Showing posts with label লাইফস্টাইল. Show all posts
Showing posts with label লাইফস্টাইল. Show all posts

Friday, 23 July 2021

আজকের আবহাওয়ার পূর্বাভাস

আজকের আবহাওয়ার পূর্বাভাস

 বজ্রপাত এবং হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাব্য পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি জেলাগুলির কিছু অংশে আজ।


 ২৪ ঘন্টায় বজ্র বিদ্যুত সহ মেঘলা আকাশ হালকা থেকে ভারী ধরনের বৃষ্টির সম্ভাবনা। সর্বাধিক এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা সম্ভবত ৩১ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড এবং ২৬ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডের কাছাকাছি হতে পারে। বৃষ্টিপাত (মিমি)

সর্বাধিক তাপমাত্রা = 30.2 ˚ সে (-2) সর্বাধিক আর.এইচ = 98% গত 24 ঘন্টা থেকে = 049.3
ন্যূনতম তাপমাত্রা = 26.0 ˚C (0) ন্যূনতম আর.এইচ = 85% থেকে 03 ইউটিসি = 049.3
হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সাথে ঝড়ো হাওয়া বইবে আগামী২-৩ ঘণ্টায় কলকাতা এবং শহরতলীর অঞ্চলে অব্যাহত থাকবে, এই বৃষ্টিপাতটি উত্তর ওড়িশা এবং সংলগ্ন ঝাড়খন্ড এবং জিডাব্লুবি অঞ্চলের নিম্নচাপ অঞ্চলের সাথে সম্পর্কিত।

Saturday, 5 September 2020

১৬ লাখ টাকার ব্যাগ জলে

১৬ লাখ টাকার ব্যাগ জলে


 চামড়ার ব্যাগটি কেনা হয়েছিল ফ্রান্স থেকে। সুদূর অস্ট্রেলিয়ায় এক নারী ব্যাগটি আমদানি করেন। কুমিরজাতীয় সরীসৃপ অ্যালিগেটরের চামড়া দিয়ে বানানো ব্যাগটির দাম অস্ট্রেলীয় মুদ্রায় ২৬ হাজার ডলার; বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ১৫ লাখ ৯৮ হাজার টাকা। কিন্তু বৈধ অনুমতি ছাড়া আমদানি করায় ব্যাগটি নষ্ট কর ফেলা হচ্ছে। তার মানে শখ পূরণ করতে গিয়ে এত্তগুলো টাকা যাচ্ছে জলে। আজ শুক্রবার বিবিসি অনলাইনের খবরে জানানো হয়, বিলাসবহুল ব্যাগটি ফ্রান্সের সেন্ট লরা বুটিক থেকে কেনা হয়। অস্ট্রেলিয়ার পার্থ শহরে সীমান্তরক্ষী বাহিনী ব্যাগটি জব্দ করে।অ্যালিগেটরের চামড়ার তৈরি পণ্য অস্ট্রেলিয়ায় আমদানির অনুমতি রয়েছে। তবে এ জন্য ক্রেতাদের ৭০ অস্ট্রেলীয় ডলারের বিনিময়ে অনুমতি নিতে হয়; বাংলাদেশি মুদ্রায় তা ৪ হাজার ৩০৪ টাকা। দেশটির পরিবেশমন্ত্রী সঠিক কাগজপত্রের আবেদনের জন্য এটিকে ‘ব্যয়বহুল অনুস্মারক’ বলে মন্তব্য করেছেন। কৃষি, পানি ও পরিবেশ বিভাগ বলছে, অবৈধভাবে ব্যাগ আমদানির জন্য ওই নারীর ২৬ হাজার ৩১৩ অস্ট্রেলীয় ডলার বা ১৫ লাখ ৯৮ হাজার টাকা জলে গেল। এ কারণে তাঁরা ওই নারীর বিরুদ্ধে আর কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছেন না।পরিবেশ সুরক্ষা ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ আইন ১৯৯৯-এর অধীনে বন্য প্রাণী বাণিজ্য অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি ১০ বছরের কারাদণ্ড ও ২ লাখ ২২ হাজার ডলার জরিমানা। টাকায় এর পরিমাণ ১ কোটি ৮৭ লাখ ৭৬ হাজার ৭৬৬। বিপন্ন বন্য প্রাণী ও উদ্ভিদ প্রজাতির আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কনভেনশনের (কনভেনশন অন ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড ইন এনডেঞ্জারড স্পাইসেস অব ওয়াইল্ড ফোনা অ্যান্ড ফ্লোরা) (সাইটস) কঠোর নিয়ম মেনে অ্যালিগেটরের চামড়া দিয়ে তৈরি পণ্য অস্ট্রেলিয়ায় আসার অনুমতি পায়।পরিবেশমন্ত্রী সুসান লে বলেন, ‘আমরা অনলাইনে কী কিনছি, এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। বিপন্ন প্রজাতির প্রাণীগুলোকে রক্ষার জন্য প্রাণিজ পণ্যের বাণিজ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’ তিনি আরও বলেন, বন্য প্রাণীর অবৈধ বাণিজ্য বন্ধ করতে অস্ট্রেলিয়ায় কী আসছে ও এ দেশে থেকে কী যাচ্ছে, সে বিষয়ে নজরদারি চালাচ্ছে সরকার। ব্যাগের ক্রেতা ফ্রান্স থেকে সাইটসের রপ্তানির অনুমতিপত্র নিয়েছিলেন। তবে অস্ট্রেলিয়ার সাইটস ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে আমদানির অনুমতিপত্রের জন্য আবেদন করেনি। অস্ট্রেলীয় সরকার বলছে, সীমান্তে অবৈধ উপায়ে বন্য প্রাণী আমদানির ঘটনার নজরদারি করছে তারা।

উবার ডাকতে মাস্ক–পরা সেলফি লাগবে

উবার ডাকতে মাস্ক–পরা সেলফি লাগবে


 অ্যাপভিত্তিক রাইড শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম উবার এবার সেবা পেতে মাস্ক পরিহিত সেলফি দেওয়ার বিধি চালু করতে যাচ্ছে। করোনাভাইরাস মহামারির প্রেক্ষাপটে গত মে মাসে উবার চালকদের ম্সাক পরিহিত সেলফি বাধ্যতামূলক করেছিল প্রতিষ্ঠানটি। এখন যাত্রীদের ক্ষেত্রেও এই পদক্ষেপ নিচ্ছে তারা। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়, ১ সেপ্টেম্বর কোম্পানির পক্ষ থেকে এ সম্পর্কিত একটি বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়, চালকদের মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল। কিন্তু পরে কিছু চালকের কাছ থেকে অভিযোগ আসে—যাত্রীরা মাস্ক পরছেন না। এ অবস্থায় রাইড ডাকার আগে যাত্রীদেরও মাস্ক পরিহিত সেলফি দেওয়ার বিষয়টি বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। চলতি মাসের শেষ নাগাদ যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় এটি কার্যকর করা হবে। পরে পর্যায়ক্রমে দক্ষিণ আমেরিকাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিষয়টি কার্যকর করা হবে।উবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) মাস্ক ব্যবহারের বিষয়টির ওপর সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছে। এ নির্দেশনা অনুসরণ করেই গত কয়েক মাস ধরে উবার ও লিফটের চালকেরা মাস্ক পরে গাড়ি চালাচ্ছেন। কিন্তু মুশকিল হচ্ছে অনেক যাত্রীই নির্দেশনাটি মানছে না। এ সম্পর্কিত এক ব্লগ পোস্টে উবারের নিরাপত্তা বিভাগের বৈশ্বিক প্রধান সচিন কানসাল লেখেন, ‘আমরা মনে করি জবাবদিহি একটি দ্বিমুখী সড়ক। উভয়পক্ষকেই দায়িত্বশীল হতে হবে।’আগের রাইডে যদি মাস্ক না পরে কোনো যাত্রী চড়েন, তবে পরের রাইডটি তিনি পাবেন না। যাত্রীর হয়ে অন্য কেউ যদি উবার ডাকেন, তবে সংশ্লিষ্ট যাত্রীরই মাস্ক পরিহিত সেলফিকে বিবেচনায় নেওয়া হবে। কারণ, গাড়িটিতে যাত্রী চড়বেন, যিনি ডাকছেন তিনি নন।সচিন কানসাল বলেন, নতুন পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টিকে বিবেচনায় নিয়ে অনেক ধরনের পরিবর্তন আনা হচ্ছে। আমরা এরই মধ্যে বেশ কিছু পদক্সেপ নিয়েছি। স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিবেচনায় চালক–যাত্রী উভয় দিক থেকেই কিছু লোককে প্ল্যাটফর্মটির ব্যবহার থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে চালকদের জন্য মাস্ক, স্যানিটাইজার, গ্লাভস, জীবাণুনাশকসহ সুরক্ষা সরঞ্জাম কেনা বাবদ ৫ কোটি ডলার রাখা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় এখন পর্যন্ত ৭ লাখ ৫০ হাজারের বেশি চালককে ১ কোটির বেশি মাস্ক ও স্যানিটাইজার সরবরাহ করা হয়েছে।

Friday, 4 September 2020

চীনের চেয়ে গতি বেশি বাংলাদেশের ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের

চীনের চেয়ে গতি বেশি বাংলাদেশের ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের


 

ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট স্পিডে বাংলাদেশ প্রযুক্তিপ্রেমী দেশ চীনের চেয়ে সেরা! বিশ্বজুড়ে ব্রডব্যান্ড গতির সর্বশেষ গবেষণা সমীক্ষায় এমনটিই দেখা গেছে। ২ সেপ্টেম্বর এই গবেষণার ফল  প্রকাশিত হয়।

গত বছরের জুলাই থেকে এ বছরের জুনের মধ্যে পরিচালিত এই সমীক্ষায় বাংলাদেশে প্রায় ৫০ হাজার ইউনিক আইপি পরীক্ষা করা হয়েছে। এতে দেখা গেছে, বাংলাদেশে গড় ইন্টারনেট স্পিড ছিল ৩.২ এমবিপিএস। এর বিপরীতে চীনে গড় ইন্টারনেট স্পিড ছিল ২.১ এমবিপিএস।

গুগলসহ কয়েকটি মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালিত এম-ল্যাবের সর্বশেষ রিপোর্টে মোট ২২১টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৮৪। এমনকি সিয়েরালিওন, নাইজেরিয়া এবং মালির মতো অনেক সাব সাহারান দেশেও বাংলাদেশের চেয়ে ইন্টারনেটের গড় গতি বেশি। এই তালিকায় চীনের অবস্থান ২০০তম।

তবে দক্ষিণ এশিয়াতে নেপাল (১৫০), ভুটান (১৫৯), মালদ্বীপ (১৪১), শ্রীলঙ্কা (৭২) এবং ভারতের (১০১) চেয়ে পিছিয়ে বাংলাদেশ।

ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের গতিতে তালিকার প্রথম স্থানে রয়েছে ইউরোপের একটি ক্ষুদ্র দেশ লিশটেনস্টাইন। দেশটিতে ইন্টারনেটের গড় স্পিড ২৩০ এমবিপিএস— যা ৩ মিনিটের কম সময়ের মধ্যে ৫ গিগাবাইট ফাইল ডাউনলোড করার জন্য যথেষ্ট।

শীর্ষ পাঁচ দেশের বাকি দেশগুলো যথাক্রমে হলো- জার্সি, অ্যান্ডোরা, জিব্রাল্টার এবং লুক্সেমবার্গ। এসব দেশে ৫ গিগাবাইটের একটি ফাইল ডাউনলোড করতে সময় লাগে ৩ থেকে ৬ মিনিট। অন্যদিকে তালিকার সর্বশেষ স্থানে রয়েছে দক্ষিণ সুদান। দেশটির গড় ডাউনলোড স্পিড মাত্র ০.৬ এমবিপিএস।

ফেসবুকে আসছে নতুন নীতি, যেসব কারণে মুছতে পারে পোস্ট

ফেসবুকে আসছে নতুন নীতি, যেসব কারণে মুছতে পারে পোস্ট


 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ব্যবহার করেন না এমন মানুষ বর্তমানে নেই বললেই চলে। শুধু ব্যক্তি বিশেষ নয়, একাধিক সংস্থাতেও ব্যবহার করা হচ্ছে এই ফেসবুক। মানুষসহ একাধিক সংস্থাতেও বেড়েছে এই সোশ্যাল মিডিয়ার গুরুত্ব। তবে এবারে ফেসবুকে আসতে চলেছে এক নতুন নীতি। যার প্রভাব পরতে চলেছে সাধারণ মানুষসহ একাধিক সংস্থার উপরেও।

ফেসবুকে বিগত কিছুদিন ধরে একাধিক বদল আনা হয়েছে। পাশাপাশি আরও কড়াকড়ি করা হয়েছে কোনরকম পোস্ট করার ক্ষেত্রে। তবে জানা গেছে, আগামী ১ অক্টোবর থেকে বদলাচ্ছে নিয়ম। যদিও কিছুদিন ধরেই ফেসবুকের একাধিক গ্রাহক জানিয়েছিলেন বেশ কিছু তার নোটিফিকেশন পাচ্ছিলেন। যা নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিলেন। কিন্তু জানানো হয়েছে, বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনও কারণ নেই।

ফেসবুক প্রধান মার্ক জাকারবার্গ জানিয়েছেন আগামী ১ অক্টোবর থেকে কোন ইউজারের পোস্ট যদি ফেসবুক নিয়মের বিরুদ্ধে যায় সে ক্ষেত্রে ফেসবুকের তরফে সংশ্লিষ্ট পোস্টের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। সেই পোস্ট ব্লক করা হতে পারে অথবা সেই পোস্ট মুছে দেওয়া হতে পারে। গ্রাহকদের কাছে ফেসবুকের আকর্ষণ ধরে রাখার জন্য তাদের তরফে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আনা হয়েছে একাধিক ফিচার। এবার আপডেট করা হল ফেসবুকের নিয়মাবলী।

সম্প্রতি ডিজিটাল মিডিয়ার গুরুত্ব বৃদ্ধি পাওয়াতে মানুষ আরও বেশি করে ব্যবহার শুরু করেছেন এই মিডিয়া ব্যবহার। একই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে ফেক নিউজ ছড়ানোর বিষয়। আর সেই কারণেই একাধিক অভিযোগ জমা পরেছিল ফেসবুকের কাছে। মনে করা হচ্ছে সেই কারণেই ফেসবুক বদল করছে নিজেদের গাইডলাইন।

জানানো হয়েছে, ভুয়া সংবাদ ছড়ানো, অথবা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে আঘাত হানে এই জাতীয় পোস্ট ফেসবুকে করা হলে সরাসরি সেই সকল পোস্টের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেবে ফেসবুক। এর ফলে রোধ করা যাবে এই ভুয়া সংবাদ ছড়িয়ে পরা। পাশাপাশি ফেসবুকের তরফে জানা গেছে কোন ইউজার অপর কোন প্রফাইলে যদি বিরক্ত করার চেষ্টা করেন সে ক্ষেত্রেও পদক্ষেপ নেওয়া হবে ফেসবুকের তরফে। অর্থাৎ নিরাপত্তার ক্ষেত্রে এবার যথেষ্ট কড়া হতে চলেছে ফেসবুক।

Wednesday, 2 September 2020

ইসলামের জন্য ‘হারাম’, করোনার সম্ভাব্য টিকা বয়কটের ডাক এই ইমামের

ইসলামের জন্য ‘হারাম’, করোনার সম্ভাব্য টিকা বয়কটের ডাক এই ইমামের

 

বিশ্বজুড়ে চলছে করোনা ভাইরাসের মৃত্যুমিছিল। এই রোগের দাওয়াই বা টিকার জন্য মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে বিশ্বের তাবড় দেশগুলি। মহামারী থেকে উদ্ধার পেতে গবেষকদের দিকে চাতকের মতো তাকিয়ে আছে গোটা দুনিয়া। কিন্তু এসবের মধ্যেও দিব্যি চলছে ধর্মের কারবারিদের কুসংস্কার ছড়ানোর প্রবণতা। অস্ট্রেলিয়ার প্রথম সারির এক ইমাম অদ্ভুদ এক অজুহাতে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রোজেনেকার (Oxford-AstraZeneca) তৈরি করোনার ভ্যাকসিন বয়কটের ডাক দিয়ে দিলেন। তাঁর দাবি, ওই ভ্যাকসিনটি তৈরি হয়েছে, গর্ভপাত করা শিশুর কোষ থেকে। তাই ওই ভ্যাকসিন ইসলামের জন্য হারাম।

এই মুহূর্তে গোটা বিশ্বের মধ্যে ভ্যাকসিন তৈরির দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রোজেনেকার তৈরি করোনার ভ্যাকসিন ChAdOx-1। রাশিয়া ইতিমধ্যেই কার্যকরী ভ্যাকসিন তৈরির দাবি করলেও, WHO তথা বিশ্বের একাধিক দেশ রাশিয়ার এই ভ্যাকসিন নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে। কিন্তু অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রোজেনেকার সম্ভাব্য ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা প্রশ্নাতীত। এই ভ্যাকসিনটি সব স্তরের ট্রায়াল সেরেই বাজারে আসবে। ইতিমধ্যেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এই সংস্থার সঙ্গে ভ্যাকসিন কেনার জন্য চুক্তিও করে ফেলেছে। তালিকায় আছে অস্ট্রেলিয়াও। অজি সরকার ভ্যাকসিনটির আড়াই কোটি ডোজ কেনার জন্য অ্যাস্ট্রোজেনেকাকে অগ্রিমও দিয়ে ফেলেছে। আর সেখানেই আপত্তি অস্ট্রেলিয়ার এক ইমামের।

সুফিয়ান খলিফা (Sufyaan Khalifa) নামের ওই ব্যক্তির দাবি, অক্সফোর্ডের এই ভ্যাকসিন মুসলিমদের জন্য হারাম। কারণ, এটি গর্ভপাতের সময় মৃত শিশুর কোষ দিয়ে তৈরি। মুসলিমদের এটা ব্যবহার করা উচিত না।’ সুফিয়ান বলছেন, ‘যে মুসলিম সংগঠনগুলো এই ভ্যাকসিনের ব্যবহারকে সমর্থন করছে, তাদের লজ্জা হওয়া উচিত। এই সমর্থনের ফতোয়ার পক্ষে যে ইমামরা সই করছেন, তাদেরও ধিক্কার।” এই ইমাম একা নন। বেশ কয়েকটি ক্যাথলিক সংগঠনও ওই একই অজুহাতে টিকাটি বয়কট করার ডাক দিয়েছে। সেই প্রসঙ্গ উল্লেখ করে সুফিয়ান বলছেন,”‘ক্যাথলিকরা এটার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছেন, কারণ তাঁরা স্পষ্টত জানেন যে এটা হারাম, এটা আইনবিরোধী।” সুফিয়ানের সাফ কথা, মুসলিমদেরও উচিত এই টিকা বয়কট করা।


Thursday, 30 July 2020

গুগল ক্রোমে যুক্ত হচ্ছে ‘রিড লেটার’

গুগল ক্রোমে যুক্ত হচ্ছে ‘রিড লেটার’


প্রায় ওয়েবে ব্রাউজিংয়ের সময় ওই মুহূর্তে কোনো আর্টিকেল বা পেজ পড়ার সময় থাকে না, কিন্তু পরে হয়তো সেটা আমরা পড়তে চাই। এমন ব্যবহারকারীদের সাহায্য গুগল ক্রোম নিয়ে এসেছে নতুন ফিচার “Read Later” (পরে পড়ুন)। এই ‘রিড লেটার’ বাটনের মাধ্যমে উইন্ডোজ, ম্যাক, লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহারকারীরা ব্রাউজারে যে কোন ট্যাব সেভ করে রাখতে পারবেন। ফিচারটি বর্তমানে ক্রোম ৮৬ ক্যানারি ব্রাউজারে অন্য একটি ফ্ল্যাগ ফিচারের তত্ত্বাবধানে পরীক্ষামূলক ব্যবহার চলছে।
ফিচারটি আইফোন এবং আইপ্যাডে অনেক আগে থেকেই রয়েছে। আইফোন এবং আইপ্যাডের ক্রোম ব্যবহারকারীদের জন্য বিল্ট-ইন ভাবেই এই অপশনাল ফিচারটি দেওয়া রয়েছে। অন্যান্য অপারেটিং সিস্টেমের ব্যবহারকারীদের জন্য ক্রোমের এই রিডিং লিস্টে পেইজ যোগ করতে হলে স্ক্রিনের ডানপাশে শেয়ার অপশনে ক্লিক করে ‘রিড লেটার’ বাটনে চাপ দিলেই তালিকায় চলে যাবে।
ফিচারটি উইন্ডোজ, ম্যাক, লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহারকারীরা ব্রাউজারে আনেবল করতে নিচের ধাপগুলি অনুসরণ করতে হবে:
১. ক্রোম ব্রাউজার খুলুন।
২. সার্চ বারে “chrome://flags” লিখে এন্টার চাপুন।
৩. “Read Later” অপশনটি খুঁজে বের করুন।
৪. অপশনটি আনেবল করে দিয়ে কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন।

Tuesday, 28 July 2020

যে কারণে ২০ বছর ধরে হেলমেট পরে আছেন এই নারী

যে কারণে ২০ বছর ধরে হেলমেট পরে আছেন এই নারী


নাম তার ফাতেমা গাজেভি। মরক্কোর বাসিন্দা। তিনি বিগত প্রায় ২০ বছর ধরে মাথায় মহাকাশচারীদের হেলমেট পড়ে আছেন।
ফতিমা একটি বিরল ত্বকের রোগে ভুগছেন, যার নাম জিরোডার্মা পাইগামেন্টোসাম। এই রোগে আক্রান্তদের ত্বকে রোদ লাগলে মারাত্মক ক্ষতি হয়। সাধারণত প্রত্যেকের শরীরে বিশেষ করে মুখে রোদ পড়তে পড়তে একসময় চামড়া পুড়ে যায়, তবে কোষগুলো তা নিজে থেকেই ঠিক করে। কিন্তু এই রোগের কারণে নিজে থেকে কোষ আবার ঠিক হতে পারে না। এই পরিস্থিতিতে মুখে সূর্যের আলো পড়লে ত্বকে ক্যান্সার হতে পারে।
ফতিমার বয়স যখন ১৩ ছিল, তখন তার এই রোগ ধরা পড়ে। তিনি গত ২০ বছর ধরে হেলমেট পরে শরীরকে রোদের হাত থেকে বাঁচিয়ে রাখছেন।
ফতিমা এ কারণে দিনের বেলা বেশির ভাগ সময় ঘুমায় এবং রাতে বাইরে বের হয়। রোদ না থাকলেও ঘর থেকে বাইরে বের হতে মাস্ক ও গ্লাভস ব্যবহার করেন তিনি।

Monday, 27 July 2020

ফোন নম্বর ছাড়াই কিভাবে ব্যবহার করবেন হোয়াটসঅ্যাপ

ফোন নম্বর ছাড়াই কিভাবে ব্যবহার করবেন হোয়াটসঅ্যাপ


কোনো সন্দেহ নেই এই মুহূর্তে সারাবিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম হলো হোয়াটসঅ্যাপ। নিত্যনতুন ফিচার ও সরল ইন্টারফেসের জন্য ফেসবুক মালিকানাধীন এই অ্যাপটি দ্রুতই ব্যবহারকারীদের মন কেড়েছে। কেবল একটি সক্রিয় ফোন নম্বর থাকলেই আপনি হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করতে পারবেন। কিন্তু আপনার কি কখনও মনে হয়েছে, ফোন নম্বর বা সিম ছাড়াই হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করার কথা ? অবাস্তব মনে হলেও এটাই সত্যি যে, আপনি ফোন নম্বর ছাড়াই হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করতে পারেন। আসুন জেনে নিই কিভাবে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করবেন মোবাইল নাম্বার ও সিম কার্ড ছাড়া।

যদি আপনার ফোনে হোয়াটসঅ্যাপ ইনস্টল না থাকে তবে অফিসিয়াল অ্যাপ স্টোর থেকে ডাউনলোড করে নিন।

যদি আগে থেকেই ইনস্টল থাকে তাহলে চেক করুন আপনার নম্বর ভেরিফায়েড কিনা।

ভেরিফায়েড থাকলে অ্যাপকে আনইনস্টল করে আবার রিইনস্টল করুন।

১ . উপরের নির্দেশ পালন করার পর এবার আপনার ফোনে TextNow অ্যাপ ডাউনলোড করুন। অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরা গুগল প্লে স্টোর থেকে এবং আইওএস ব্যবহারকারীরা অ্যাপ স্টোরে টেক্সটনাউ অ্যাপটি পেয়ে যাবেন।
২ . এবার অ্যাপটি খুলুন এবং ফোন নম্বরটি লিখে রাখুন। যদি ফোন নম্বর না দেখতে পান তবে অ্যাপের বাম পাশে ৩ লাইন আইকনে ক্লিক করলে নম্বর দেখতে পাবেন।
৩ . এরপর হোয়াটসঅ্যাপ খুলুন এবং টেক্সটনাউ এর ফোন নম্বর এন্টার করে ভেরিফাই করুন।
৪ . এবার ৫ মিনিট অপেক্ষা করুন ‘এসএমএস ভেরিফিকেশন ফেল’ হওয়ার জন্য। এরপরেই আপনি কল ভেরিফিকেশন বাটন দেখতে পাবেন। এর উপর ক্লিক করুন।
৫ . এবার টেক্সটনাউ অ্যাপ খুলে কল রিসিভ করুন। হোয়াটসঅ্যাপ সাথে সাথেই আপনার ফোনে কোড পাঠিয়ে দেবে। এটাকে লিখে রাখুন।
৬ . এরপর আবার হোয়াটসঅ্যাপে এসে কোডটি এন্টার করুন। এরপর ‘নেক্সট’ বাটনে ক্লিক করে অ্যাকাউন্ট বানিয়ে ফেলুন।
TextNow আপনার ফোনে সাপোর্ট না করলে textPlus অ্যাপ ও ব্যবহার করতে পারেন।

Wednesday, 22 July 2020

সবুজ দ্বীপের বাঙালি রাজকন্যা

সবুজ দ্বীপের বাঙালি রাজকন্যা


বারো বছরের মেয়েটা একদিন সকালে সংবাদপত্র হাতে নিয়ে , ছুটতে ছুটতে এলো বাবার কাছে । পাতা খুলে উত্তেজিত হয়ে বললো , "দেখো বাপি , সবুজ দ্বীপে জারোয়াদের বাড়ীতে একটা বাচ্চা হয়েছে , এই যে দেখো ছবি ! এবার গরমের ছুটিতে আমাকে ওখানে নিয়ে যাবে?"
"দুর পাগলি ওখানে কি করে যাবি , ওখানে শুধু যারা ওদের নিয়ে রিসার্চ করে তারাই যেতে পারে ।" রেলের পদস্থ অফিসার বাবা এই বলে কাটিয়ে তো দিলেন , কিন্ত স্বপ্নেও ভাবেন নি তার আদরের কন্যাটি মনে মনে সেদিনই প্রতিজ্ঞা করেছিল , "বড় হয়ে আমিও এদের নিয়ে রিসার্চ করবো ।"

শিবপুরের ভবানী গার্লস স্কুল থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করে মেয়েটা প্রেসিডেন্সিতে BSc (Hons) Anthropology , ক্লাসে ভর্তি হলো । বিস্মিত বাবা যখন জিজ্ঞেস করলেন , "কি হবে এটা পড়ে ?" মেধাবী কন্যাটি হেসে জবাব দিয়েছিল , "এটাই আমার সবুজ দ্বীপে যাবার পাসপোর্ট ।"

দারুণ রেজাল্ট করে ভর্তি হলো MSC-তে এবং সেখানেও পেলো ফার্স্ট ক্লাস । এবার মেয়েটি PhD ফেলোশিপের জন্য দরখাস্ত করলো , Anthropological Survey of India তে ফিল্ড রিসার্চের জন্য , বিষয় ঠিক করলো "Genetic Study among the Aborigines of the Andaman“,
দরখাস্ত দেখে তো ডিরেক্টর সাহেবের আক্কেল গুড়ুম ! ডাকাবুকো ছেলেরা যেখানে ওইসব দ্বীপে পা রাখতে ভয় পায় , সেখানে কিনা যেতে চায় একটা মেয়ে , তাও বাঙালী ! এককথায় হয়ে গেলো নাকচ , শেষমেষ ওর আগের সব পরীক্ষার রেজাল্ট দেখে আর ইন্টারভিউ-তে সন্তষ্ট হয়ে রাজী হলেন তারা , কিন্ত একটি শর্তে .... বাড়ীর লোককে লিখে দিতে হবে সেখানে কোন অঘটন ঘটলে ASI দায়ী হবেনা । ততদিনে বাবা বিদায় নিয়েছেন ইহলোক থেকে , বাধ্য হয়ে মুচলেকা দিলেন জন্মদাত্রী মা । ভদ্রমহিলা সেদিন কিন্ত বোঝেন নি , মেয়েকে আন্দামানে যেতে দিয়ে এক ইতিহাসের সূচনা করলেন ।

পরবর্তী ছবছর মেয়েটা চষে ফেললো আন্দামানের  আদিম অধিবাসী অধ্যুষিত বেশ কয়েকটা দ্বীপ । এমন  বিশ্বাস অর্জন করলো ভয়ংকর জারোয়াদের যে , তারা অবলীলায় বাচ্চাদের ছেড়ে দিতো তার হাতে । লিটল আন্দামানের ওঙ্গে উপজাতির লোকজন তাকে দেখলে ঘিরে ধরে নাচতো । স্থানীয় লোকজনের মুখে তার  নামই হয়ে গেলো "জঙ্গলী ম্যাডাম" ।

কিন্ত তখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে হিংস্র সেন্টিনেলীরা ।
1880 সালে , এক বৃটিশ কমান্ডার সশস্ত্র সেনাদল নিয়ে ধরে নিয়ে এসেছিলেন চার শিশুসহ এক সেন্টিনেলী দম্পতিকে । শিশুরা বাঁচলেও সহ্য করতে পারেনি ঐ দম্পতি সভ্যতার বিষ , মারা যাবার পর শিশুদের আবার দ্বীপে ছেড়ে আসা হয় । সত্তর সালে ASI এর বিশেষজ্ঞরা একবার চেষ্টা করেন , উত্তর সেন্টিনেল দ্বীপে নামার কিন্ত কূল থেকে ছুটে আসা ঝাঁকে ঝাঁকে তীর তাদের সে আশায় জল ঢেলে দিলো । 1974-এ ন্যাট জিও “Man in Search of Man” নামে একটা ডকুমেন্টরী বানানোর উদ্দেশ্য নিয়ে নেমেছিল ওখানে । ঘন্টাখানেকের মধ্যে বেচারা ফিরিঙ্গী পরিচালকের ঊরুতে আট ফুট লম্বা একটা বর্শা গেঁথে যেতে , আর কারো হিম্মত হয়নি সুটিং করার ।


অবশেষে এলো সেই দিন , ১৯৯১ সালের চৌঠা জানুয়ারী । "MV Tarmugli" নামে আন্দামান প্রশাসনের একটা ছোট জাহাজ তেরজন যাত্রীকে নিয়ে রওয়ানা হলো সেন্টিনেল দ্বীপের দিকে , উদ্দেশ্য তাদের সাথে সৌহার্দ্য সম্পর্ক গড়ে তোলা । এই প্রথম অভিযানে সামিল হলো একটি মেয়ে , ডক্টর মধুমালা চ্যাটার্জী ।
দ্বীপের কাছাকাছি পৌঁছে ঊঠলেন তারা ছোট নৌকায় , সঙ্গে উপহার দেবার জন্য প্রচুর  নারকোল । তটের কাছে পৌছুতেই গাছের আড়াল থেকে বেরিয়ে এলো একদল সেন্টিনেলী , ষাট হাজার বছর ধরে যারা সভ্যতার আলোয় আসেনি । দলে বেশির ভাগই পুরুষ যাদের হাতে তীরধনুক , বর্শা , মহিলাদের কোলে শিশুসন্তান ।

নৌকা থেকেই ASI টিমের সদস্যরা জলে একটার পর একটা নারকোল ফেলতে লাগলেন । এক বরফ শীতল নীরবতা , আর তারপরই বেশ কজন আদিবাসী জলে নেমে নারকোল তুলতে লাগলো । উল্লাসে ফেটে পড়লেন সদস্যরা , অবশেষে সেন্টিনেলীরা সভ্য মানুষের উপহার গ্রহন করেছে ।
সবাইকে অবাক করে দিয়ে মধুমালা নামলেন হাঁটু জলে , দুহাতে নারকোল নিয়ে পাড়ের মেয়েদের দিকে তাকিয়ে ওঙ্গে ভাষায় চীৎকার করলেন , "নারিয়েলি জাভা , জাভা ।" এসো , তোমরাও নারকোল নিয়ে যাও ।
তটে দাঁড়ানো এক সেন্টিনেলী কখন যে তাকে লক্ষ্য করে ধনুকে তীর জুড়েছে , খেয়াল করেনি কেউই । শেষ মুহুর্তে এক আদিবাসী মহিলা ধনুকধারীকে ধাক্কা দেওয়ায় বেঁচে যান ডক্টর ।
চার ঘন্টা ধরে চললো এই উপহার পর্ব । বেলা শেষে দেখা গেলো , সেন্টিনেলীরা সবাই তাদের অস্ত্র পায়ের কাছে নামিয়ে রেখেছে । অভিজ্ঞ মধুমালা বুঝলেন বরফ গলেছে , ধীর পায়ে হেঁটে উঠলেন সেন্টিনেল দ্বীপের তটভূমিতে । তার হাত থেকে এবার সরাসরি নারকোল নিলো বেশ কজন সেন্টিনেলী । ষাট হাজার বছর পরে এই প্রথম সরাসরি কোন সভ্য মানুষের  হাত থেকে উপহার গ্রহন করলো পৃথিবীর আদিমতম এক উপজাতি , আর সেইসাথেই নৃতত্ব বিজ্ঞানের ইতিহাসে জুড়ে গেলো এক নতুন অধ্যায় ।
সফল হলো হাওড়া শিবপুরের , বারো বছরের সেই  মেয়েটির দেখা স্বপ্ন ।

সবুজ দ্বীপের এই মানুষগুলোর টানে হেলায় ছেড়েছেন বিদেশী বিশ্ববিদ্যালয়ে গুলির একাধিক লোভনীয় চাকরী ।  বর্তমানে কেন্দ্রীয় সরকারের  Social justice & Backward class welfare মন্ত্রকের ডেপুটি ডিরেক্টর এবং দিল্লী লক্ষীবাঈ নগরের বাসিন্দা আজকের প্রথমা ডক্টর মধুমালা চ্যাটার্জী ।

ভোডাফোন চালু করলো eSIM সুবিধা, জানুন কোন ফোনগুলিতে সাপোর্ট করবে

ভোডাফোন চালু করলো eSIM সুবিধা, জানুন কোন ফোনগুলিতে সাপোর্ট করবে


ভোডাফোন পোস্টপেড গ্রাহকদের জন্য নতুন চমক ভোডাফোন eSIM। কোম্পানি আজ দেশের তিনটি অঞ্চলে এই সুবিধা চালু করেছে। এবার আপনার মনে প্রশ্ন আসতে পারে eSIM আসলে কি? eSIM বর্তমানের অত্যাধুনিক কিছু স্মার্টফোনের মধ্যে থাকা ইন্টিগ্রেটেড সিম চিপ যার সাথে বিভিন্ন মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটরদের কানেক্ট করে গ্রাহকরা সেই মোবাইল নেটওয়ার্ক কোম্পানির ডেটা প্ল্যান ও অন্যান্য পরিষেবা ব্যবহার করতে পারবেন। এক্ষেত্রে আলাদা কোন সিম চিপের প্রয়োজন নেই কোম্পানির নেটওয়ার্ক পরিষেবা ব্যবহার করার জন্য। eSIM এর মাধ্যমে গ্রাহকরা খুব সহজে সাধারণ কল, মেসেজ ও ইন্টারনেট পরিষেবা উপভোগ করতে পারবেন।

সমস্ত ভোডাফোন পোস্টপেইড গ্রাহক যাদের অ্যাপেল স্মার্টফোন যেমন iPhone 11, iPhone 11 Pro, iPhone 11 Pro Max, iPhone SE, iPhone XS, iPhone XS Max এবং iPhone XR ইত্যাদি আছে তারা বর্তমানে eSIM এর পরিষেবা উপভোগ করতে পারবেন। ভোডাফোনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে পরবর্তী সময়ে Samsung Galaxy Z Flip ও Samsung Galaxy Fold স্মার্টফোন গ্রাহকদের জন্যও eSIM পরিষেবা চালু করা হবে। মুম্বাই, দিল্লি ও গুজরাটের ভোডাফোন পোস্টপেড গ্রাহকরা বর্তমানে eSIM ব্যাবহার করতে পারবে। অন্যান্য শহরগুলিতে খুব শীঘ্রই এই পরিষেবা চালু করার চেষ্টা চলছে।

eSIM পরিষেবা আপনার স্মার্টফোনে কি করে পাবেন সেটি দেখে নেওয়া যাক:

আপনি যদি ভোডাফোন গ্রাহক হয়ে থাকেন, তাহলে আপনার ভোডাফোন নাম্বার থেকে ১৯৯ এ একটি মেসেজ পাঠাতে হবে। মেসেজে টাইপ করতে হবে eSIM<স্পেস>ইমেল আইডি। ইমেল আইডিটি নথিভূক্ত হওয়ার পর সেটির যাচাই হবে। ইমেল আইডিটি যাচাই হয়ে যাওয়ার পর ১৯৯ থেকে একটি মেসেজ আসবে। সেই মেসেজের উত্তরে ESIMY টাইপ করে eSIM রিকোয়েস্ট নিশ্চিত করতে হবে।
এরপরও আপনাকে আরেকবার কলের মাধ্যমে আপনার eSIM রিকুয়েস্ট নিশ্চিত করতে হবে। তারপর আপনার নথিভূক্ত ইমেল আইডিতে একটি QR কোড আসবে। সেই কোডটিকে স্ক্যান করতে হবে। এই সময় আপনার স্মার্টফোনটিকে ওয়াইফাই বা মোবাইল ডেটার সাথে কানেক্ট করে রাখতে হবে। প্রথমে ফোনের সেটিংস মেনু তে গিয়ে মোবাইল ডেটা অপশনটি সিলেক্ট করতে হবে। তারপর ‘অ্যাড ডেটা প্ল্যান’ অপশনে ক্লিক করতে হবে। তারপর নথিভূক্ত ইমেলে পাঠানো QR কোডটি স্ক্যান করতে হবে এবং তারপর আপনার eSIM পরিষেবা কিছুক্ষণের মধ্যেই চালু হয়ে যাবে।

আপনি যদি ভোডাফোনের নতুন গ্রাহক হন তাহলে আপনাকে আপনার আইডেন্টিটি প্রুফ ও পাসপোর্ট ছবি নিয়ে নিকটবতী ভোডাফোন স্টোরে যেতে হবে। আপনি যেই স্মার্টফোনটিতে eSIM পরিষেবা চান সেটাও নিয়ে যাওয়া বাধ্যতামূলক। একই পদ্ধতিতে আপনার স্মার্টফোনে একটি QR কোড আসবে। সেই QR কোড স্ক্যান করার ২ ঘণ্টার মধ্যে আপনার ভোডাফোন eSIM পরিষেবা চালু হয়ে যাবে।

ফাইভ-জি এলে কী কী হবে, সত্যিই ১০০ গুণ বেড়ে যাবে গতি?

ফাইভ-জি এলে কী কী হবে, সত্যিই ১০০ গুণ বেড়ে যাবে গতি?


ভারতে মোবাইল ফোনের শুরু এই টু-জি-র হাত ধরেই।
এর পরের অধ্যায়ে এল ‘টু পয়েন্ট ফাইভ-জি’ আর তারই উন্নততর সংস্করণ ‘এজ’। ব্ল্যাকবেরি। হাতের ফোন থেকেই ইমেল করার সুবিধা। এরই মধ্যে লোক ভুলতে শুরু করেছে প্রথম মোবাইলের আকর্ষণ। ফোন থেকেই গাবদা মেল অনায়াসেই করা যাচ্ছে। কিন্তু তখনও মোবাইল ফোন সময় কাটানোর সঙ্গী হয়ে ওঠেনি।
এল থ্রি-জি। বদলে গেল জীবনটাই। তুলনামূলক ভাবে অনেক দ্রুত চালাচালি হতে থাকল তথ্য। মোবাইলেই ইন্টারনেট দেখার উন্নত সুযোগ। সাধারণ মোবাইলেই ইমেল-সহ গোটা দুনিয়া হাতের মুঠোয়। উল্টো দিকের মানুষটাকে ফোনে দেখার সুযোগ। শুধু তাই নয়। ফোনকে ব্যবহার করেই কম্পিউটার থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার করা বা হটস্পট তৈরির সুযোগ। আর এখন তো ফোর-জি’র কল্যাণে আরও উন্নত ব্যবস্থা।
আসলে মোবাইল ফোনের এই উন্নতি ক্রমাগত কিন্তু আমাদের হাতের মুঠোর মধ্যেই আরও বেশি করে এনে দিচ্ছে যোগাযোগের নানান সুযোগ। শুধু কথা বলা থেকে আজকের মোবাইল সর্বস্ব জীবনে হাতের মুঠোয় এসে গিয়েছে আদিম কম্পিউটারের থেকেও অনেক বেশি ক্ষমতা। কিন্তু চাই তো আরও বেশি। তাই এ বার পালা ফাইভ-জি’র!
রিলায়্যান্সের হাত ধরে ভারতে আসছে ফাইভ-জি। কিন্তু তা নিয়ে এত হইচই কেন? এই পরিসরে ফাইভ-জি’র অর্থনীতি নিয়ে আলোচনা করার জায়গা নেই। রিলায়্যান্স কার সঙ্গে জুটি বাঁধল তাও আমরা জানি। ভারতের মতো দেশে এর সুযোগ কতটা, তাও এই আলোচনার পরিসরের বাইরেই থাক। শুধু তুলনার হিসাবে বুঝে নেওয়ার চেষ্টা করব ফাইভ-জি’র বৈশিষ্ট।
এই প্রজন্মের প্রযুক্তি নিয়ে উত্তেজনার কারণ হল তথ্য আদানপ্রদানের অবিশ্বাস্য দ্রুততা। আজকের প্রযুক্তি ফোনের বোতাম টিপে টিভি দেখা যায়, ফ্রিজ চালানো যায়। আরও যা যা করা যায় এই প্রযুক্তিতে তার সবই করা যায় তো বটেই, এবং তা করা যায় আরও দ্রুততায়। শুধু তাই নয়, এই প্রযুক্তিতে একই অঞ্চলে যত যন্ত্রের মধ্যের যোগাযোগ করা সম্ভব বর্তমান প্রযুক্তিতে তার একটা ভগ্নাংশ সম্ভব। আর তাই এটা নিয়ে অনেক বেশি উত্তেজিত শিল্পমহল।
দেখে নেওয়া যাক ব্যাপারটা কী! শুরু করা যাক বিশ্বে কার কার হাতে এই প্রযুক্তি আছে সেখান থেকেই। বিশ্বের ন’টি সংস্থার হাতে রয়েছে এই প্রযুক্তি। আর এই মুহূর্তে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চিন আর দক্ষিণ কোরিয়ার হাতে রয়েছে এই ফাইভ-জি’র চাবিকাঠি। ২০১৬ সালের জুলাই মাসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল কমিউনিকেশন সেই দেশে কী ভাবে এই নেটওয়ার্ক কাজ করবে তার নিয়ম বেঁধে দেয়। আর তার পরই শুরু হয় মার্কিন দেশে ফাইভ-জি’র যাত্রা। অন্য দেশেও মোটামুটি এই নিয়মই অনুকরণ করছে। কিন্তু তা অন্য প্রসঙ্গ।
ফাইভ-জি কেন?
আমাদের দৈনন্দিন মোবাইল ব্যবহারের দিক থেকেই ভাবি। ধরুন, আপনার একটা সিনেমা ফোর-জি’তে ডাউনলোড করতে সময় লাগে সাত মিনিট। ফাইভ-জি’তে তা করবেন ছয় থেকে সাত সেকেন্ডে। অন্তত প্রযুক্তিবিদদের দাবি এটাই। কিন্তু শুধু বিনোদনের কথা ভেবেই কি এত উত্তেজনা? অবশ্যই নয়।
এখনই ফোনে ফ্যান থেকে এসি সবই চালানো যায়। এমনকি বাড়িতে না থাকলেও। কিন্তু ভাবুন আপনার হাতে মোবাইল। তাই দিয়ে কিছু একটা বন্ধ করতে হবে। এবং সঙ্গে সঙ্গে। পারবেন না। কারণ বর্তমান প্রযুক্তিতে আপনার ফোন থেকে সিগন্যাল পৌঁছতে যা সময় লাগবে তাতে হয়ত দেরি হয়ে যাবে। 
এবার ধরুন কোনও কারখানায় কয়েক হাজার যন্ত্রের মধ্যে সারাক্ষণ যোগাযোগ রাখা দরকার। ক্রেতার চাহিদা থেকে উৎপাদন, সব। কিন্তু তা করতে গেলে যে দ্রুততায় তথ্য আদানপ্রদান করতে হবে এবং একসঙ্গে যত যন্ত্রকে এক সুতোয় জড়িয়ে রাখতে হবে তা বর্তমান প্রযুক্তিতে সেই দ্রুততায় করা যায় না। ফাইভ-জি’তে এর থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে বলে দাবি। তথ্যে চোখ রাখা যাক।
ফাইভ-জি, ফোর-জি’র থেকে ১০০ গুণ বেশি দ্রুত। আর সেই কারণেই, উদাহরণ হিসাবে বলা যাক, সিনেমা ডাউনলোড করতে ১০০ ভাগ সময় কম লাগবে। ফোর-জি’তে যদি ১০০ এমবিপিএস গতিতে তথ্য নামানো যায়, ফাইভ-জি’তে তা করা যাবে ১০ হাজার এমবিপিএস গতিতে।
তথ্যপ্রযুক্তির জগতে একটা কথা চালু আছে। ল্যাটেন্সি। সহজ করে বুঝলে— আপনি একটা তথ্য পাঠালেন, তা কত দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছে যাচ্ছে তা দিয়ে মাপা হয় ল্যাটেন্সি। ফাইভ-জি’তে এই সময় নাকি পাঁচ মিলিসেকেন্ডেরও কম। ফোর-জি’তে যা ৫০ মিলিসেকেন্ডের মতো। অর্থাৎ আমরা যদি কোনও কিছু হঠাৎ থামাতে চাই বা চালাতে চাই মোবাইল ফোন ব্যবহার করে, তা হলে ফাইভ-জি দিয়ে তা ফোর-জি’র থেকে ১০ ভাগ কম সময়ে করে ফেলতে পারব।
যেহেতু ফাইভ-জি দিয়ে আমরা অনেক বেশি তথ্য, অনেক বেশি যন্ত্রে, ফোর-জি’র তুলনায় অনেক কম সময়ে একই সঙ্গে করে ফেলতে পারি তাই এই প্রযুক্তি নিয়ে সবাই এত উত্তেজিত। আমরা নিজেরাই দেখেছি টু-জি’তে মোবাইল ফোন দিয়ে যা করতে পারতাম, ফোর-জি দিয়ে তার থেকে অনেক বেশি কিছু করতে পারি। আর বিভিন্ন সংস্থা এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে নানান পরিষেবা আমাদের কাছে হাজির করেছে-- এমনকি ব্যাঙ্কিংয়ের মতো পরিষেবাও আজ আক্ষরিক অর্থেই আমাদের হাতের মুঠোয়।
যেহেতু ফাইভ-জি দিয়ে আমরা অনেক বেশি তথ্য, অনেক বেশি যন্ত্রে, ফোর-জি’র তুলনায় অনেক কম সময়ে একই সঙ্গে করে ফেলতে পারি তাই এই প্রযুক্তি নিয়ে সবাই এত উত্তেজিত। আমরা নিজেরাই দেখেছি টু-জি’তে মোবাইল ফোন দিয়ে যা করতে পারতাম, ফোর-জি দিয়ে তার থেকে অনেক বেশি কিছু করতে পারি। আর বিভিন্ন সংস্থা এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে নানান পরিষেবা আমাদের কাছে হাজির করেছে-- এমনকি ব্যাঙ্কিংয়ের মতো পরিষেবাও আজ আক্ষরিক অর্থেই আমাদের হাতের মুঠোয়।
কিন্তু! হ্যাঁ, একটা কিন্তু থেকেই যাচ্ছে। বিশ্বের মোবাইল পরিষেবা সংস্থাগুলি জিএসএমএ-র সদস্য। খানিকটা বণিকসভার মতো। এই জিএসএমএ-র দাবি, ২০২৫ সালের মধ্যে গোটা বিশ্বের এক তৃতীয়াংশ এই নতুন পরিষেবা ব্যবহার করবে। আমরা একটু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তথ্যে চোখ রেখে এই ‘কিন্তু’টা বুঝে নিই।

সিগন্যাল শক্তির এই সমীক্ষা থেকে দেখা যাচ্ছে, দাবি আর বাস্তবের মধ্যে ফারাক এখনও অনেক। হয়ত তা প্রযুক্তির প্রাথমিক সমস্যা। কিন্তু ভাবুন তো, এই প্রযুক্তি আমাদের কী দিতে পারে এই প্রাথমিক সমস্যা কাটিয়ে উঠলে! কতটা, তা আমরা ইতিমধ্যেই প্রত্যক্ষ করেছি। এবং, ফাইভ-জি কিন্তু থ্রি-জি-র মতোই বৈপ্লবিক হতে চলেছে, যা দাবি তা ঘটলে। কিন্তু আর্থসামাজিক অভিঘাত কী হবে তা অন্য আলোচনার বিষয়।

Saturday, 18 July 2020

সমবয়সী মেয়েকে বিয়ে করলে যা হয়

সমবয়সী মেয়েকে বিয়ে করলে যা হয়


বিয়ের ধারণা আগের চেয়ে পাল্টেছে। এখন বিয়ে মানে শুধুমাত্র সন্তান জন্ম দেয়াই না বরং বিয়ে বলতে একে অপরের সাথে সুখ-দুঃখ, সফলতা-বিফলতাসহ সমস্ত কিছুই ভাগ করে নেয়া। আর এর ফলে বর্তমানে সমবয়সী অর্থাত্‍ দুই বন্ধুর মধ্যে বিয়ের চল বেড়ে চলেছে। এক সঙ্গে পড়াশুনা বা চাকরি করতে গিয়ে কাছাকাছি আসা, মনের মিল খুঁজে পাওয়া এবং শেষে ঘর বাঁধা।

সমবয়সী স্ত্রীর সঙ্গে বন্ধুর মতো সবকিছু শেয়ার করা যায়। নিজের ভালোলাগার বিষয়গুলো তার সঙ্গে মিলে যায় সহজেই। আবার কখনো বা পড়তে হয় দারুণ বিপাকে। সমবয়সী বিয়ের ক্ষেত্রে কিছু কমন সমস্যা আমরা প্রায়ই দেখতে পাই, যা বিষিয়ে তুলতে পারে দাম্পত্য জীবন।

অনেক সময় দেখা যায়, সমবয়সী পুরুষটি তার স্ত্রীর কাছে মানসিক দিক থেকে ভ্রাতৃতুল্য হয়। কিন্তু পুরুষটির আচরণে এসে পড়ে কর্তৃত্ব। যেহেতু নারীটি ওই পুরুষ থেকে পরিণতমনস্ক, সেই কারণে তার থাকে দিদিগিরি। আর এ কারণে দ্রুতই শুরু হয়ে যেতে পারে সংঘাত।

আবার এমনো দেখা যায়, যুক্তি-বুদ্ধি নিয়ে গড়ে ওঠা মেয়েটির নিজস্ব চিন্তা ভাবনাকে সম্মান দেখানোর মানসিকতা থাকে না পুরুষটির। আর এর ফলে দাম্পত্য জীবনে মতভেদ, জটিলতার মতো বিষয় দেখা দেয়। তাছাড়া আবেগে ভাটা পড়লে সম্পর্কের পরণতি হয় ডিভোর্সে।

আবার যখন একই সাথে সংসার করার পর দুজনের বয়স ৪০ বা ৪৫ বছরের এসে দাড়ায়। তখন মেয়েদের মধ্যে একটা টার্নিং পয়েন্ট কাজ করে কারণ সেই সময় তাদের কোন সন্তান ধারণের প্রশ্ন ওঠেনা। তখন তারা মোটামুটিভাবে মুক্ত অনেকটা সংসার অতিবাহিত করার পরে তারা একটু রিলিফ পায় এই সময়। আর তখনই স্বামীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে গিয়ে কোন কাজ করে তারা এর ফলে শুরু হয়ে যায় সংসারে সংঘাত।

অনেকের মতেই সমবয়সীতে বিয়ে হওয়া মানে দাম্পত্য জীবনে সমস্যার বৃদ্ধি করা।
তাই সাধারণত যদি মেয়েটির থেকে ছেলেটি কমপক্ষে ৫ বছরের বড় হয় এবং খুব বেশি হলে ১০ বছরের বড় তাহলে এটি বিবাহের সম্পর্কে পক্ষে যথাযথ।

Friday, 17 July 2020

ঘুমানোর আগে সেক্স করুন....ঘুম ভালো হবে

ঘুমানোর আগে সেক্স করুন....ঘুম ভালো হবে

রাতে ভালো করে ঘুমাতে পারছেন না? তার উপর গরম। করোনার প্রকোপে নানারকম চিন্তা। কিন্তু এর মাঝেও রাতে সানন্দে ঘুমাতে পারেন। তার জন্য আপনাকে গুমানোর আগে আপনার সঙ্গির সাথে করে নিতে হবে যৌন মিলন। যৌন মিলন অবশ্যই আনন্দদায়ী ঘটনা। তবে এর বৈজ্ঞানিক ভিত্তিও আছে। তাই যৌন মিলনের আনন্দের সঙ্গে সঙ্গে এর অন্য সুফলকেও কাজে লাগাতে হবে। যার মধ্যে অবশ্যই প্রথম, সেক্সের সময়। ভালোবোসায়, যৌন মিলনের কোনো নির্দিষ্ট সময় নেই। তবে রাতে ঘুমোনোর আগে সেক্সের সুফল রয়েছে। আরও জানিয়ে রাখা ভালো, লন্ডনের প্ল্যাস্টিক সার্জারি বিশেষজ্ঞ ক্যান্ডিশ ব্রাউনের মতে, ‘সেক্সে শুধু ঘুম নয়, ত্বকও আরও উজ্জ্বল হয়।’

ঘুমানোর আগে সেক্সের ফলে লাভ বেশি। সেন্টাল কুইনসল্যান্ড ইউনিভারর্সিটির এক গবেষণায় এমই উঠে এসেছে। ৮০০ জন পুরুষ ও মহিলার উপর সমীক্ষায় জানা গেছে যে, ৫৯% মহিলা এবং ৬৮% পুরুষের মতে যৌন মিলনের পরই গভীর ঘুম এসেছে। ৬৮% মহিলা এবং ৭৪% পুরুষের মতে, অরগ্যাজমের পরই সবচেয়ে ভালো ঘুম আসে। তবে সেক্স না হলেও সমস্যা নেই। কারণ, অনেকের মতে হস্তমৈথুনেও ভালো ঘুম আসে। এইসঙ্গে উঠে এসেছে স্ট্রেসের প্রসঙ্গ। স্ট্রেস বা ক্লান্তির কারণে শুধু ঘুম নয়, যৌনতাতেও বাধা আসে। ভালো ঘুম না হলে, অক্সিটোসিন ও প্রোল্যাক্টিন হরমোন তৈরি হয় না। যার ফলে ঝিমুনি ও বিরক্তি ভাব আ

Thursday, 16 July 2020

 অ্যাপল, স্যামসাংয়ের ফোন কিনলে মিলবে না চার্জার!  নয়া পরিকল্পনা ঘিরে তীব্র জল্পনা

অ্যাপল, স্যামসাংয়ের ফোন কিনলে মিলবে না চার্জার! নয়া পরিকল্পনা ঘিরে তীব্র জল্পনা


স্মার্ট ফোনের যুগে বাস করছি আমরা। কিন্তু দিনের শেষে হাজার ফিচার্স বিশিষ্ট একলাখি স্মার্টফোন থাকলেও কাজের কাজ কিছুই হবে না যদি ফোনে চার্জ না থাকে। আজকের স্মার্টযুগে তাই ফোনের হাজার কারিকুরি সত্ত্বেও চার্জার বিনা গোটাটাই অচল। এই পরিস্থিতিতে যদি শোনেন এবার থেকে মোবাইল কিনলে চার্জার পাবেন না, কেমন লাগবে?
সম্প্রতি এমনটাই শোনা যাচ্ছে প্রযুক্তি মহলে! জানা যাচ্ছে, দক্ষিণ কোরিয়ার স্যামসাং ইতিমধ্যেই এই ভাবনা নিয়ে এগিয়ে গিয়েছে। সম্ভবত আগামী বছর থেকে স্যাংসাং ফোন কিনলে তাতে চার্জার থাকবে না। স্মার্টফোনের হাড্ডাহাড্ডি প্রতিযোগিতার বাজারে এভাবে কি দাম কমানোর চেষ্টা করছে স্যামসাং?
কিছুদিন আগেই তোলপাড় পড়ে গিয়েছিল অ্যাপল সংক্রান্ত একটি খবরে। তাতে দাবি করা হয়েছিল অ্যাপলের আই ফোন ১২ এর বাক্সে চার্জার থাকবে না। হেডফোনও দেওয়া হবে না। যদিও সংস্থার তরফে এখনও এমন কিছু জানানো হয়নি আবার খবরের সত্যতা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেনি অ্যাপল।
সংস্থাগুলোর দাবি, ফোন কিনলে এখন চার্জার দেওয়ার কোনও উপযোগিতা নেই। প্রত্যেকের কাছেই থাকে এক বা একাধিক চার্জার। তাছাড়া বাজারে কিনতেও পাওয়া যায় ঢের। এই পরিস্থিতিতে চার্জার দেওয়ার অর্থ অকারণে কিছুটা দাম বেড়ে যাওয়া।
চাইনিজ ফোনের আগ্রাসনের প্রেক্ষিতে স্মার্টফোনের বাজারে এখন তুল্যমূল্য প্রতিযোগিতা। কেউ কাউকে ছেড়ে কথা বলার বান্দা নন। এই অবস্থায় ফোনের দাম যতটা সম্ভব কম রাখতে হেডফোন বা চার্জারের উপর কোপ পড়তে চলেছে মনে করা হচ্ছে। অ্যাপল ও স্যামসাং যদি চার্জার না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে বাজারের বাকিদের তা অনুসরণ করা স্রেফ সময়ের অপেক্ষা, বলছেন মোবাইল ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে যুক্ত লোকেরা।
এখন বিভিন্ন সংস্থার স্মার্টফোনের সঙ্গে হেডফোন দেওয়া হয় না। এরপর চার্জারও দেওয়া হবে না বলে শোনা যাচ্ছে। কিন্তু প্রশ্ন হল, তাতে ফোনের দাম কতটা কমবে? স্যামসাংয়ের নিজস্ব সমীক্ষা জানাচ্ছে, এতে খরচ বাঁচবে সামান্যই। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের বাজারে টিকে থাকতে তাই বা কম কি, বলছেন মোবাইল ইন্ডাস্ট্রির একাংশ।

Wednesday, 15 July 2020

সেক্সও কমাতে পারে ডিপ্রেশন....

সেক্সও কমাতে পারে ডিপ্রেশন....

     করোনা সংক্রমণের পর থেকে প্রায় ঘর বন্ধি সবাই। প্রায় চার মাসের বেশি সময় ধরে গৃহ বন্ধি। অনেকেই এই সময় অনেক রকম নানারকম ভাবে করোনা নিয়ে চিন্তিত। আর তার সাথে বাড়িতে বসে থাকতে থাকতে নানারকম চিন্তায় অনেকেই খুব ডিপ্রেশনে ভুগছেন। মুড ভালো নেই। মন-মেজাজ তুঙ্গে উঠে আছে। খাবার খেতেও মন নেই।এই সব থেকেও বেরিয়ে আসার উপায় হিসাবে সেক্স উপকার করতে পারে। নিজের ভালো রাখার উপায় আছে নিজের হাতেই। সুজোগ থাকলে সন্পর্কে শারীরিক গল্পও আনুন। একটা সময়ের পর প্রেমে শরীরেরও প্রয়োজন হয়। তাতে শরীর চাঙ্গা থাকে। বীর্জ মন মেজাজ ভালো করার ক্ষমতা রাখে। হরমোনে সঠিক ক্রিয়া ফিরিয়ে আনে।

     সেক্স ও ডিপরেশনের মধ্যকার সম্পর্কটি খুবই জটিল  কারণ ডিপ্রেশনের জন্য অনেক সময সেক্স করার ইচ্ছে কমে যায়। কোনো রকম শারীরিক আকর্ষণ থাকে না। কিন্তু ডিপ্রেশনের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে বীর্জ। এমনকি কোনো মহিলার ক্ষেত্রেও ডিপ্রেশনে ভুগলে সেক্স করার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে। এতে শরীর ও মন যেমন ভালো থাকে তেমনই ডিপ্রেশনও কেটে যায়।

     এছাড়া অনেক মেয়েরা অল্প বয়স থেকেই ফিঙ্গারিং-এ অভ্যস্ত হয়ে পড়েন। যা কিন্তু অবসাদের লক্ষণ। একইভাবে পুরুষদের অতিরিক্ত হস্তমৈথুনকেও অবসাদের কারণ হিসাবে ধরা হয়। আবার যেসব কাপল সেক্সের সময় কনডোম ব্যবহার করেন, তাঁরা সেক্সের সময় কনডোম ব্যবহার না করা কাপেলদের থেকে বেশি হতাশায় ভোগেন। কারণ সরাসরি বীর্জপাতের সংস্পর্শে আসলে হতাশা অনেকাংশে কমে যায়। এবং মনও ভালো সতস্ফুর্ত থাকে।