ্ছেন কয়েকজন স্বাস্থ্যকর্মী। হাসপাতাল থেকে বার করে এক নম্বর গেট দিয়ে বেরিয়ে, ট্রাম লাইন ধরে রাস্তার উপর দিয়েই গড়াতে থাকে রোগীর বেডের চাকা। বাইরে তখন অঝোরে বৃষ্টি হচ্ছে। হাসপাতালে ভর্তি থাকা রোগী বৃষ্টির জলে ভিজে চুপচুপে, তবুও হুঁশ নেই কারোরই। নিজেদের একজনের মাথায় ছাতা থাকলেও রোগীকে চরম অবহেলায় রেখেই নিয়ে যাওয়া হল রাস্তা দিয়ে। এম্বুলেন্স ব্যবহার না করে এভাবে খোলামেলা ভাবে রাস্তার উপর দিয়ে কি একজন ভর্তি থাকা রোগীকে নিয়ে যাওয়া যায়? প্রশ্ন শুনেই মুখে কুলুপ স্বাস্থ্যকর্মীদের। নিজেদের যুক্তি সাজাতে না পেরে বরং সাংবাদিকের উপরই বেজায় মেজাজ হারালেন একজন স্বাস্থ্যকর্মী। কেন তাদের ছবি তোলা হচ্ছে? ছুড়ে দিলেন সেই প্রশ্নও।
জানা গেল, বেলঘড়িয়ার এক বাসিন্দা কিডনির অসুখ নিয়ে ভর্তি হয়েছিলেন এনআরএস মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। শনিবার তার বুকে ব্যথা অনুভব করায় চেকআপের জন্য নিয়ে যাওয়া হয় পাশের স্টুডেন্ট হেলথ হোমে। কিন্তু হাসপাতালে ভর্তি থাকা একজন রোগীকে অ্যাম্বুলেন্সে না নিয়ে, এভাবে খোলামেলা অবস্থায় বৃষ্টিতে ভিজিয়ে হেলথ হোমে নিয়ে যাওয়ায় প্রশ্নের মুখে পড়েছে হাসপাতালে ভূমিকা। বিষয়টি নিয়ে কি প্রশ্ন করা হলে এনআরএস মেডিক্যাল কলেজের সুপার ডঃ ইন্দিরা দে বলেন, "এটা হওয়ার কথা নয়, সাধারণত রোগীদের অ্যাম্বুলেন্সে করেই ট্রান্সফার করা হয়। এটা হয়ে থাকলে আমি অনুসন্ধান করে দেখব। কিছু একটা তো ভুল হয়েছে।"
এর পরেই টনক নড়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের। দ্রুত অ্যাম্বুলেন্স পাঠানো হয় হেলথ হোমে। যে রোগীকে বৃষ্টিতে ভিজিয়ে হাসপাতাল থেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, এবার সেই রোগীকেই নিয়ে আসা হল অ্যাম্বুলেন্সের করে। কিন্তু প্রশ্ন হলো বৃষ্টিতে ভেজার ফলে রোগীর অবস্থার অবনতি হলে তার দায় কে নেবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ? মেডিসিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অরিন্দম বিশ্বাস বলেন, "রোগী যেহেতু কিডনির অসুখে ভুগছেন তার ইমিউনিটি এমনিতেই তলানিতে ঠেকেছে। এভাবে তাকে বৃষ্টিতে ভেজালে তিনি ফুসফুসের রোগে আক্রান্ত হতে পারেন। তার অবিলম্বে সর্দি-কাশি জ্বর আসতেই পারে। এছাড়াও এখন করোনার সময়ে তাকে খোলামেলাভাবে রাস্তা দিয়ে নিয়ে যাওয়া অনুচিত হয়েছে, তিনি করোনায় আক্রান্ত হতেই পারেন। এটা একেবারে চূড়ান্ত অমানবিকতার নিদর্শন"।
বাঁকুড়া ১ নম্বর ব্লকে তৃণমূল যুব কংগ্রেসের উদ্যোগে দুয়ারে অক্সিজেন প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন রাজ্য সম্পাদক সায়ন্তিকা ব্যানার্জি । এই অ্যাম্বুলেন্সটি কোভিড আক্রান্তদের জন্য দেওয়া হয়েছে। এই কর্মসূচিতে রাজ্য সম্পাদক সায়ন্তিকা ব্যানার্জি ছাড়াও তালডাঙ্গরা বিধানসভার বিধায়ক অরূপ চক্রবর্তী বাঁকুড়া জেলা পরিষদের পরিবহন ও পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ শিবাজী ব্যানার্জি বাঁকুড়া জেলা যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি রাজকুমার সিংহ সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন ।
এই বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সম্পাদক সায়ন্তিকা ব্যানার্জি বলেন যে এই অ্যাম্বুলেন্সটি মূলত বাঁকুড়া এক নম্বর ব্লকের মানুষকে পরিষেবা দেবে । তিনি বলেন যে এই অ্যাম্বুলেন্সে অক্সিজেনের ব্যবস্থা করা আছে যাতে আপাতকালীন পরিষেবা দেবার লক্ষ্যে। সায়ন্তিকা বলেন যে তিনি হয়ত নির্বাচনে কয়েকটা ভোটের ব্যবধানে হেরে গেলেও তিনি নিজেকে বাঁকুড়ার মেয়ে বলেই মনে করেন তাই তিনি বাঁকুড়ার মানুষের পাশে সবসময়েই আছেন।
যেভাবে এখানকার মানুষেরা তাঁকে গ্রহণ করে নিয়েছেন তাতে তিনি আপ্লুত । তিনি বলেন যে এই মূহুর্তে ২০২৪ এর লোকসভা নির্বাচন নয় করোনা নিয়ন্ত্রণ ও মানুষের পাশে দাঁড়ানোই একমাত্র লক্ষ্য । অন্যদিকে তালডাংরার বিধায়ক অরুপ চক্রবর্তী বলেন যে সায়ন্তিকা ব্যানার্জি যেভাবে এই এলাকার কাজ করে চলেছেন তা এক কথায় অনবদ্য । তিনি বলেন আজ এখানে থাকতে পেরে খুব খুশি । অরুপ চক্রবর্তী বলেন যে নির্বাচনে তিনি যে সায়ন্তিকার প্রচারে বেশি সময় দিতে পারেননি তার জন্য তিনি দুঃখিত।
তালডাংরার বিধায়ক মানুষকে আশ্বাস দেন যে সায়ন্তিকা ব্যানার্জি কোথাও যাবে না বাঁকুড়ার মানুষের সাথেই থাকবে । তিনি দাবি করেন যে সায়ন্তিকার কাজ দেখে বাঁকুড়ার মানুষ নিজেদের ভুল টা উপলব্ধি করবেন।
*আসানসোল জেলা হাসপাতালে কোভিড ওয়ার্ডে নাচ নার্সের।*
আসানসোল:-রোগীদের আনন্দ দিতেই নাচে মাতালেন আসানসোল জেলা হাসপাতালে কর্মরত নার্স।
এবার আসানসোল জেলা হাসপাতালের কোভিড ওয়ার্ডে এক নার্স "নয়া দামন" সিলেটি গানে নাচ করে ঝড় তুললেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। সেই ভিডিও ভাইরাল হতে শুরু করেছে ইতিমধ্যেই। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে পিপিই পরিহিতা একজন বহুল প্রচারিত সিলেটি লোকগান " নয়া দামান"-এ নাচ করছেন। বেশ জমে উঠেছে সেই নাচ। জানা গেছে ওই নার্সের নাম ইন্দ্রানী দত্ত। তিনি জানিয়েছেন কোভিড ওয়ার্ডে করোনা রোগীদের আনন্দ দিতেই ওই নাচ করেছেন তিনি।
বাঁকুড়ার বেলিয়াতোড় অঞ্চলের মাধবপুর তরুণ প্রগতি সংঘের উদ্যোগে এলাকায় চলল কোভিড সচেতনতা প্রচার ও মাস্ক ও স্যানিটাইজার বিতরণের কাজ।
এই সংগঠনের সদস্যরা খেলাধুলা সাংস্কৃতিক চর্চা ছাড়াও সারা বছরই ধারাবাহিক ভাবে বিভিন্ন ধরনের সমাজসেবা মূলক কাজ কর্মের সাথে যুক্ত থাকেন। এই অতিমারীতেও ক্লাব সদস্যরা করোনা সচেতনতা প্রচার ও দুস্থ মানুষের সেবার সংকল্প নিয়েছে। ক্লাবের সীমিত আর্থিক ক্ষমতার মধ্যে দিয়েও করোনা পরিস্থিতিতে দুস্থ ও অসহায় মানুষের সাহায্যার্থে ধারাবাহিক ভাবে কাজ করে যাবেন বলে জানান ক্লাব সভাপতি অসীম ভঞ্জ। ক্লাব সদস্য অচিন্ত্য ঘোষ জানায় তারা তাদের সাধ্যমতো এলাকার মানুষের পাশে সব সময় থাকবে। ক্লাব সম্পাদক সোমনাথ ঘোষ এই মহতী উদ্যোগ গুলিতে এলাকার মানুষকে তাদের পাশে থেকে সাহায্য ও সহযোগিতার আবেদন করেন। ক্লাবের এই উদ্যোগে খুশি এলাকার মানুষ ও ক্লাব শুভানুধ্যায়ীরা।
আজ বাঁকুড়ার বড়জোড়া কোভিড হসপিটালে অক্সিজেন প্লান্টের উদ্বোধন হল। এর ফলে উপকৃত হবেন বড়জোড়া বিধানসভা এলাকার মানুষ ছাড়াও পার্শ্ববর্তী এলাকার মানুষজন। অক্সিজেন প্লান্টের উদ্বোধন করেন এলাকার বিধায়ক অলোক মুখার্জী। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন এলাকার প্রাক্তন বিধায়ক আশুতোষ মুখোপাধ্যায়, বড়জোড়া পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি কালিদাস মুখোপাধ্যায়, সমাজসেবী অর্চিতা বিদ, টিঙ্কু মন্ডল সহ বিধানসভা এলাকার বহু গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। এই করোনা অতিমারীর সময় সরকারের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এলাকার আপামর জনসাধারণ।
কে এম ডি এ সিভিল কন্ট্রাকটরস্ অ্যাসোসিয়েশন সারাবছর সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজ করে থাকেন। বিভিন্ন সময় এই এসোসিয়শনের সদস্যরা ধারাবাহিক ভাবে বিভিন্ন সামাজিক কাজকর্মে লিপ্ত থাকেন বর্তমানে করোনা পরিস্থিতিতে ভুগতে হচ্ছে বহু মানুষকে এবং বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। সেই সব কথা মাথায় রেখেই আজ তারা সল্টলেক কে এম ডি এ অফিসের সামনে প্রায় 22 টি ক্লাব কে পিপিই কিট, মাস্ক এবং সিলিন্ডার প্রদান করলেন।
এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের নগরায়ন দপ্তরের মন্ত্রী শ্রীমতি চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এছাড়াও বিধান নগরে প্রাক্তন মেয়র এবং বর্তমানে বোর্ড অফ অ্যাডমিনিস্ট্রেটরের প্রধান শ্রীমতি কৃষ্ণা চক্রবর্তী। চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য জানান সাধারণ মানুষের জন্য কোনো রং না দেখে কাজ করতে হবে। সাধারণ মানুষের পাশে যদি সবসময় থাকা যায় এবং ভালো পরিষেবা দেয়া যায় তাহলে মানুষ আরো বেশি করে তৃণমূল সরকারের উপর আস্থা রাখবেন।
যৌন সঙ্গমের সময়ে মাস্ক পরে থাকুন এবং চেষ্টা করুন চুমু না খেতে। বুধবার এমনই পরামর্শ দিলেন কানাডার প্রধান মেডিক্যাল আধিকারিক। যদিও তিনি মনে করেন, প্যান্ডেমিক–কালে যৌনতায় আত্মনির্ভর হওয়াই নিরাপদ! ডাঃ টেরেসা ট্যাম জানালেন, পুরুষদের বীর্য বা মহিলাদের যোনি তরল থেকে কোভিড–১৯ সংক্রমণের সম্ভাবনা অনেকটা কম। তবে হ্যাঁ, নতুন সঙ্গীর সঙ্গে যৌন ক্রিয়াকলাপে সম্ভাবনা বেড়ে যেতে পারে। বিশেষ করে যদি চুম্বনের মতো ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শ যদি তৈরি হয়। যদি এই মহামারীর সময়ে ঘনিষ্ঠ হওয়াটা খুব জরুরি হয়ে পড়ে তবে কিছু জিনিস তো মাথায় রাখতেই হবে। তবে আপনি সুখও পাবেন আবার সংক্রমণের চিন্তাও কমবে। প্রথম পদক্ষেপ, মাস্ক পরা। দ্বিতীয়, চুমু না খাওয়া। তৃতীয়, মুখোমুখি ঘনিষ্ঠতা কম হলে ভাল। চতুর্থত, সঙ্গমের ক’দিন পর্যন্ত খেয়াল রাখবেন কারওর কোনও উপসর্গ দেখা দিয়েছে কিনা। এবং শেষেরটি খুব জরুরি। চেষ্টা করুন একেবারে নতুন সঙ্গীর সংস্পর্শে না আসতে। আর সবথেকে ভাল উপায় যদি নিজের যৌন চাহিদা কেবল নিজের সাহায্যের মেটাতে পারেন। সেটাই সবথেকে সুরক্ষিত এই সময়ে। যৌন স্বাস্থ্য খুবই প্রয়োজনীয় একটি বিষয়। এতে মানসিক স্বাস্থ্যও ভাল থাকে। তাই টেরেসার পরামর্শ, যতটা সম্ভব সুরক্ষিত থেকে যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হোন।
বারাসাত হাসপাতাল সংলগ্ন একটি বেসরকারী ক্লিনিকে ডাক্তারদের উদ্যোগে আয়োজিত হল রক্তদান শিবিরের।
উত্তর 24 পরগনার সদর বারাসাত হাসপাতালে ঠিক উল্টোদিকে একটি বেসরকারি ক্লিনিকে ডাক্তারদের উদ্যোগে রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়। আয়োজনের মূল উদ্যোক্তা ডাক্তার অরিন্দম মজুমদার। করোনা আবহে রাজ্যে রক্তের সংকট দূর করে মুমূর্ষ রোগীদের সেবায় তাদের এই প্রয়াস।
ডাক্তার অরিন্দম মজুমদার এ বিষয়ে বললেন, অনেকদিন ধরেই এই উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা চলছিল, কিন্তু করোনা আবহে দীর্ঘদিন লকডাউন থাকার কারণে রক্তের অভাব ডাক্তার হিসেবে ভীষণভাবে অনুভব করছিলাম। আমি একজন অর্থোপেডিক সার্জেন্ট। প্রতি মুহূর্তে আমাদের রোগীদের রক্তের ভীষণ ভাবে প্রয়োজন।
লকডাউনের কারণে আমরা রক্তের অভাব খুব প্রকটভাবে অনুভব করছিলাম। সেই কারণেই আমাদের এই উদ্যোগ। এই রক্তদানে 50 জন রক্তদাতা রক্তদান করবেন বলে তারা আশা। কিছুটা হলেও যদি রক্তের অভাব আমরা মেটাতে পারি, তাহলে মুমূর্ষ রোগীর রক্তের অভাব মিটিয়ে নিজেদের ধন্য মনে করতে পারব।
করোনার এই দুঃসময়ে আতঙ্কের কথা শোনালেন ব্রিটেনের চিকিৎসকেরা। তারা সতর্ক করে বলেছেন, ছোট টিক জাতীয় পোকার কামড়ে মানুষ পক্ষাঘাতগ্রস্ত বা প্যারালাইসিসে পড়তে পারেন। অথচ এতদিন এই পোকাটিকে অনেকে ‘নিরীহ’ ভাবতেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই পোকার কামড় খেয়ে ইতিমধ্যে দুজন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, যা অনেকটা বিরল ঘটনা।
চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন পোকাটির কামড়ে একজনের বেবিওসিস রোগ হয়েছে। টিকের কামড় থেকে ব্রিটেনে এই প্রথম এমন রোগ হল।
বেবিওসিস সাধারণত এক প্রকার পরজীবীর কারণে হয়ে থাকে, যারা লোহিত রক্ত কণিকাকে সংক্রমিত করে। টিবিই নামের আরেকটি রোগ হতে পারে, যাকে ভাইরাল ইনফেকশন বলে। এই ইনফেকশন সেন্ট্রাল নার্ভস সিস্টেমকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
রক্তচোষা এই পোকা সাধারণত এমন স্থানে কামড়ায় যেখানে সহজে তাদের দেখা যাবে না এবং ওই স্থানেই ঢুকে থেকে রক্ত খেতে থাকে। কামড়ানোর স্থানে র্যাশ হয়। প্রদাহ বা জীবাণু সংক্রমণ হলে সঙ্গে সঙ্গে ডাক্তার দেখাতে হবে।
শরীরে এই পোকা দেখলে টেনে বের করে ফেলে আক্রান্ত স্থানটি সাবান দিয়ে ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে এবং শরীরের আর কোথাও কামড় দিয়েছে কিনা ভালভাবে তা দেখতে হবে।
রাতে ভালো করে ঘুমাতে পারছেন না? তার উপর গরম। করোনার প্রকোপে নানারকম
চিন্তা। কিন্তু এর মাঝেও রাতে সানন্দে ঘুমাতে পারেন। তার জন্য আপনাকে গুমানোর আগে
আপনার সঙ্গির সাথে করে নিতে হবে যৌন মিলন। যৌন মিলন অবশ্যই আনন্দদায়ী ঘটনা। তবে এর
বৈজ্ঞানিক ভিত্তিও আছে। তাই যৌন মিলনের আনন্দের সঙ্গে সঙ্গে এর অন্য সুফলকেও কাজে
লাগাতে হবে। যার মধ্যে অবশ্যই প্রথম, সেক্সের সময়। ভালোবোসায়, যৌন মিলনের কোনো
নির্দিষ্ট সময় নেই। তবে রাতে ঘুমোনোর আগে সেক্সের সুফল রয়েছে। আরও জানিয়ে রাখা
ভালো, লন্ডনের প্ল্যাস্টিক সার্জারি বিশেষজ্ঞ ক্যান্ডিশ ব্রাউনের মতে, ‘সেক্সে
শুধু ঘুম নয়, ত্বকও আরও উজ্জ্বল হয়।’
ঘুমানোর আগে সেক্সের
ফলে লাভ বেশি। সেন্টাল কুইনসল্যান্ড ইউনিভারর্সিটির এক গবেষণায় এমই উঠে এসেছে। ৮০০
জন পুরুষ ও মহিলার উপর সমীক্ষায় জানা গেছে যে, ৫৯% মহিলা এবং ৬৮% পুরুষের মতে যৌন
মিলনের পরই গভীর ঘুম এসেছে। ৬৮% মহিলা এবং ৭৪% পুরুষের মতে, অরগ্যাজমের পরই সবচেয়ে
ভালো ঘুম আসে। তবে সেক্স না হলেও সমস্যা নেই। কারণ, অনেকের মতে হস্তমৈথুনেও ভালো
ঘুম আসে। এইসঙ্গে উঠে এসেছে স্ট্রেসের প্রসঙ্গ। স্ট্রেস বা
ক্লান্তির কারণে শুধু ঘুম নয়, যৌনতাতেও বাধা আসে। ভালো ঘুম না হলে, অক্সিটোসিন ও
প্রোল্যাক্টিন হরমোন তৈরি হয় না। যার ফলে ঝিমুনি ও বিরক্তি ভাব আ
করোনা ভাইরাসের দাপটে সারা বিশ্ব তোলপার। এই পরিস্থিতিতে সুরক্ষিত রাখতে বাড়িতেই
বানিয়ে নিন স্যানিটাইজার। জেনে নিন তার কিছু পদ্ধতি।
কী কী লাগবে :
১। অ্যালকোহল, সার্জিকাল স্পিরিট, হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড-এর মতো নানা উপাদানের
ব্যবহারে স্যানিটাইজার তৈরি হয়ে থাকে।
২। দোকানে
আইসোপ্রোপাইল অ্যালকোহল সহজেই পাওয়া যায়। স্যানিটাইজ়ারের প্রধান উপকরণ হল অ্যালকোহল।
কিন্তু কেনার সময়ে ৯৯ শতাংশ আইসোপ্রোপাইল অ্যালকোহল আছে কি না দেখে নেবেন। অ্যালকোহলের
মাত্রার হেরফের হলেই স্যানিটাইজ়ার কাজ করবে না। সঙ্গে লাগবে কিছুটা পরিমাণ গ্লিসারিন
বা অ্যালো ভেরা জেল। সুগন্ধের জন্য এসেনশিয়াল অয়েল বা টি ট্রি অয়েলও ব্যবহার করতে পারেন।
কিছু শর্ত:
স্যানিটাইজার বানানোর আগে হাত পরিষ্কার করে গ্লাভস
পরতে হবে।
হাতে কোনো রকম ক্ষত থাকলে স্যানিটাইজার বানাবেন
না।
যে পাত্রে বানাবেন বা রাখবেন, তা গরম জলে জীবাণুমুক্ত
করতে হবে।
আগুন বা আগুনের কোনো উৎসের সামনে এটি তৈরি করবেন না।
নিরাপদ জায়গা বেছে নিয়ে, তা জীবাণুমুক্ত করে নিতে হবে।
এসেনশিয়াল অয়েলের মধ্যে আঙুর, মুসাম্বি, বিটার অরেঞ্জ, লেমন ও লাইম অয়েল ব্যবহার
করবেন না।
বানানোর উপায়:
জেল
বেসড স্যানিটাইজ়ার:
এটি বানাতে তিন ভাগ অ্যালকোহল আর এক ভাগ গ্লিসারিন বা অ্যালো ভেরা জেলের প্রয়োজন। দুই
কাপ আইসোপ্রোপাইল অ্যালকোহলের সঙ্গে এক কাপ গ্লিসারিন মেশান। আবার গ্লিসারিনের জায়গায়
অ্যালো ভেরা জেল ব্যবহার করতে পারেন। বারবার স্যানিটাইজ়ারের ব্যবহারে হাতের চামড়া
খসখসে হয়ে যায়। স্যানিটাইজ়ারে অ্যালো ভেরা জেল থাকলে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখবে।
এ বার আট থেকে দশ ফোঁটা এসেনশিয়াল অয়েল দিন। অ্যালকোহলের কটু গন্ধ নষ্ট করে মিষ্টি
সুবাস আনতেই এসেনশিয়াল অয়েল ব্যবহার করা হয়। তিনটি উপাদান ভাল করে মিশিয়ে নিলেই তৈরি
স্যানিটাইজ়ার। পাত্রে ভরে আধ ঘণ্টা রেখে দিন। তার পর ব্যবহার করুন।
স্প্রে
স্যানিটাইজ়ার:
এটি বানাতে তিন ভাগ আইসোপ্রোপাইল অ্যালকোহলের সঙ্গে এক ভাগ ডিস্টিলড ওয়াটার মেশান।
সঙ্গে এক চামচ গ্লিসারিন ও আট থেকে দশ ফোঁটা এসেনশিয়াল অয়েল। মিশ্রণটি তৈরি
করে স্প্রে বোতলে ভরুন।
স্যানিটাইজ়ার
বানানোর পরে চিটচিটে হাতে তা ব্যবহার করবেন না। হাত পরিষ্কার করে ব্যবহার করুন। শুষ্ক
ও ঠান্ডা তাপমাত্রায় রাখলে স্যানিটাইজ়ার অনেক দিন ব্যবহার করতে পারবেন। সামান্য হলেও
হাইড্রোজেন পার-অক্সাইডের ব্যবহার স্যানিটাইজ়ারের আয়ু বাড়াতে সাহায্য করে। তবে
বানানোর আগে এই বিষয়ে সম্যক ধারণা থাকা জরুরি এবং বানানোর নিয়মবিধি জেনে তবেই এ কাজে
এগোবেন।
গত তিন মাস আগেও হ্যান্ড স্রানিটাইজারের ব্যবহার প্রায় ছিল না বললেই চলে
কিন্তু হঠাৎ করেই সুপারহিরো হয়ে উঠেছে চলতি বাজারে। এর আগেও স্যানিটাইজারের যে
ব্যবহার ছিল না তা নয়। কিন্তু তা ছিল নিতান্তই স্বাস্হ্য সচেতন শৌখিন মানুষদের
জন্য। বিশেষজ্ঞদের মতে এই মাস্ক, স্যানিটাইজার আর গ্লাভস নিয়েই এখন লড়তে হবে
আমাদের। আসলে করোনা ভাইরাস হাত মুখ এবং নাক দিয়েই প্রবেশ করে। তাই ভালোকরে সাবান
দিয়ে হাত না ধুয়ে কিছুতেই তা কোথাও ছোঁয়ানো উচিত নয়। বার বার হাত দুতে হবে। পকেটে
স্যানিটাইজার রাখতে হবে। প্রতি ১৫ মিনিট অন্তর স্যানিটাইজার ব্যবহার করলে অনেকটাই
সুরক্ষিত থাকা যায়।
এছাড়া সাবান দিযে ২০ সেকেন্ডঘসে তবেই হাত ধুতে হবে। সাবান দিয়ে হাত ধোওয়ার চাইতে
ভালো আর কিছু হয় না। যতক্ষণ হাতের সামনে সাবান আছে ততক্ষণ সাবান ব্যবহার করবেন না।
এছাড়াও বেশি স্যানিটাইজার ব্যবহারের ফলে হাত খসখসে হয়ে যায়।কিছু স্রানিটাইজার আবার
শরীরের পক্ষে ভালো নয়। তাই কেনার সময় অবশ্যই দেকে নিতে হবে। ওর মধ্যে যেন অবশ্যই
৮০% অ্যালকোহর থাকে। সম্প্রতি বাজারে প্রচুর ভুয়ো স্রানিটাইজার এসেছে। যার মধ্যে
মোটে ২০% অ্যালকোহল থাকে। আর এই ধরনের স্যানিটাইজার শরীরের পক্ষে খুবই ক্ষতিকারক।
এই স্যানিটািইজার গুলি ব্যবহার করবেন না।
এই ৮টি স্যানিটাইজারে মিথাইরের
মাত্রা সবচেয়ে বেশি রয়েছে। যা শরীরের পক্ষে খুবই ক্ষতিকর।
করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহারের কথা বলেছেন
চিকিৎসকরা। সবসময় দেখে নিতে হবে যেন স্যানিটাইজার অ্যরকোহল বেসড হয়। যে সব
স্যানিটাইজার পরীক্ষিত এবং করোনা ভাইরাস সংক্রমণের আগে থেকেই বাজারে রয়েছে সেগুলি
কেনার চেষ্টা করুন। গাইডলইন অনুসারে ৬০% ইথানল এবং ৭০% আইসোপ্রোপানল থাকা বাঞ্ছনীয়।
এছাড়াও অ্যান্টি ব্যাবটেরিয়াল আর অ্যান্টি ভাইরাল প্রোটেকশন যেন থাকে তা দেখে নিন।
মিথানল বেশি থাকলে যে যে লক্ষণ দেখা দেবে
মিথানলের বিষক্রিয়ায় বমি বমি ভাব, মাথাঘোরা, ক্লান্তি, দুর্বলতা, দৃষ্টি
ঝাপসা এসব সমস্যা দেখা দিতে পারে। বেশি পরিমাণে মিথানল শরীরে গেলে সেখান থেকে
অন্ধত্ব, মৃত্যু ডেকে আনতে পারে। মিথানল ত্বককে শুকনো করে দেয়। নিঃশ্বাসের সমস্যা
হয়। শিশু ও গর্ভবতীদের জন্য তা বিশেষ ক্ষতিকারক।