Tuesday, 26 January 2021
Thursday, 22 October 2020
মহাষষ্ঠীতে দুর্গাপুজোর উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী
ডোনা গঙ্গোপাধ্যায়ের নাচ এবং বাবুল সুপ্রিয়র গান দিয়ে শুরু হয় অনুষ্ঠান। তার পর বক্তৃতা শুরু করেন মোদী।ষষ্ঠী উপলক্ষ্যে পূর্ব পরিকল্পনা মতোই রাজ্যবাসীকে পুজোর ভার্চুয়াল শুভেচ্ছা জানলেন নরেন্দ্র মোদি। ইজেডসিসির পুজো উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলার জন্য বেছে নিলেন বাংলা ভাষাকেই। বারবার বাংলা লব্জে, বাঙালির গৌরবময় ইতিহাস স্মরণে সাজল তাঁর কথার ডালি। সংযম দেখিয়ে পুজো আয়োজনের জন্য পুজো উদ্যোক্তাদের ধন্যবাদও জানালেন নরেন্দ্র মোদি। তাঁর কথায়, পুজোয় গোটা দেশ যেন বাংলাময় হয়ে গিয়েছে।
এদিন অনুষ্ঠানে মোদি পরেছিলেন তসরের পাঞ্জাবি। সেই পাঞ্জাবি গিয়েছে বাংলা থেকেই, নিয়ে গিয়েছিলেন বাবুল সুপ্রিয়। অনুষ্ঠান শুরু হয় বাবুলের উদ্বোধনী সঙ্গীতেই। বার্তার শুরুতেই মোদি বলেন, মহিষাসুর বধ করতে মা এসেছিলন। দৈব শক্তি সংগঠিত হয়েছিল। এমন ভাবেই নারীশক্তি সমস্ত বিপদে একজোট হয়। আমাদের দায়িত্ব তাদের পাশে দাঁড়ানো। বাংলার অগ্নিযুগের বিপ্লবীদের, বিজ্ঞানীদের, সাংস্কৃতিক মণীষাদের প্রণাম জানান নরেন্দ্র মোদি।সকলকে কোভিড বিধি মানতে অনুরোধ করেন নরেন্দ্র মোদি। বলেন সবাই সংযম দেখিয়েছে। তাঁর কথায়, আয়োজন সীমিত হলেও আনন্দ সীমিত সীমিত নয়।
পুজোর মুখেই বারবার ধর্ষণ আর নারীনির্যাতনের খবর এসেছে সংবাদ শিরোনামে। সেই আবহেই প্রধানমন্ত্রী বলেন, নারীনিরাপত্তা নিয়ে কাজ করছে সরকার। নারীর ক্ষমতায়নই বিজেপির উদ্দেশ্য। এই উদ্দেশ্যেই তিন তালাক বাতিল করার পথে এগিয়েছে প্রশাসন। বেড়েছে মাতৃত্বকালীন ছুটিও।মোদির পুজো উদ্বোধনকে কেন্দ্র করেই আজ সকাল থেকেই সরগরম ইজেডসিসিস চত্বর। হলে সমাগম হয়েছে ছোট-বড় বহু নেতার। দলীয় নির্দেশে সকলেরই পরণে ধুতি পাঞ্জাবি। মেয়েরা পরেছেন লাল পাড় সাদা শাড়ি।পরিষশেষে বিশুদ্ধ বাংলায় মোদির প্রার্থনা, "প্রতিবছর যেন মায়ের পুজো করে যেতে পারি।"
Thursday, 8 October 2020
লোক জনশক্তি পার্টির প্রতিষ্ঠাতা রামবিলাস পাসোয়ান প্রয়াত
প্রয়াত হলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা লোক জনশক্তি পার্টির প্রতিষ্ঠাতা রামবিলাস পাসোয়ান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল 74 বছর। 1946 সালের 5 ই জুলাই বিহারের খাগারিয়া তে দরিদ্র কৃষক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। আজ সন্ধ্যায় রামবিলাস পাসোয়ান নতুন দিল্লির এস্কর্ট হসপিটালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
Monday, 5 October 2020
প্রয়াত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মোলায়েম সিং যাদব
Friday, 2 October 2020
গান্ধী জয়ন্তীতেই মহাত্মা গান্ধীর অপমান, অনলাইন চিলি চিকেন বিপণনে নিরামিষাশী গান্ধীজি ও জাতীয় পতাকার ব্যবহার সোশ্যাল মিডিয়ার বিজ্ঞাপনে
Wednesday, 30 September 2020
প্রায় তিন দশক ধরে চলে আসা বাবরি মসজিদ ধ্বংস মামলার অবশেষে রায় দান লখনৌ এর বিশেষ সিবিআই আদালতে
১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর উত্তরপ্রদেশের অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ ভেঙে দেওয়া হয়েছিল।প্রায় তিন দশক ধরে চলে আসা এই মামলায় আজ লখনউয়ের বিশেষ সিবিআই আদালত আজ রায় দান করে। এদিন ভিডিয়ো কনফারেন্সের মাধ্যমে আদালতে হাজিরা দেন অভিযুক্ত লালকৃষ্ণ আডবাণী, উমা ভারতীদ। যদিও এদিন ভিডিয়ো কনফারেন্সে যোগ দেননি মুরলিমনোহর জোশী। রায়দান করার সময় বাবরি মসজিদ ধ্বংসের ঘটনা পূর্ব পরিকল্পিত নয় বলে এ দিন মন্তব্য করেন বিচারক সুরেন্দ্রকুমার যাদব। তিনি জানান, মসজিদ ভাঙায় অভিযুক্তদের কারও কোনও হাত ছিল না। উমন্মত্ত জনতাই এই ঘটনা ঘটিয়েছেন। বাবরি ধ্বংস মামলায় অভিযুক্ত ৩২ জনকেই এদিন প্রমাণের অভাবে বেকসুর খালাস করল আদালত। এদিন বিচারক বলেন অভিযুক্তরা বরং মসজিদ ভাঙায় বাধা দেওয়ারই চেষ্টা করেছিলেন।বাবরি মসজিদ ধ্বংস মামলায় রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ (আরএসএস) এবং বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (ভিএইচপি)-কেও এ দিন ক্লিনচিট ধরিয়ে দেয় সিবিআই আদালত। ২ হাজার ৩০০ পাতার রায় পড়ে শোনানোর সময় বিচারক সুরেন্দ্রকুমার বলেন, ‘‘প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে এই ঘটনার সঙ্গে আরএসএস এবং ভিএইচপি-র কোনও ভূমিকা ছিল না। মসজিদের পিছন থেকে অজ্ঞাত পরিচয় লোকজনই পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট ছোড়েন।বাবরি ধ্বংস মামলায় আদালতে একাধিক ভিডিয়ো ও ছবি জমা দিয়েছিল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা (সিবিআই)। কিন্তু সেগুলির সত্যাসত্য নিয়ে প্রশ্ন তোলেন অভিযুক্তদের আইনজীবী মণীশ ত্রিপাঠী। অভিযুক্তদের ফাঁসানোর জন্য সেগুলি বিকৃত করা হয়েছে বলে আদালতে দাবি করেন তিনি। তাঁর সেই দাবিই মেনে নেন বিচারক সুরেন্দ্রকুমার। অরিজিনাল নেগেটিভ জমা না করায় ছবিগুলির সত্যতা নিয়ে ধন্দ প্রকাশ করেন তিনি। শুধু তাই নয়, সিবিআই সাক্ষ্য প্রমাণ আইনের নিয়ম-কানুন মেনে চলেনি বলেও তিনি জানিয়ে দেন। এদিন সিবিআই আদালতের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে উচ্চ আদালতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিল মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ড।
Saturday, 26 September 2020
প্রয়াত হলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিজেপি নেতা যশোবন্ত সিং যশোল
বঙ্গ বিজেপিতে বড় রদবদল, শনিবারের বারবেলায় রাহুল বধ করে মসনদ দখল মুকুল অনুপমের
Friday, 25 September 2020
পদ্মশ্রী এসপি বালাসুব্রামানিয়াম প্রয়াত, শোকের ছায়া সংগীত জগতে
Saturday, 19 September 2020
জঙ্গি দমনে বড়োসড়ো সাফল্য এনআইএ এর
জঙ্গি দমনে বড় সাফল্য পেল ভারতের ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি বা এনআইএ(NIA)। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ এবং কেরল থেকে গ্রেফতার হয়েছে ৯ আল-কায়দা জঙ্গি। এনআইএ সূত্রে খবর, এই দুই রাজ্যে একধিকবার তল্লাশি অভিযানের পর পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ এবং কেরলের এর্নাকুলাম থেকে গ্রেফতার হয়েছে মোট ৯ জন আল-কায়দা জঙ্গি। এনআইএ জানিয়েছে, এই ৯ জঙ্গিই একটি নাশকতার পরিকল্পনায় যুক্ত ছিল।এনআইএ-র তরফে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে যে অনেকদিন ধরেই ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে আল-কায়দার জঙ্গিরা ছড়িয়ে পড়েছিল। ইন্টার স্টেট বা আন্তঃরাজ্য মডিউলে এই সক্রিয় সদস্যরা কাজ করত। মূল লক্ষ্য ছিল নিরীহ সাধারণ মানুষদের মেরে ফেলা। দেশের বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য জায়গায় নাশকতার পরিকল্পনা করেছিল এই জঙ্গিরা। জঙ্গি কার্যকলাপ, নাশকতার মাধ্যমে আমজনতার মনে ভয়-আতঙ্কের সৃষ্টি করাই ছিল এদের লক্ষ্য।অনেকদিন ধরেই আল-কায়দার এই ইন্টার স্টেট মডিউলে অপারেটিভদের উপর নজর রেখেছিল ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি বা এনআইএ। পশ্চিমবঙ্গ এবং কেরলের একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালায় এনআইএ-র স্পেশ্যাল টিম। অবশেষে মুর্শিদাবাদ এবং এর্নাকুলাম থেকে গ্রেফতার হয়েছে ৯ জন। এরা কোন কোন জায়গায় কীভাবে নাশকতার ছক কষেছিল তা জানার চেষ্টায় তদন্ত শুরু করেছে এনআইএ।প্রসঙ্গত, গত এক বছরে কেরলের একাধিক জেলা থেকে আইসিস যোগে বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তদন্ত যত এগিয়েছে দেখা গিয়েছে কেরলের বিভিন্ন জায়গায় নিজেদের চর ছড়িয়ে রেখেছে আইসিস। তাদের বেশ কয়েকজনকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে। অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদেও ক্রমাগত জঙ্গিদের আনাগোনা যে বাড়ছিল সে খবর ছিল পুলিশ-প্রশাসনের কাছে। সেই সূত্র ধরেই খাগড়াগর বিস্ফোরণ কাণ্ড-সহ অন্যান্য অনেক জঙ্গি হামলায় জড়িত সন্দেহে বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশের জঙ্গি সংগঠন জামাত-উল-মুজাহিদিনের সদস্যরাও। জানা গিয়েছে, আজ শনিবার সকালে পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ থেকে গ্রেফতার হয়েছে ৬ আল-কায়দা জঙ্গি। আর কেরলের এর্নাকুলাম থেকে গ্রেফতার হয়েছে ৩ জন। এনআইএ সূত্রে খবর, সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে এই ৯ জঙ্গিকে ট্রেনিং দিত পাকিস্তানে থাকা আলি-কায়দার মাথারা। নির্দেশ ছিল ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে জঙ্গি হামলা করার। নিশানায় ছিল রাজধানী শহর দিল্লি এবং সংলগ্ন এলাকাও। ধৃতদের থেকে বিভিন্ন ডিজিটাল ডিভাইস, নথিপত্র, জিহাদি সাহিত্য, ধারালো অস্ত্র, দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, স্থানীয় এলাকা থেকে বানানো শরীরে পড়ার বর্ম, ঘরে বসে বিস্ফোরক বানানোর বিভিন্ন বই এবং নথিপত্র—— এইসব কিছু উদ্ধার করা হয়েছে।প্রাথমিক তদন্তের পর এনআইএ জানিয়েছে, জঙ্গি হামলার জন্য টাকাপয়সা জোগাড় করছিল এই ৯ জঙ্গি। এছাড়া সম্প্রতি দিল্লি যাওয়ার কথা ছিল তাদের। উদ্দেশ্য ছিল অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র এবং অন্যান্য অস্ত্রশস্ত্র জোগাড় করা। এনআইএ সূত্রে খবর যে ৯ জঙকে আজ গ্রেফতার করা হয়েছে তারা হল মুরশিদ হাসান, ইয়াকুব বিশ্বাস, মোশারফ হোসেন, নাজমুস সাকিব, আবু সুফিয়ান, মইনুল মণ্ডল, লিউ ইয়ান আহমেদ, আল মামুন কমল এবং আতিতুর থমান। এদের সকলকেই আজ আদালতে পেশ করে তাদের পুলিশই হেফাজতের আবেদন জানানো হবে।
Tuesday, 15 September 2020
সরকারি পরিকল্পনা ব্যর্থ,, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ফের ভিন রাজ্যে পাড়ি দিচ্ছেন কর্মহীন পরিযায়ী শ্রমিকরা
সরকারী পরিকল্পনা ব্যার্থ, পশ্চিমবঙ্গের কর্মহীন পরিযায়ী শ্রমিকরা কাজের আশায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ফের পারি দিচ্ছেন ভিন রাজ্যে।
গত 23 শে মার্চ থেকে দেশ জুড়ে করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে শুরু হয়েছিল রিলে লক ডাউন। প্রায় টানা দুই মাস চলে সেই লক ডাউন প্রক্রিয়া। কিন্তু তার মধ্যেই দেশের বিভিন্ন রাজ্যে সংক্রমন রুখতে ব্যার্থ হয়েছে স্থানীয় সরকার ও প্রশাসন। ব্যাতিক্রম যায়নি পশ্চিমবঙ্গেও। ভারতবর্ষে চীনের মতো করোনা ভাইরাসের কারণে ভারতবাসীকে মরতে না হয় তার জন্য আগে থেকেই কেন্দ্রীয় সরকার লকডাউনের সিদ্ধান্ত নেন। ২৩ শে মার্চ থেকে দেশে শুরু হলেও প্রথম দিকে কিছু রাজ্য লকডাউনের গুরুত্ব না দেবার কারণে সে সব রাজ্যে সংক্রমিতের সংখ্যা বাড়তে থাকে সাথে বাড়তে শুরু করে মৃতুর সংখ্যা। কেন্দ্রীয় সরকারের কঠোর সিদ্ধান্তের ফলে পরে বিভিন্ন রাজ্য বাধ্য হয়ে বন্ধ করে দেয় কল কারখানা এবং অফিস কাছারী হাট বাজার দোকান পাট। বন্ধ হয়ে যায় ক্ষুদ্র মাঝারি বৃহৎ সব শিল্প প্রতিষ্ঠান। কোম্পানি এবং কারখানা বন্ধ হয়ে যাবার ফলে সেখানে কর্মরত শ্রমিকরা কর্মচ্যুতর সাথে গৃহহারা হয়ে যায়৷ ভিন রাজ্যে কর্মরত শ্রমিকরা সেখানকার রাজ্য সরকারের কাছে আবেদন করেছিলেন লকডাউন মেয়াদ শেষ হওয়া পর্যন্ত তাদের বাসস্থান এবং অন্নসংস্থানের ব্যাবস্থা করে দিতে, লকডাউনের কারণে যাতায়াত ব্যাবস্থা বন্ধ হয়ে যাবার কারণে তারা নিজ রাজ্যে ফিরতে পারছে না। কিন্তু সে রাজ্যের সরকার ভিনরাজ্যের শ্রমিকদের দায়িত্ব নিতে রাজী না হওয়াতে বাধ্য হয়ে পায়ে হেঁটে, পন্যবাহী ট্রাকে অনেক বেশী পয়সা খরচ করে নিজের রাজ্যে ফিরে আসেন লক্ষ লক্ষ এই পরিযায়ী শ্রমিকরা। পশ্চিম বঙ্গের বিভিন্ন জেলাতে সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী প্রায় 17 লক্ষ এর বেশি পরিযায়ী শ্রমিক বিভিন্ন জেলাতে ফিরেছেন। পশ্চিম বাংলার মূখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিভিন্ন জেলার জেলাশাসকদের নির্দেশ দেন পরিযায়ী শ্রমিকদের দক্ষতা অনুযায়ী বিভিন্ন কারখানায় নিয়োগের ব্যাবস্থা করে দিতে। মূখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ পাবার পর বিভিন্ন কারখানার মালিক, ক্ষুদ্র শিল্পের মালিকদের নিয়ে এবং নথিভুক্ত পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে কর্মশালা করেন বিভিন্ন জেলার জেলাশাসকগন। জুলাই মাসে ও আগষ্ট মাসে কর্মশালাতে অংশগ্রহণকারী কয়েক লক্ষ শ্রমিকদের মধ্যে গুটি কতক শ্রমিকদের নিয়োগ করা হয় এবং বাকীদের নাম নথিভুক্ত করতে বলা হয়।
আনলক-১ শুরু হলে কিছু কারখানা খুললেও বিভিন্ন অজুহাতে নিয়োগপত্র পাওয়া দক্ষ শ্রমিকদের কাজে নেওয়া হয় নি বলে অভিযোগ। আর্থিক সচ্ছলতার কারণে শ্রমিকরা ভিন রাজ্যে কাজ করতে গেছিল করোনা ভাইরাসের কারণে আজ তারা কর্মহারা, তাদের আশা ছিল এ রাজ্যের মূখ্যমন্ত্রী কাজের ব্যাবস্থা করে দেবেন। কিন্তু তাদের ভুল ভাঙ্গল যখন দেখলো অন্যান্য রাজ্যের মতো পশ্চিম বাংলাতেও তাদের দায়িত্ব নিতে রাজী নয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। শ্রমিকরা সংসার চালাবার জন্য সবজি, মাছ, স্যানিটাইজার, মাস্ক সহ রকমারি জিনিস নিয়ে পায়ে হেঁটে গলিতে বিক্রি শুরু করে এবং অন্যদিকে তাদের পুরনো কারখানা ও কোম্পানির সাথে যোগাযোগ রাখতে শুরু করে। আনলক - ২ শুরু হতেই কিছু রাজ্যে কারখানা খুলতে শুরু করে আশার বুক বেঁধে মালিকদের সাথে কথা বলে আবার ভিন রাজ্যে যাবার সিদ্ধান্ত নিয়ে নেয় এ রাজ্যের লক্ষ লক্ষ পরিযায়ী শ্রমিকরা। ভিন রাজ্যের কিছু কারখানার মালিক দক্ষ শ্রমিকদের ফিরে যেতে বলাতে শেষ সম্বল খরচ করে রাতারাতিই বিমানে করে ফিরে যেতে দেখা গেল দমদম,বাগডোগরা, অন্ডালের বিমানবন্দর গুলিতে। পরিযায়ী শ্রমিকরা জানায় তারা গুজরাটের কারখানায় কাজ করে । মালিক তাদের ফিরে যেতে বলাতে তারা ফিরে যাচ্ছে। পশ্চিম বাংলার সরকার তাদের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন এই রাজ্যের শ্রমিকদের ভিন রাজ্যে গিয়ে কাজ করতে হবে না। তাদের এই রাজ্যে বিভিন্ন কারখানায় নিয়োগ করা হবে কিন্তু প্রায় তিন মাস আগে নাম নথিভুক্ত করলেও কোন খবর না আসাতে তারা আবার পুনরায় ফেরৎ যাচ্ছেন ।
Monday, 14 September 2020
অবশেষে বাংলায় এল রানী
12 টন বাংলাদেশর পদ্মার ইলিশ এল ভারতে
ভোজন পিপাষু বাঙালিদের জন্য সুখবর l এদেশে এলো পদ্মার ইলিশ lবাংলাদেশ সরকার 2012 সাল ইলিশ এক্সপোর্ট বন্ধ করে দেয় l 2019 সালের বাঙালির সেরা উৎসব দুর্গাপূজা উপলক্ষে 500 টন ইলিশ পাঠিয়েছিলো বাংলাদেশ সরকার l এবারও বাংলাদেশ সরকার ১৫০০ টন ইলিশ মাছ ভারতে রপ্তানি করবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেই মতই সোমবার সন্ধ্যায় পেট্রাপোল দিয়ে ভারতে প্রবেশ করল ইলিশ বোঝাই দুটি ট্রাক l আপাতত দুটি ট্রাকে ১২ টন ইলিশ পৌছাল ভারতে l আগামী এক মাস ধরে ইলিশ মাছ ইমপোর্ট হবে এ দেশে।
Saturday, 12 September 2020
আশঙ্কাজনক অমিত শাহ, ভর্তি দিল্লির এইমসে
আশঙ্কাজনক অবস্থা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর। শনিবার গভীর রাতে ফের প্রবল শ্বাসকষ্ট অনুভব করায় তাকে ভর্তি করা হল দিল্লির অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সে । কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এইমসের কার্ডিও নিউরো টাওয়ারে রাখা হয়েছে তাঁকে। হাসপাতালের সূত্রে জানা গেছে প্রবল শ্বাস কষ্টের সমস্যা হয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর।
গত ২ আগস্ট অমিত শাহর শরীরে করোনা পজিটিভ পাওয়া যায়। তার পর তাঁকে গুরুগ্রামের মেদান্তা মেডিসিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। এর পরে ১৪ অগস্ট তাঁর রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। কিন্তু বাড়ি ফেরার ক’দিন বাদেই তাঁকে ফের হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়। ১৭ আগস্ট রাতে প্রাক্তন বিজেপি সভাপতিকে ফের ভর্তি করা হয় নয়াদিল্লির এইমস হাসপাতালে। সূত্রের খবর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নতুন করে শ্বাসকষ্টের সমস্যা হচ্ছে। সেই কারণেই প্রথমে দিল্লির একটি বেসরকারি হাসপাতালে সিটি স্ক্যান করা হয় শাহের। সেই রিপোর্টে বুকে সংক্রমণ ধরা পড়ায় তড়িঘড়ি এইমসে ভর্তি করা হয়। কোভিড পরবর্তী চিকিৎসা শুরু করা ছিল তাঁর। সেখানে বেশ কয়েক দিন চিকিৎসার পরে সুস্থ হয়ে গত ৩১ অগস্ট বাড়ি ফেরেন তিনি। তারপর গত কাল রাতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ কে ফের এইমসে ভর্তি করতে হয়েছে। এদিকে কেন্দ্রীয় স্বরা্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের অসুস্থতার খবর পেয়ে চরম উদ্বিগ্ন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রাত ভোর তিনি খোঁজ খবর নেন অমিত শাহের চিকিৎসা সংক্রান্ত বিষয়ে। আগামী কাল 14 সেপ্টেম্বর থেকে সংসদের বর্ষা কালীন অধিবেশন শুরু হবে । তার আগে অমিত শাহের অসুস্থতা হওয়ায় সংসদ অধিবেশন কি ভাবে একা সামলাবেন তা নিয়ে যথেষ্ট চিন্তিত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বিরোধিতা পছন্দ না, সংবাদমাধ্যম ও সাংবাদিকদের দেখে নেয়ার হুমকি ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর
Saturday, 5 September 2020
দিল্লির পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণাধীন, আতঙ্কিত হবেন না, দাবি কেজরির
দিল্লির পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণাধীন, আতঙ্কিত হবেন না, দাবি কেজরির
দিল্লিতে কমেছে মৃত্যহার। দাবি মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল।দিল্লির করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণেই আছে। দ্বিগুণ হয়েছে দৈনিক করোনা পরীক্ষার সংখ্যা। জানালেন দিল্লির স্বাস্থ্যমন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈন।
গ্লাভস ছাড়াই ফাইলে হাত, বিতর্কে গোয়ার করোনা আক্রান্ত মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ান্ত
করোনা আক্রান্তদের ক্ষেত্রে বিশেষ নিয়ম মানার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। মৃদু উপসর্গযুক্তদের বাড়িতে থাকতে বলা হয়েছে। তবে সেক্ষেত্রে সতর্কতামূলকভাবে আক্রান্তকে বেশ কিছু নিয়ম মানাও প্রয়োজন। কিন্তু সেই নিয়মই নাকি মানছেন না খোদ মুখ্যমন্ত্রী। গোয়ার প্রশাসনিক প্রধানের বিরুদ্ধে এমনই অভিযোগে সরব কংগ্রেস। প্রমোদ সাওয়ান্ত গ্লাভস (Gloves) ছাড়াই কেন ফাইলে হাত দিচ্ছেন, সেই প্রশ্ন তুলেছে তারা।
গত ২ সেপ্টেম্বর করোনা আক্রান্ত হন গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ান্ত (Pramod Sawant)। তিনি নিজেই টুইটে দুঃসংবাদটি জানান। তিনি টুইটে লেখেন, “আমি করোনা সংক্রমিত। তবে আমার কোনও উপসর্গই নেই। তাই আপাতত হোম আইসোলেশনেই থাকতে হবে। বাড়িতে বসেই আমি সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ করব। যাঁরা আমার সংস্পর্শে এসেছিলেন তাঁদের বলব প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিন।”
যেমন কথা, তেমন কাজ। করোনা সংক্রমণের পরেও কাজ থেকে বিরতি নেননি গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী। হোম আইসোলেশনে থাকাকালীন তিনি কাজ করে চলেছেন। শুক্রবার গোয়ার মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তর থেকে সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করা হয়। গোয়ার প্রদেশ কংগ্রেসের (Congress) সভাপতি গিরিশ চোড়ানকর মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ান্তের ওই ছবিটিই টুইট করেন। ওই ছবিটিতে দেখা গিয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ ফাইলের কাজ সারছেন তিনি। তাঁর মুখে মাস্ক রয়েছে। তবে তাঁর হাতে নেই গ্লাভস। কংগ্রেস নেতার দাবি, ওই ফাইলে পরবর্তীকালে কেউ হাত দিলেই ছড়াতে পারে করোনা ভাইরাস। কেন একজন মুখ্যমন্ত্রী যথোপযুক্ত সতর্কতা ছাড়াই এমন কাজ করছেন, সেই প্রশ্নই তুলেছেন তিনি।
ছবি ভাইরাল হওয়ার পরেই অস্বস্তিতে পড়েছেন গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী। তাই তড়িঘড়ি রাজ্য সরকারের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে সমস্ত ফাইলে মুখ্যমন্ত্রী হাত দিয়েছেন, সেগুলি জীবাণুমুক্ত করার পরই অন্য কেউ হাত দেবে।
আগ্রহ হারাচ্ছে জাপানি সংস্থাগুলি, বাড়ছে খরচ! ৫ বছর পিছিয়ে যেতে পারে বুলেট ট্রেন প্রকল্প
মুম্বই থেকে আহমেদাবাদের মধ্যেকার ৫০৮ কিলোমিটার লম্বা এই বুলেট ট্রেন (Bullet train) প্রকল্পের কাজ হওয়ার কথা জাপান থেকে ৮০ শতাংশ ঋণ নিয়ে। জাপান সরকারের প্রতিশ্রুতিমতো মাত্র ০.১ শতাংশ সুদ এবং ১৫ বছরের মোরাটরিয়ামে এই ঋণ পাওয়ার কথা ভারতের। জাপানের সাহায্যে হওয়া এই প্রকল্পটি সম্পন্ন হওয়ার কথা সম্পূর্ণ জাপানি প্রযুক্তিতে এবং জাপানি সংস্থাগুলির মাধ্যমে। কিন্তু এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, এই প্রকল্পে মাটির তলা দিয়ে যে ২১ কিলোমিটার লম্বা লাইন হওয়ার কথা, সেই ২১ কিলোমিটার লাইন তৈরিতে জাপানি সংস্থাগুলি আগ্রহ দেখাচ্ছে না। তাছাড়া করোনার জন্য গোটা বিশ্বের অর্থনীতিই ধাক্কা খেয়েছে। যে কারণে বাড়ছে জিনিসপত্রের দাম। এই প্রকল্প সঠিক সময়ে শেষ করাতে সেটিও অন্তরায় হয় দাঁড়িয়েছে।
আরও একটি বড় সমস্যা হল জমি-জট। রেল (Indian Railway) সূত্রের খবর, ২০ হাজার কোটির এই প্রকল্পের মোট ৬৩ শতাংশ জমি এখনও পর্যন্ত অধিগ্রহণ সম্ভব হয়েছে। গুজরাটে ৭৭ শতাংশ এবং দাদরা নগর হাভেলিতে ৮০ শতাংশ জমি অধিগ্রহণ করা গেলেও মহারাষ্ট্রে মাত্র ২২ শতাংশ জমি অধিগ্রহণ সম্ভব হয়েছে। গুজরাটের নবসারি, মহারাষ্ট্রের পালঘরের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় জমি পাওয়া যায়নি। মুশকিল হল, মহারাষ্ট্রে আবার এখন বিরোধীদের সরকার। সুতরাং প্রত্যাশিত সহযোগিতা রাজ্য সরকার করছে না। করোনাও বড় বাধা। রেলের আধিকারিকরা বলছেন, করোনার জন্য অনেক কাজের টেন্ডারই ডাকা যায়নি। আবার টেন্ডার ডাকলেও, সেটা কার্যকর হয়নি।
আর এসবের জন্যই এই প্রকল্প পিছিয়ে যেতে পারে। তাও ১-২ মাস নয়। পুরো পাঁচ বছর। সরকারের টার্গেট ছিল ২০২২ সাল নাগাদ অন্তত কিছুটা হলেও এই প্রকল্প চালু করে ফেলা। এবং ২০২৩ সালের মধ্যে তা সম্পূর্ণ করে ফেলা। কিন্তু এখন যা পরিস্থিতি তাতে পুরো প্রকল্প শেষ হতে ৫ বছর লেগে যেতে পারে।
ভারতে একদিনে শনাক্ত ৮৬ হাজার করোনা রোগী, মৃত্যু ১০৮৯
ভারতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ১ হাজার ৮৯ জন মারা গেছেন। দেশটিতে এখন পর্যন্ত এ রোগে মারা গেছেন ৬৯ হাজার ৫৬১ জন। খবর এনডিটিভি’র।
ভারতে গত ২৪ ঘণ্টায় ৮৬ হাজার ৪৩২ জন কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে বিশ্বে একদিনে সর্বাধিক সংখ্যক কোভিড রোগী শনাক্তের রেকর্ড করে ভারত। এতে দেশটিতে এখন পর্যন্ত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ৪০ লাখ ২৩ হাজার ১৭৯। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৩১ লাখ ৭ হাজার ২২৩ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৭০ হাজার ৭২ জন।
করোনাভাইরাসে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত রাজ্য মহারাষ্ট্র। এরপরই রয়েছে যথাক্রমে অন্ধ্রপ্রদেশ, তামিলনাড়ু, কর্ণাটক, উত্তরপ্রদেশ, দিল্লি, পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, তেলেঙ্গানা, আসাম, উড়িষ্যা ও গুজরাট।করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মহারাষ্ট্রে মারা গেছেন মোট ২৫ হাজার ৯৬৪ জন। এরপর সর্বাধিক মৃত্যু হয়েছে যথাক্রমে তামিলনাড়ুতে ৭ হাজার ৬৮৭ জন, কর্ণাটকে ৬ হাজার ১৭০ জন এবং দিল্লিতে ৪ হাজার ৫১৩ জন।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যানুযায়ী, ৪ আগস্ট থেকে বিশ্বে দৈনিক সবচেয়ে বেশি কোভিড রোগী শনাক্ত হচ্ছে ভারতে। মোট রোগীর সংখ্যার দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রাজিলের পরই ভারতের অবস্থান।
প্রেসক্রিপশন ছাড়াই চাহিদা অনুযায়ী করানো যাবে কোভিড পরীক্ষা, ছাড়পত্র কেন্দ্রের
অদৃশ্য শত্রুর সঙ্গে প্রায় কয়েকমাস ধরে লড়াই চালাচ্ছে গোটা বিশ্ব। কিন্তু এখনও মেলেনি জয়। কারণ, প্রতিদিনই একটু একটু করে বাড়ছে করোনা (Coronavirus) সংক্রমিতের সংখ্যা। মৃত্যুর হার তুলনামূলক অনেকটাই কম। তবে ভাইরাসের দাপটে যে কেউ প্রাণ হারাচ্ছেন না তা কার্যত বলা অসম্ভব। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যগুলির জন্য নয়া অ্যাডভাইজারি জারি করল ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ বা আইসিএমআর (ICMR)। তবে প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট রাজ্য ওই নির্দেশিকায় কিছু বদল আনতে পারে।
আইসিএমআরের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, চাহিদা অনুযায়ী করাতে হবে নমুনা পরীক্ষা। সেক্ষেত্রে কোনও ব্যক্তির কাছে প্রেসক্রিপশন (Prescription) না থাকলেও চলবে।
এছাড়া যাঁরা কনটেনমেন্টে জোনের (Containment Zone) বাসিন্দা তাঁদের ক্ষেত্রে ব়্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট বাধ্যতামূলক। বিশেষত যে সমস্ত এলাকায় সংক্রমিতের সংখ্যা অনেকটাই বেশি সেখানকার বাসিন্দাদের এই নিয়ম অবশ্যই মানতে হবে। শহরাঞ্চলের বাসিন্দাদের কথা মাথায় রেখেই মূলত এই সিদ্ধান্ত বলেই নির্দেশিকার উল্লেখ করেছে ICMR। ওই নির্দেশিকায় আরও বলা হয়েছে, যদি ব়্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্টে করোনা সংক্রমণের প্রমাণ না পাওয়া সত্ত্বেও উপসর্গ দেখা দিলে তাঁর আরটি-পিসিআর টেস্ট করাতে হবে। এছাড়াও ICMR-এর নির্দেশিকা মতে, যাঁরা ভিনরাজ্যে কিংবা ভিনদেশে যাতায়াত করছেন, তাঁদেরও কোভিড পরীক্ষা করানো বাধ্যতামূলক।
তবে করোনা পরীক্ষার অভাবে যাতে জরুরি কোনও প্রক্রিয়া থমকে না থাকে সেদিকেও রাজ্যগুলিকে নজর রাখার নির্দেশ দিয়েছে ICMR। যেমন কোনও প্রসূতির চিকিৎসার বন্দোবস্ত যাতে কোভিড পরীক্ষার জন্য আটকে না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখার কথা বলা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আরটি-পিসিআর টেস্টেই মূলত নিশ্চিতভাবে জানা যায় সত্যিই কেউ করোনা আক্রান্ত হয়েছেন কিনা। তবে যেহেতু করোনা মোকাবিলার ব্রহ্মাস্ত্র হিসাবে বেশি পরিমাণ পরীক্ষার করানোর কথা বলা হয়েছে, তাই ব়্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্টের উপরে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে।
























