গত তিন মাস আগেও হ্যান্ড স্রানিটাইজারের ব্যবহার প্রায় ছিল না বললেই চলে কিন্তু হঠাৎ করেই সুপারহিরো হয়ে উঠেছে চলতি বাজারে। এর আগেও স্যানিটাইজারের যে ব্যবহার ছিল না তা নয়। কিন্তু তা ছিল নিতান্তই স্বাস্হ্য সচেতন শৌখিন মানুষদের জন্য। বিশেষজ্ঞদের মতে এই মাস্ক, স্যানিটাইজার আর গ্লাভস নিয়েই এখন লড়তে হবে আমাদের। আসলে করোনা ভাইরাস হাত মুখ এবং নাক দিয়েই প্রবেশ করে। তাই ভালোকরে সাবান দিয়ে হাত না ধুয়ে কিছুতেই তা কোথাও ছোঁয়ানো উচিত নয়। বার বার হাত দুতে হবে। পকেটে স্যানিটাইজার রাখতে হবে। প্রতি ১৫ মিনিট অন্তর স্যানিটাইজার ব্যবহার করলে অনেকটাই সুরক্ষিত থাকা যায়।
এছাড়া সাবান দিযে ২০ সেকেন্ডঘসে তবেই হাত ধুতে হবে। সাবান দিয়ে হাত ধোওয়ার চাইতে ভালো আর কিছু হয় না। যতক্ষণ হাতের সামনে সাবান আছে ততক্ষণ সাবান ব্যবহার করবেন না। এছাড়াও বেশি স্যানিটাইজার ব্যবহারের ফলে হাত খসখসে হয়ে যায়।কিছু স্রানিটাইজার আবার শরীরের পক্ষে ভালো নয়। তাই কেনার সময় অবশ্যই দেকে নিতে হবে। ওর মধ্যে যেন অবশ্যই ৮০% অ্যালকোহর থাকে। সম্প্রতি বাজারে প্রচুর ভুয়ো স্রানিটাইজার এসেছে। যার মধ্যে মোটে ২০% অ্যালকোহল থাকে। আর এই ধরনের স্যানিটাইজার শরীরের পক্ষে খুবই ক্ষতিকারক। এই স্যানিটািইজার গুলি ব্যবহার করবেন না।
এই ৮টি স্যানিটাইজারে মিথাইরের মাত্রা সবচেয়ে বেশি রয়েছে। যা শরীরের পক্ষে খুবই ক্ষতিকর।
- অল-ক্লিন হ্যান্ড স্যানিটাইজার
- ইএসকে বায়োকেম হ্যান্ড স্যানিটাইজার
- ক্লিন কেয়ার নো জার্ম অ্যাডভান্সড হ্যান্ড স্রানিটাইজার (৭৫% অ্যারকোহল)
- লাভার ৭০ জেল হ্যান্ড স্যানিটাইজার
- দ্য গুড জেল অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল জেল হ্যান্ড স্যানিটাইজার
- ক্লিন-কেয়ার নো জার্ম অ্যাডভান্সড হ্যান্ড স্যানিটাইজার(৭৫% অ্যারকোহল)
- ক্লিন-কেয়ার নো জার্ম হ্যান্ড স্যানিটাইজার(৮০% অ্যারকোহল)
- সেনিড্রেম অ্যাডভান্স হ্যান্ড স্যানিটাইজার
করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহারের কথা বলেছেন চিকিৎসকরা। সবসময় দেখে নিতে হবে যেন স্যানিটাইজার অ্যরকোহল বেসড হয়। যে সব স্যানিটাইজার পরীক্ষিত এবং করোনা ভাইরাস সংক্রমণের আগে থেকেই বাজারে রয়েছে সেগুলি কেনার চেষ্টা করুন। গাইডলইন অনুসারে ৬০% ইথানল এবং ৭০% আইসোপ্রোপানল থাকা বাঞ্ছনীয়। এছাড়াও অ্যান্টি ব্যাবটেরিয়াল আর অ্যান্টি ভাইরাল প্রোটেকশন যেন থাকে তা দেখে নিন।
মিথানল বেশি থাকলে যে যে লক্ষণ দেখা দেবে
মিথানলের বিষক্রিয়ায় বমি বমি ভাব, মাথাঘোরা, ক্লান্তি, দুর্বলতা, দৃষ্টি ঝাপসা এসব সমস্যা দেখা দিতে পারে। বেশি পরিমাণে মিথানল শরীরে গেলে সেখান থেকে অন্ধত্ব, মৃত্যু ডেকে আনতে পারে। মিথানল ত্বককে শুকনো করে দেয়। নিঃশ্বাসের সমস্যা হয়। শিশু ও গর্ভবতীদের জন্য তা বিশেষ ক্ষতিকারক।


0 coment rios: