Showing posts with label দেশ. Show all posts
Showing posts with label দেশ. Show all posts

Tuesday, 26 January 2021

পদ্মশ্রী সম্মানে সম্মানিত হলেন বিখ্যাত কার্টুনিস্ট নারায়ণ দেবনাথ

পদ্মশ্রী সম্মানে সম্মানিত হলেন বিখ্যাত কার্টুনিস্ট নারায়ণ দেবনাথ

 

বিখ্যাত কার্টুনিস্ট নারায়ণ দেবনাথকে এবারে পদ্মশ্রী সম্মানে সম্মানিত করলো ভারত সরকার। সোমবার দুপুরে দিল্লি থেকে তাঁর বাড়িতে ফোন আসে। তখনই  পরিবার এই সুসংবাদ পায়। 98 বছর বয়সী নারায়ন দেবনাথ এই মুহূর্তে বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন অসুখে ভুগছেন। এখন তিনি বিশেষ আঁকেন না। তিনি এই পুরস্কার পাওয়ায় খুশি তার পরিবার। দেরিতে এই সম্মান পাওয়ায় শিল্পীর কোনো দুঃখ নেই। তিনি জানিয়েছেন যখন যেটা পাবার তখন পাবেন। গত সাত দশক ধরে বাঙালি পাঠক জগতে পরিচিত নাম নারায়ন দেবনাথ। তাঁর সৃষ্টি কমিকস বাটুল দি গ্রেট, হাঁদা ভোঁদা নন্টে-ফন্টে আজও আট থেকে আশি বাঙালি পাঠকদের সমান আনন্দ দেয়। এর আগে পশ্চিমবঙ্গ সরকার তাঁকে বঙ্গবিভূষণ পুরস্কারে সম্মানিত করেন।

Thursday, 22 October 2020

মহাষষ্ঠীতে দুর্গাপুজোর উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী

মহাষষ্ঠীতে দুর্গাপুজোর উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী

 

করোনাভাইরাস অতিমারি পরিস্থিতিতেই শুরু হচ্ছে দুর্গাপুজো। মহাষষ্ঠীতে ভিডিয়ো কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে দুর্গাপুজোর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সবাইকে চমকে দিয়ে বাংলায় শুরু করলেন অভিনন্দন জানানো। কখনও রবীন্দ্রনাথের ভাষায় বাংলার বন্দনা। তো কখনও দুর্গাস্তব পাঠ করে তার অর্থ বিশ্লেষণ। মোদীর ভাষণে শুরু থেকে শেষ অবধি ছিল বাঙালিকে কাছে টানার আপ্রাণ চেষ্টা। সঙ্গে বিভিন্ন ক্ষেত্রের বাঙালি কৃতীদের নাম নিয়ে তুলে ধরতে চাইলেন বাংলার সাংস্কৃতিক গরিমা।

ডোনা গঙ্গোপাধ্যায়ের নাচ এবং বাবুল সুপ্রিয়র গান দিয়ে শুরু হয় অনুষ্ঠান। তার পর বক্তৃতা শুরু করেন মোদী।ষষ্ঠী উপলক্ষ্যে পূর্ব পরিকল্পনা মতোই রাজ্যবাসীকে পুজোর ভার্চুয়াল শুভেচ্ছা জানলেন নরেন্দ্র মোদি। ইজেডসিসির পুজো উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলার জন্য বেছে নিলেন বাংলা ভাষাকেই। বারবার বাংলা লব্জে, বাঙালির গৌরবময় ইতিহাস স্মরণে সাজল তাঁর কথার ডালি। সংযম দেখিয়ে পুজো আয়োজনের জন্য পুজো উদ্যোক্তাদের ধন্যবাদও জানালেন নরেন্দ্র মোদি। তাঁর কথায়, পুজোয় গোটা দেশ যেন বাংলাময় হয়ে গিয়েছে।

এদিন অনুষ্ঠানে মোদি পরেছিলেন তসরের পাঞ্জাবি। সেই পাঞ্জাবি গিয়েছে বাংলা থেকেই, নিয়ে গিয়েছিলেন বাবুল সুপ্রিয়। অনুষ্ঠান শুরু হয় বাবুলের উদ্বোধনী সঙ্গীতেই। বার্তার শুরুতেই মোদি বলেন, মহিষাসুর বধ করতে মা এসেছিলন। দৈব শক্তি সংগঠিত হয়েছিল। এমন ভাবেই নারীশক্তি সমস্ত বিপদে একজোট হয়। আমাদের দায়িত্ব তাদের পাশে দাঁড়ানো। বাংলার অগ্নিযুগের বিপ্লবীদের, বিজ্ঞানীদের, সাংস্কৃতিক মণীষাদের প্রণাম জানান নরেন্দ্র মোদি।সকলকে কোভিড বিধি মানতে অনুরোধ করেন নরেন্দ্র মোদি। বলেন সবাই সংযম দেখিয়েছে। তাঁর কথায়, আয়োজন সীমিত হলেও আনন্দ সীমিত সীমিত নয়।

পুজোর মুখেই বারবার ধর্ষণ আর নারীনির্যাতনের খবর এসেছে সংবাদ শিরোনামে। সেই আবহেই প্রধানমন্ত্রী বলেন, নারীনিরাপত্তা নিয়ে কাজ করছে সরকার। নারীর ক্ষমতায়নই বিজেপির উদ্দেশ্য। এই উদ্দেশ্যেই তিন তালাক বাতিল করার পথে এগিয়েছে প্রশাসন। বেড়েছে মাতৃত্বকালীন ছুটিও।মোদির পুজো উদ্বোধনকে কেন্দ্র করেই আজ সকাল থেকেই সরগরম ইজেডসিসিস চত্বর। হলে সমাগম হয়েছে ছোট-বড় বহু নেতার। দলীয় নির্দেশে সকলেরই পরণে ধুতি পাঞ্জাবি। মেয়েরা পরেছেন লাল পাড় সাদা শাড়ি।পরিষশেষে বিশুদ্ধ বাংলায় মোদির প্রার্থনা, "প্রতিবছর যেন মায়ের পুজো করে যেতে পারি।"

Thursday, 8 October 2020

লোক জনশক্তি পার্টির প্রতিষ্ঠাতা রামবিলাস পাসোয়ান প্রয়াত

লোক জনশক্তি পার্টির প্রতিষ্ঠাতা রামবিলাস পাসোয়ান প্রয়াত


 প্রয়াত হলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা লোক জনশক্তি পার্টির প্রতিষ্ঠাতা রামবিলাস পাসোয়ান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল 74 বছর। 1946 সালের 5 ই জুলাই বিহারের খাগারিয়া তে দরিদ্র কৃষক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। আজ সন্ধ্যায় রামবিলাস পাসোয়ান নতুন দিল্লির এস্কর্ট হসপিটালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

Monday, 5 October 2020

প্রয়াত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মোলায়েম সিং যাদব

প্রয়াত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মোলায়েম সিং যাদব

প্রয়াত হলেন উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা প্রাক্তন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী মুলায়ম সিং যাদব। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল 81 বছর।  1939 সালের 22 শে নভেম্বর ব্রিটিশ ভারতের বর্তমান উত্তরপ্রদেশের এতোয়া জেলার সাইফাই তে এক কৃষক পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন তিনি। তার মৃত্যুতে গভীর শোক রাজনৈতিক মহলে। তিনি দেবে গোড়া ও আই কে গুজরাল প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ছিলেন।

Friday, 2 October 2020

গান্ধী জয়ন্তীতেই মহাত্মা গান্ধীর অপমান, অনলাইন চিলি চিকেন বিপণনে নিরামিষাশী গান্ধীজি ও জাতীয় পতাকার ব্যবহার সোশ্যাল মিডিয়ার বিজ্ঞাপনে

গান্ধী জয়ন্তীতেই মহাত্মা গান্ধীর অপমান, অনলাইন চিলি চিকেন বিপণনে নিরামিষাশী গান্ধীজি ও জাতীয় পতাকার ব্যবহার সোশ্যাল মিডিয়ার বিজ্ঞাপনে

আজীবন নিরামিষাশী ও ভারতের স্বাধীনতার ইতিহাসে অহীংস আন্দোলনের প্রতিকৃত মহাত্মা গান্ধীর ১৫০ তম জন্ম জয়ন্তিতেই জাতীর জনক মহাত্মা গান্ধীজির ও দেশের ত্রিবর্ণ জাতীয় পতাকার সঙ্গে এক কোলাজ ফ্রেমে চিলি চিকেনের রসালো রেসিপির বিপণনের বিজ্ঞাপন করে জাতীর জনক মহাত্মা গান্ধীকে চরম অপমান ও অবমাননার নজির গড়লো ক্লাব ভোরদে নামে একটি সংস্থা।  বিশেষ করে রিয়েলেস্টেট, হসপিটালিটি, এডুকেশন, হেল্থ কেয়ার সহ একাধিক  ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত বহুজাতিক এই কোম্পানি অম্বুজা নেওটিয়া গোষ্ঠীর স্পন্সরশীপে ক্লাব ভরদে নামের একটি অনলাইন রেস্টুরেন্ট সার্ভিস সংস্থার এই বিজ্ঞাপন সোস্যাল মিডিয়া তে দেখে রীতিমত ক্ষোভে ফেটে পড়েন বাংলার ভোজন রসিক বাঙালি বুদ্ধিজীবীরাও। শিক্ষিত মহলের মানুষ তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দার ঝড় তুলেছেন আম্বুজা নেওটিয়া গোষ্ঠীর ক্লাব ভর্দের বিরুদ্ধে। তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব ও বিদ্যোজনেরা। সাহিত্যিক ও কবি গৌড় মিত্র জানান প্রথমে বিশ্বাস করতে পারছিলাম না পড়ে ছবি দেখে আঁতকে উঠলাম । ৭০ এর ঘরে বয়স আমার। জীবনে প্রথম এই ঘটনা দেখলাম মাছ মাংসের খাবারের  আইটেমের বিজ্ঞাপনে গান্ধীজি ও জাতীয় পতাকার ব্যবহার। মহাত্মা গান্ধী গুজরাটের মানুষ এবং আজীবন নিরামিষাশী ছিলেন। তাকে চিলি চিকেন কিম্বা রেশমি কাবাবে টানা মানে জাতীর জনকের অপমান করা। এর তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে ঐ সংস্থাকে। প্রবীণ শিক্ষাবিদ তথা বারাসাত পৌরসভার প্রশাসক সুনীল মুখোপাধ্যায় বলেন বহুজাতিক কোম্পানি গুলি মুনাফা লাভের উদ্দেশ্যে দেশের সংস্কৃতিকে ধ্বংস করতে চাইছে। মানুষকেই সচেতন হতে হবে এবং এদের বয়কট করে সমস্বরে এর প্রতিবাদ করতে হবে। টলিউডের খ্যাতনামা অভিনেতা রাজ ভট্টাচার্য বলেন বিজ্ঞাপনটি শালীনতা ছাড়িয়েছে। এটা সোস্যাল মিডিয়া বা অন্য কোথাও প্রকাশ করার আগে সেন্সার করা উচিৎ ছিল। দেশের মানুষ এটা ভালো নজরে নেবে না। প্রাক্তন ফুটবলার পার্থ ঘোষ দস্তিদার জানান সত্যাগ্রহ আন্দোলনে জাতীয় কংগ্রেসের নেতৃত্ব দিয়ে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় মোহন দাস করম চাঁদ গান্ধীর অবদান ভারতের প্রতিটি মানুষ স্মরণ করে শ্রদ্ধার সঙ্গে। কিন্তু সেই শ্রদ্ধার মানুষের অপমান হলে শাস্তি ও জরিমানা দুই হওয়া উচিৎ। আমি কেন যেই মানুষ এটা দেখবে বা শুনবে সবাই প্রতিবাদ করবে। তবে বিজ্ঞাপন সোস্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে দেবার আগে সরকারের অনুমতি নেওয়ার নিয়ম করা উচিৎ। জনপ্রিয় চিকিৎসক ডা: প্রিয়নজিত কুমার কয়াল বলেন খাবার হোক বা অন্য কোনো কিছু ব্যবসায়িক বিজ্ঞাপন বা বিপণনের ক্ষেত্রে মনীষীদের ছবি ব্যবহার না করাটাই ভালো। কেউ যদি এটা করে থাকে তাহলে সেটা অন্যায়। দেশের স্বাধীনতার জন্য যারা আত্মবলিদান দিয়েছেন তাঁদের অসম্মান করলে সে কোম্পানী হোক আর ব্যক্তি তাকে সাধারণ মানুষ ছেড়ে কথা বলবে না। ইতিমধ্যেই এই বিজ্ঞাপনকে ঘিরে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে অনেক। বিশিষ্ট আইনজীবী তুহিনা সিনহা রায় চৌধুরী জানান ঐ কোম্পানীর বিরুদ্ধে সরকারী স্তরে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিৎ । এগুলো চলতে থাকলে নতুন প্রজন্মের ছেলে মেয়েরা কি শিক্ষা পাবে ? আধুনিকতা মানে দেশের শিক্ষা সংস্কৃতিকে ধ্বংস করা নয় বরং ঐতিহ্যকে রক্ষা করে রাখা।  গান্ধী জয়ন্তীতে অনলাইন খাবারের ব্যবসায় গান্ধীজির ছবি ব্যবহার করে চিলি চিকেন বিক্রী করা অন্যায়। ব্যবসায়িক স্বার্থে গান্ধীজিকে অপমান করা হয়েছে। এর তীব্র প্রতিবাদ করছি। এমন প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে সর্বত্র। কিন্তু কোন সাহসে গান্ধীজি কে অপমান করার সাহস দেখালেন ক্লাব ভর্দে ? বহুবার বিজ্ঞাপনে দেওয়া ফোন নাম্বারে কল করেও তার উত্তর পাওয়া যায়নি।                              ক্রমশ.........

 

Wednesday, 30 September 2020

প্রায় তিন দশক ধরে চলে আসা বাবরি মসজিদ ধ্বংস মামলার অবশেষে রায় দান লখনৌ এর বিশেষ সিবিআই আদালতে

প্রায় তিন দশক ধরে চলে আসা বাবরি মসজিদ ধ্বংস মামলার অবশেষে রায় দান লখনৌ এর বিশেষ সিবিআই আদালতে

 

১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর উত্তরপ্রদেশের অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ ভেঙে দেওয়া হয়েছিল।প্রায় তিন দশক ধরে চলে আসা এই মামলায় আজ লখনউয়ের বিশেষ সিবিআই আদালত আজ রায় দান করে। এদিন  ভিডিয়ো কনফারেন্সের মাধ্যমে আদালতে হাজিরা দেন অভিযুক্ত লালকৃষ্ণ আডবাণী, উমা ভারতীদ। যদিও এদিন ভিডিয়ো কনফারেন্সে যোগ দেননি মুরলিমনোহর জোশী। রায়দান করার সময় বাবরি মসজিদ ধ্বংসের ঘটনা পূর্ব পরিকল্পিত নয় বলে এ দিন মন্তব্য করেন বিচারক সুরেন্দ্রকুমার যাদব। তিনি জানান, মসজিদ ভাঙায় অভিযুক্তদের কারও কোনও হাত ছিল না। উমন্মত্ত জনতাই এই ঘটনা ঘটিয়েছেন। বাবরি ধ্বংস মামলায় অভিযুক্ত ৩২ জনকেই এদিন প্রমাণের অভাবে বেকসুর খালাস করল আদালত। এদিন বিচারক বলেন অভিযুক্তরা বরং মসজিদ ভাঙায় বাধা দেওয়ারই চেষ্টা করেছিলেন।বাবরি মসজিদ ধ্বংস মামলায় রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ (আরএসএস) এবং বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (ভিএইচপি)-কেও এ দিন ক্লিনচিট ধরিয়ে দেয় সিবিআই আদালত।  ২ হাজার ৩০০ পাতার রায় পড়ে শোনানোর সময় বিচারক সুরেন্দ্রকুমার বলেন, ‘‘প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে এই ঘটনার সঙ্গে আরএসএস এবং ভিএইচপি-র কোনও ভূমিকা ছিল না। মসজিদের পিছন থেকে অজ্ঞাত পরিচয়  লোকজনই পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট ছোড়েন।
বাবরি ধ্বংস মামলায় আদালতে একাধিক ভিডিয়ো ও ছবি জমা দিয়েছিল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা (সিবিআই)। কিন্তু সেগুলির সত্যাসত্য নিয়ে প্রশ্ন তোলেন অভিযুক্তদের আইনজীবী মণীশ ত্রিপাঠী। অভিযুক্তদের ফাঁসানোর জন্য সেগুলি বিকৃত করা হয়েছে বলে আদালতে দাবি করেন তিনি। তাঁর সেই দাবিই মেনে নেন বিচারক সুরেন্দ্রকুমার। অরিজিনাল নেগেটিভ জমা না করায় ছবিগুলির সত্যতা নিয়ে ধন্দ প্রকাশ করেন তিনি। শুধু তাই নয়, সিবিআই সাক্ষ্য প্রমাণ আইনের নিয়ম-কানুন মেনে চলেনি বলেও তিনি জানিয়ে দেন। এদিন সিবিআই আদালতের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে উচ্চ আদালতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিল মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ড।





Saturday, 26 September 2020

প্রয়াত হলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিজেপি নেতা যশোবন্ত সিং যশোল

প্রয়াত হলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিজেপি নেতা যশোবন্ত সিং যশোল

 

প্রয়াত হলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিজেপি নেতা যশোবন্ত সিং যশোল । রবিবার ভোর রাতে দিল্লির সেনা হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল 82 বছর। ব্রিটিশ ভারতে 1938 সালের 3 জানুয়ারি রাজস্থানের বারমের রাজপুতনার যশোল রাজবংশে তিনি জন্ম গ্রহণ করেন। লেখাপড়া শেষ করে তিনি ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগদান করতে ইন্ডিয়ান আর্মি একাডেমির মেও  কলেজে ভর্তি হন। পরে তিনি ভারতীয় সেনার অশ্ব বাহিনীর মেজর পদে আসীন হন। 1957 সাল থেকে 1966 সাল পর্যন্ত তিনি ভারতীয় সেনাবাহিনীতে কর্ম নিযুক্ত ছিলেন। 1965 সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে তিনি ভারতীয় সেনার নেতৃত্ব দেন। সেনাবাহিনী থেকে অবসর গ্রহণ করার পর তিনি যোগ দেন ভারতীয় জনতা পার্টিতে। 1980 সাল থেকে 2014 সাল পর্যন্ত একটানা 34 বছর তিনি সাংসদ ছিলেন। ভারতীয় জনতা পার্টি তরফ থেকে তিনি 1980, 1986,1998,1999 ও 2004 সালে পাঁচবার রাজ্যসভার সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন। এছাড়া তিনি চারবার লোকসভার সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন যথাক্রমে 1990, 1991,1996 ও 2009 সালে। অটল বিহারি বাজপেয়ির মন্ত্রিসভায় তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি সাংসদ থাকাকালীন দেশের অর্থমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। মৃত্যুকালে তিনি রেখে গেলেন তার স্ত্রী কৃষ্ণা সিং যশোল ও একমাত্র পুত্র মানবেন্দ্র সিং যশোলকে। নক্ষত্র পতন ঘটল বিজেপির। সমাপ্তি ঘটলো এক দীর্ঘ 60 বছরের রাজনৈতিক জীবনের। যশোবন্ত সিংহের মৃত্যুতে গভীর শোক জ্ঞাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা এবং সর্বোপরি তাঁর সহকর্মী অটল বিহারী বাজপেয়ির মন্ত্রিসভা সর্বজ্যেষ্ঠ সহকর্মী লালকৃষ্ণ আদবানী। শোক জ্ঞাপন করেছেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংহ সহ বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
বঙ্গ বিজেপিতে বড় রদবদল, শনিবারের বারবেলায় রাহুল বধ করে মসনদ দখল মুকুল অনুপমের

বঙ্গ বিজেপিতে বড় রদবদল, শনিবারের বারবেলায় রাহুল বধ করে মসনদ দখল মুকুল অনুপমের


বঙ্গ বিজেপিতে বড় রদবদল হলো শনিবারের বারবেলায় । আর সেই রদ-বদল এ রাহুল সিনহা কে বধ করে মসনদ দখল করলেন মুকুল রায় ও তার ঘনিষ্ঠ অনুগামী অনুপম হাজরা । পাল্টা তোপ দাগলেন রাহুল সিনহা।তিনি জানান 40 বছর বিজেপির বিশ্বস্ত সৈনিক থাকার পরেও তৃণমূলের লোক কে দলের পদ দিতে হবে বলে তাকে সরিয়ে দেয়া হলো। সব ঘটনা উচ্চ নেতৃত্বকে তিনি জানাবেন এবং আগামী দশ বারো দিনের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন বলেও জানান। একদা এক সময়ের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিজেপির সভাপতি রাহুল সিনহা কে রাতারাতি বিজেপির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে সরিয়ে দিয়ে তৃণমূল থেকে আসা মুকুল রায় কে স্থলাভিষিক্ত করাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা দেখা দিয়েছে বিজেপির রাজ্য থেকে ব্লক ও বু্থ স্তর পর্যন্ত। মুকুল রায়ের অবশ্য দাবি তাকে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব যা দায়িত্ব দেবেন তিনি মাথা পেতে নেবে। উল্লেখ্য কৈলাস বিজয়বর্গীয় বিজেপির পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্ব পাওয়ার পর এই কপাল খুলে যায় মুকুল রায়ের। মুকুল রায়ের সঙ্গে তার সম্পর্ক অত্যন্ত মধুর । যাকে হাতিয়ার করে দিল্লি এবং আরএসএস এর সদরদপ্তর পর্যন্ত মুকুল রায় পৌঁছে যান এক নিমেষে। সাংগঠনিক বিস্তারের দক্ষতা কূটনীতিক এবং তৃণমূলের অন্দরমহল এর খবর আনতে মুকুল রায়ের জুড়ি মেলা ভার। সেটা অবশ্য বিজেপির দিল্লিওয়ালিরা ভালো করেই জানেন। 2021 এর  বিধানসভা নির্বাচনে বাংলার মসনদ দখল করতে তাই একমাত্র ভরসা টিম মুকুল। তাছাড়া মুকুল রায়ের সঙ্গে দিল্লির রাজনীতির সখ্যতা বেশি থাকায় গোষ্ঠী যুদ্ধে অনেকটা পিছিয়ে বাংলার সাবেক বিজেপি নেতারা। রাহুল সিনা তার মধ্যে অন্যতম। ইতিমধ্যেই মেঘালয়ের রাজ্যপাল পদ শেষ হওয়াত পশ্চিমবঙ্গে মাটি পেতে রাজনীতির আঙিনায় নেমে পড়েছেন তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়ের দাদা তথা বিজেপির নেতা তথাগত রায়। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন তা নিয়ে বিজেপির রাজ্য ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের মধ্যে দড়ি টানাটানি চলছে। তার প্রথম অধ্যায় শুরু হতেই ছিটকে পড়লেন রাহুল সিনহা। বিজেপি রাজ্য রাজনীতিতে এত বড় রাজনৈতিক বলিদান বিগত দুই দশকেও লক্ষ করা যায়নি।স্বাভাবিকভাবেই দলের অভ্যন্তরে নব্য বিজেপি ও পুরাতন বিজেপির মধ্যে সংঘাত যে নতুন মাত্রা নেবে তা বলার অবকাশ থাকে না। প্রশ্ন হলো রাহুল সিনহা কি তাহলে একদা বিজেপির আলো রানী সরকার দের মত তৃণমূলে যোগদান করবে মুকুলের বদলা নিতে ? 10- 12 দিন অপেক্ষা করতে হবে সেই উত্তরের জন্য। মুকুল ঝরে এমনিতেই বিতশ্রদ্ধ রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। যদিও দিলীপ ঘোষের সঙ্গে রাহুল সিনার সম্পর্ক ভালো নয়।কারণ রাহুল সিনহা কে রাজ্য সভাপতি থেকে সরিয়ে দিলীপ ঘোষ কেই সভাপতি করা হয়েছিল । সেই থেকেই সম্পর্কে ফাটল। কিন্তু দিল্লির কানেকশন ভালো হওয়াতে মুকুল রায় রাজ্য নেতৃত্ব কে টপকে দিল্লির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে রাজনৈতিক বশীকরণ করতে সক্ষম হয়েছেন। শনিবারের বারবেলা সেই শুভ সন্ধিক্ষণ এর সদ্ব্যবহার করতে ও ছাড়লেন না রাজনৈতিক সুযোগ সন্ধানী মুকুল রায়। লোকসভা নির্বাচনে 18 টি আসন বিজেপির ঝুলিতে আনার পরে মুকুল রায়ের ওপরে আস্থা বারে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের। কঠোর সংরক্ষণবাদী দিলীপ ঘোষ কিংবা রাহুল সিনহারা কোণঠাসা হয়ে পড়ে তখনই। বিধান সভাতে ও সেই ম্যাজিক মুকুলকে পেতে চায় বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। তাই রাতারাতি দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে স্থলাভিষিক্ত করলেন মুকুল রায় কে। কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব আউটপুট  চান যা এতদিন বঙ্গ বিজেপির পুরনো নেতৃত্বকে দিয়ে হচ্ছিল না। তাই লোকসভা নির্বাচনে আশা বহির্ভূত ফল এনে দেওয়া মুকুলের ওপরেই আস্থা ও ভরসা বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের।

Friday, 25 September 2020

পদ্মশ্রী এসপি বালাসুব্রামানিয়াম প্রয়াত, শোকের ছায়া সংগীত জগতে

পদ্মশ্রী এসপি বালাসুব্রামানিয়াম প্রয়াত, শোকের ছায়া সংগীত জগতে

 

প্রয়াত হলেন দক্ষিণ ভারতের প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী এস পি বালাসুব্রামানিয়াম । ভারতের একজন চলচ্চিত্র নেপথ্য গায়ক যিনি মূলত তেলুগু এবং তামিল ভাষার চলচ্চিত্রে গান গাইতেন। তবে তার গাওয়া অনেক হিন্দি, মালয়ালম এবং কন্নড় ভাষার গানও আছে। তাকে অনেকেই সংক্ষেপে এসপিবি বা এসপি বলু নামেও ডাকতেন। রাশভারী স্বভাব সিদ্ধ এই সংগীতশিল্পীর মৃত্যুতে গভীর শোকের ছায়া চলচ্চিত্র জগতে। ১৯৪৬ সালের ৪ জুন চেন্নাইয়ের কোনীটাম্মাপেটায় কৃষক পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। 

মৃত্যুকালে তিনি রেখে গেলেন স্ত্রী সাবিত্রি বালাসুব্রামানিয়াম, এক পুত্র এস.পি.চরণ ও এক কন্যা পল্লভি বালাসুব্রামানিয়ামকে। তিনি সংগীত জগতে বিশেষ কৃতিত্বের জন্য পদ্মশ্রী পুরস্কার পান। এছাড়াও GIMA পুরস্কার পান। তিনি প্রায় 300 বেশি সিনেমার প্লেব্যাক সিঙ্গার ছিলেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল 74 বছর।

Saturday, 19 September 2020

জঙ্গি দমনে বড়োসড়ো সাফল্য এনআইএ এর

জঙ্গি দমনে বড়োসড়ো সাফল্য এনআইএ এর

 

জঙ্গি দমনে বড় সাফল্য পেল ভারতের ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি বা এনআইএ(NIA)। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ এবং কেরল থেকে গ্রেফতার হয়েছে ৯ আল-কায়দা জঙ্গি। এনআইএ সূত্রে খবর, এই দুই রাজ্যে একধিকবার তল্লাশি অভিযানের পর পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ এবং কেরলের এর্নাকুলাম থেকে গ্রেফতার হয়েছে মোট ৯ জন আল-কায়দা জঙ্গি। এনআইএ জানিয়েছে, এই ৯ জঙ্গিই একটি নাশকতার পরিকল্পনায় যুক্ত ছিল।এনআইএ-র তরফে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে যে অনেকদিন ধরেই ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে আল-কায়দার জঙ্গিরা ছড়িয়ে পড়েছিল। ইন্টার স্টেট বা আন্তঃরাজ্য মডিউলে এই সক্রিয় সদস্যরা কাজ করত। মূল লক্ষ্য ছিল নিরীহ সাধারণ মানুষদের মেরে ফেলা। দেশের বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য জায়গায় নাশকতার পরিকল্পনা করেছিল এই জঙ্গিরা। জঙ্গি কার্যকলাপ, নাশকতার মাধ্যমে আমজনতার মনে ভয়-আতঙ্কের সৃষ্টি করাই ছিল এদের লক্ষ্য।অনেকদিন ধরেই আল-কায়দার এই ইন্টার স্টেট মডিউলে অপারেটিভদের উপর নজর রেখেছিল ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি বা এনআইএ। পশ্চিমবঙ্গ এবং কেরলের একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালায় এনআইএ-র স্পেশ্যাল টিম। অবশেষে মুর্শিদাবাদ এবং এর্নাকুলাম থেকে গ্রেফতার হয়েছে ৯ জন। এরা কোন কোন জায়গায় কীভাবে নাশকতার ছক কষেছিল তা জানার চেষ্টায় তদন্ত শুরু করেছে এনআইএ।

প্রসঙ্গত, গত এক বছরে কেরলের একাধিক জেলা থেকে আইসিস যোগে বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তদন্ত যত এগিয়েছে দেখা গিয়েছে কেরলের বিভিন্ন জায়গায় নিজেদের চর ছড়িয়ে রেখেছে আইসিস। তাদের বেশ কয়েকজনকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে। অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদেও ক্রমাগত জঙ্গিদের আনাগোনা যে বাড়ছিল সে খবর ছিল পুলিশ-প্রশাসনের কাছে। সেই সূত্র ধরেই খাগড়াগর বিস্ফোরণ কাণ্ড-সহ অন্যান্য অনেক জঙ্গি হামলায় জড়িত সন্দেহে বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশের জঙ্গি সংগঠন জামাত-উল-মুজাহিদিনের সদস্যরাও। জানা গিয়েছে, আজ শনিবার সকালে পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ থেকে গ্রেফতার হয়েছে ৬ আল-কায়দা জঙ্গি। আর কেরলের এর্নাকুলাম থেকে গ্রেফতার হয়েছে ৩ জন। এনআইএ সূত্রে খবর, সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে এই ৯ জঙ্গিকে ট্রেনিং দিত পাকিস্তানে থাকা আলি-কায়দার মাথারা। নির্দেশ ছিল ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে জঙ্গি হামলা করার। নিশানায় ছিল রাজধানী শহর দিল্লি এবং সংলগ্ন এলাকাও। ধৃতদের থেকে বিভিন্ন ডিজিটাল ডিভাইস, নথিপত্র, জিহাদি সাহিত্য, ধারালো অস্ত্র, দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, স্থানীয় এলাকা থেকে বানানো শরীরে পড়ার বর্ম, ঘরে বসে বিস্ফোরক বানানোর বিভিন্ন বই এবং নথিপত্র—— এইসব কিছু উদ্ধার করা হয়েছে।প্রাথমিক তদন্তের পর এনআইএ জানিয়েছে, জঙ্গি হামলার জন্য টাকাপয়সা জোগাড় করছিল এই ৯ জঙ্গি। এছাড়া সম্প্রতি দিল্লি যাওয়ার কথা ছিল তাদের। উদ্দেশ্য ছিল অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র এবং অন্যান্য অস্ত্রশস্ত্র জোগাড় করা। এনআইএ সূত্রে খবর যে ৯ জঙকে আজ গ্রেফতার করা হয়েছে তারা হল মুরশিদ হাসান, ইয়াকুব বিশ্বাস, মোশারফ হোসেন, নাজমুস সাকিব, আবু সুফিয়ান, মইনুল মণ্ডল, লিউ ইয়ান আহমেদ, আল মামুন কমল এবং আতিতুর থমান। এদের সকলকেই আজ আদালতে পেশ করে তাদের পুলিশই হেফাজতের আবেদন জানানো হবে।

Tuesday, 15 September 2020

সরকারি পরিকল্পনা ব্যর্থ,, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ফের ভিন রাজ্যে পাড়ি দিচ্ছেন কর্মহীন পরিযায়ী শ্রমিকরা

সরকারি পরিকল্পনা ব্যর্থ,, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ফের ভিন রাজ্যে পাড়ি দিচ্ছেন কর্মহীন পরিযায়ী শ্রমিকরা

 

সরকারী পরিকল্পনা ব্যার্থ, পশ্চিমবঙ্গের কর্মহীন পরিযায়ী শ্রমিকরা কাজের আশায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ফের পারি দিচ্ছেন ভিন রাজ্যে। 

গত 23 শে মার্চ থেকে দেশ জুড়ে করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে শুরু হয়েছিল রিলে লক ডাউন। প্রায় টানা দুই মাস চলে সেই লক ডাউন প্রক্রিয়া। কিন্তু তার মধ্যেই দেশের বিভিন্ন রাজ্যে সংক্রমন রুখতে ব্যার্থ হয়েছে স্থানীয় সরকার ও প্রশাসন। ব্যাতিক্রম যায়নি পশ্চিমবঙ্গেও। ভারতবর্ষে চীনের মতো করোনা ভাইরাসের কারণে ভারতবাসীকে মরতে না হয় তার জন্য আগে থেকেই কেন্দ্রীয় সরকার লকডাউনের সিদ্ধান্ত নেন। ২৩ শে মার্চ থেকে দেশে শুরু হলেও প্রথম দিকে কিছু রাজ্য লকডাউনের গুরুত্ব না দেবার কারণে সে সব রাজ্যে সংক্রমিতের সংখ্যা বাড়তে থাকে সাথে বাড়তে শুরু করে  মৃতুর সংখ্যা। কেন্দ্রীয় সরকারের কঠোর সিদ্ধান্তের ফলে পরে বিভিন্ন রাজ্য বাধ্য হয়ে বন্ধ করে দেয় কল কারখানা এবং অফিস কাছারী হাট বাজার দোকান পাট। বন্ধ হয়ে যায় ক্ষুদ্র মাঝারি বৃহৎ সব শিল্প প্রতিষ্ঠান। কোম্পানি এবং কারখানা বন্ধ হয়ে যাবার ফলে সেখানে কর্মরত শ্রমিকরা কর্মচ্যুতর সাথে গৃহহারা হয়ে যায়৷ ভিন রাজ্যে কর্মরত শ্রমিকরা সেখানকার রাজ্য সরকারের কাছে আবেদন করেছিলেন লকডাউন মেয়াদ শেষ হওয়া পর্যন্ত তাদের বাসস্থান এবং অন্নসংস্থানের ব্যাবস্থা করে দিতে, লকডাউনের কারণে যাতায়াত ব্যাবস্থা বন্ধ হয়ে যাবার কারণে তারা নিজ রাজ্যে ফিরতে পারছে না। কিন্তু সে রাজ্যের সরকার ভিনরাজ্যের শ্রমিকদের দায়িত্ব নিতে রাজী না হওয়াতে বাধ্য হয়ে পায়ে হেঁটে, পন্যবাহী ট্রাকে অনেক বেশী পয়সা খরচ করে নিজের রাজ্যে ফিরে আসেন লক্ষ লক্ষ এই পরিযায়ী শ্রমিকরা। পশ্চিম বঙ্গের বিভিন্ন  জেলাতে সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী প্রায় 17 লক্ষ এর বেশি পরিযায়ী শ্রমিক বিভিন্ন জেলাতে ফিরেছেন। পশ্চিম বাংলার মূখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিভিন্ন জেলার জেলাশাসকদের নির্দেশ দেন পরিযায়ী শ্রমিকদের দক্ষতা অনুযায়ী বিভিন্ন কারখানায় নিয়োগের ব্যাবস্থা করে দিতে। মূখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ পাবার পর বিভিন্ন কারখানার মালিক, ক্ষুদ্র শিল্পের মালিকদের নিয়ে এবং নথিভুক্ত পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে কর্মশালা করেন বিভিন্ন জেলার জেলাশাসকগন। জুলাই মাসে ও আগষ্ট মাসে কর্মশালাতে অংশগ্রহণকারী  কয়েক লক্ষ  শ্রমিকদের মধ্যে গুটি কতক শ্রমিকদের নিয়োগ করা হয় এবং বাকীদের নাম নথিভুক্ত করতে বলা হয়। 

আনলক-১ শুরু হলে কিছু কারখানা খুললেও বিভিন্ন অজুহাতে নিয়োগপত্র পাওয়া দক্ষ শ্রমিকদের কাজে নেওয়া হয় নি বলে অভিযোগ। আর্থিক সচ্ছলতার কারণে শ্রমিকরা ভিন রাজ্যে কাজ করতে গেছিল করোনা ভাইরাসের কারণে আজ তারা কর্মহারা, তাদের আশা ছিল এ রাজ্যের মূখ্যমন্ত্রী কাজের ব্যাবস্থা করে দেবেন। কিন্তু তাদের ভুল ভাঙ্গল যখন দেখলো অন্যান্য রাজ্যের মতো পশ্চিম বাংলাতেও তাদের দায়িত্ব নিতে রাজী নয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। শ্রমিকরা সংসার চালাবার জন্য সবজি, মাছ, স্যানিটাইজার, মাস্ক সহ রকমারি জিনিস নিয়ে পায়ে হেঁটে গলিতে বিক্রি শুরু করে এবং অন্যদিকে তাদের পুরনো কারখানা ও কোম্পানির সাথে যোগাযোগ রাখতে শুরু করে। আনলক - ২ শুরু হতেই কিছু রাজ্যে কারখানা খুলতে শুরু করে আশার বুক বেঁধে মালিকদের সাথে কথা বলে আবার ভিন রাজ্যে যাবার সিদ্ধান্ত নিয়ে নেয় এ রাজ্যের লক্ষ লক্ষ পরিযায়ী শ্রমিকরা। ভিন রাজ্যের কিছু কারখানার মালিক দক্ষ শ্রমিকদের ফিরে যেতে বলাতে শেষ সম্বল খরচ করে রাতারাতিই বিমানে করে ফিরে যেতে দেখা গেল দমদম,বাগডোগরা, অন্ডালের বিমানবন্দর গুলিতে। পরিযায়ী শ্রমিকরা জানায় তারা গুজরাটের কারখানায় কাজ করে । মালিক তাদের ফিরে যেতে বলাতে তারা ফিরে যাচ্ছে। পশ্চিম বাংলার সরকার তাদের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন এই রাজ্যের শ্রমিকদের ভিন রাজ্যে গিয়ে কাজ করতে হবে না। তাদের এই রাজ্যে বিভিন্ন কারখানায় নিয়োগ করা হবে কিন্তু প্রায় তিন মাস আগে নাম নথিভুক্ত করলেও কোন খবর না আসাতে তারা আবার পুনরায় ফেরৎ যাচ্ছেন ।

Monday, 14 September 2020

অবশেষে বাংলায় এল রানী

অবশেষে বাংলায় এল রানী

 

কোভিড পরিস্থিতিতে, সীমান্ত পেরিয়ে  বাংলায় আসতে চলেছে পদ্মার ইলিশ । গত বৃহস্পতিবার রাতেই বাংলাদেশ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ইলিশ রফতানি-সংক্রান্ত অনুমতিপত্র সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলির হাতে এসেছে ।নির্দেশিকা অনুযায়ী, পুজো-উপহার হিসেবে ১০ অক্টোবরের মধ্যে ১৪৫০ মেট্রিক টন ইলিশ আসবে বাংলায় । গত বার ৫০০ মেট্রিক টন ইলিশ পাঠানোর ছাড়পত্র মিলেছিল। এ বার মোট ন’টি সংস্থাকে কম করে ১৫০ মেট্রিক টন ইলিশ রফতানির অনুমতি দিয়েছে ঢাকা।   
’’ফিশ ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সচিব তথা হাওড়ার পাইকারি মাছ কারবারি সংগঠনের কর্তা সৈয়দ আনোয়ার মাকসুদ জানান আজ কুড়ি মেট্রিকটন মাছ এসেছে হাওড়া বাজারে, আগামী এক মাসের মধ্যে দফায় দফায় বাকি মাছ বাংলাদেশের থেকে আসবে এ রাজ্যে । 2012 সালে পরে এবছর অনেক প্রচেষ্টার পরে তোমার আনার অনুমতি মিলেছে বাংলাদেশ সরকারের থেকে ।  বর্তমানে ৫০০ গ্রাম থেকে ১ কেজি ওজনের মাছ বাজারে বিক্রয় হয় ৬০০ থেকে ১২০০ টাকা মূল্যে । স্বভাবতই মাছের যোগান বেশি হলে আশা করা যায় বাজারে দাম কমবে বর্তমান ইলিশের দরে । তবে বাঙালিরা মাছের রানী কে আপন করে নিতে দামের হিসাব করে না । ইতিমধ্যেই তারা ঠিক করে নিয়েছেন সরষেবাটা নাকি ঝোল অথবা ভাজা কিভাবে নিজেদের তৃপ্তি মেটাবে ।

12 টন বাংলাদেশর পদ্মার ইলিশ এল ভারতে

12 টন বাংলাদেশর পদ্মার ইলিশ এল ভারতে

 

ভোজন পিপাষু বাঙালিদের জন্য সুখবর l এদেশে এলো পদ্মার ইলিশ lবাংলাদেশ সরকার 2012 সাল ইলিশ এক্সপোর্ট বন্ধ করে দেয় l 2019 সালের বাঙালির সেরা উৎসব দুর্গাপূজা উপলক্ষে 500 টন ইলিশ পাঠিয়েছিলো বাংলাদেশ সরকার l এবারও বাংলাদেশ সরকার ১৫০০  টন ইলিশ মাছ ভারতে রপ্তানি করবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেই মতই সোমবার সন্ধ্যায় পেট্রাপোল দিয়ে ভারতে প্রবেশ করল ইলিশ বোঝাই দুটি ট্রাক l আপাতত দুটি ট্রাকে ১২ টন ইলিশ পৌছাল ভারতে l আগামী এক মাস ধরে ইলিশ মাছ ইমপোর্ট হবে এ দেশে।

Saturday, 12 September 2020

আশঙ্কাজনক অমিত শাহ, ভর্তি দিল্লির এইমসে

আশঙ্কাজনক অমিত শাহ, ভর্তি দিল্লির এইমসে

আশঙ্কাজনক অবস্থা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর।  শনিবার গভীর রাতে ফের প্রবল শ্বাসকষ্ট অনুভব করায় তাকে ভর্তি করা হল দিল্লির অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সে । কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এইমসের কার্ডিও নিউরো টাওয়ারে রাখা হয়েছে তাঁকে। হাসপাতালের সূত্রে জানা গেছে প্রবল শ্বাস কষ্টের সমস্যা হয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। 

গত ২ আগস্ট অমিত শাহর শরীরে করোনা পজিটিভ পাওয়া যায়। তার পর তাঁকে গুরুগ্রামের মেদান্তা মেডিসিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। এর পরে ১৪ অগস্ট তাঁর রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। কিন্তু বাড়ি ফেরার ক’দিন বাদেই তাঁকে ফের হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়। ১৭ আগস্ট রাতে প্রাক্তন বিজেপি সভাপতিকে ফের ভর্তি করা হয় নয়াদিল্লির এইমস হাসপাতালে। সূত্রের খবর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নতুন করে শ্বাসকষ্টের সমস্যা হচ্ছে। সেই কারণেই প্রথমে দিল্লির একটি বেসরকারি হাসপাতালে সিটি স্ক্যান করা হয় শাহের। সেই রিপোর্টে বুকে সংক্রমণ ধরা পড়ায় তড়িঘড়ি এইমসে ভর্তি করা হয়। কোভিড পরবর্তী চিকিৎসা শুরু করা ছিল তাঁর। সেখানে বেশ কয়েক দিন চিকিৎসার পরে সুস্থ হয়ে গত ৩১ অগস্ট বাড়ি ফেরেন তিনি।  তারপর গত কাল রাতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ কে ফের এইমসে ভর্তি করতে হয়েছে। এদিকে কেন্দ্রীয় স্বরা্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের অসুস্থতার খবর পেয়ে চরম উদ্বিগ্ন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রাত ভোর তিনি খোঁজ খবর নেন অমিত শাহের চিকিৎসা সংক্রান্ত বিষয়ে। আগামী কাল 14 সেপ্টেম্বর থেকে সংসদের বর্ষা কালীন অধিবেশন শুরু হবে । তার আগে অমিত শাহের অসুস্থতা হওয়ায় সংসদ অধিবেশন কি ভাবে একা সামলাবেন তা নিয়ে যথেষ্ট চিন্তিত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। 
বিরোধিতা পছন্দ না, সংবাদমাধ্যম ও সাংবাদিকদের দেখে নেয়ার হুমকি ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর

বিরোধিতা পছন্দ না, সংবাদমাধ্যম ও সাংবাদিকদের দেখে নেয়ার হুমকি ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর

বিরোধিতা পছন্দ নয়। সংবাদমাধ্যম ও সাংবাদিকদের দেখে নেয়ার হুমকি দিলেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব। কি বললেন তিনি শুনুন নিচের ভিডিওতে

Saturday, 5 September 2020

দিল্লির পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণাধীন, আতঙ্কিত হবেন না, দাবি কেজরির

দিল্লির পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণাধীন, আতঙ্কিত হবেন না, দাবি কেজরির

আনলক ফোরেও (Unlock 4) দেশজুড়ে  বেলাগাম করোনা সংক্রমণ। ভারতে আক্রান্ত ৪০ লক্ষ ২৩ হাজার  ১৭৯ জন। মৃত্যু হয়েছে ৬৯ হাজার ৫৬১ জনের। রাজ্যে মোট আক্রান্ত ১,৭১,৬৮১ জন। এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৩,৩৯৪ জনের।

 

দিল্লির পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণাধীন, আতঙ্কিত হবেন না, দাবি কেজরির

দিল্লিতে কমেছে মৃত্যহার। দাবি মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল।দিল্লির করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণেই আছে। দ্বিগুণ হয়েছে দৈনিক করোনা পরীক্ষার সংখ্যা। জানালেন দিল্লির স্বাস্থ্যমন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈন।


 

গ্লাভস ছাড়াই ফাইলে হাত, বিতর্কে গোয়ার করোনা আক্রান্ত মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ান্ত

গ্লাভস ছাড়াই ফাইলে হাত, বিতর্কে গোয়ার করোনা আক্রান্ত মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ান্ত


করোনা আক্রান্তদের ক্ষেত্রে বিশেষ নিয়ম মানার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। মৃদু উপসর্গযুক্তদের বাড়িতে থাকতে বলা হয়েছে। তবে সেক্ষেত্রে সতর্কতামূলকভাবে আক্রান্তকে বেশ কিছু নিয়ম মানাও প্রয়োজন। কিন্তু সেই নিয়মই নাকি মানছেন না খোদ মুখ্যমন্ত্রী। গোয়ার প্রশাসনিক প্রধানের বিরুদ্ধে এমনই অভিযোগে সরব কংগ্রেস। প্রমোদ সাওয়ান্ত গ্লাভস (Gloves) ছাড়াই কেন ফাইলে হাত দিচ্ছেন, সেই প্রশ্ন তুলেছে তারা।

গত ২ সেপ্টেম্বর করোনা আক্রান্ত হন গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ান্ত (Pramod Sawant)। তিনি নিজেই টুইটে দুঃসংবাদটি জানান। তিনি টুইটে লেখেন, “আমি করোনা সংক্রমিত। তবে আমার কোনও উপসর্গই নেই। তাই আপাতত হোম আইসোলেশনেই থাকতে হবে। বাড়িতে বসেই আমি সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ করব। যাঁরা আমার সংস্পর্শে এসেছিলেন তাঁদের বলব প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিন।”

যেমন কথা, তেমন কাজ। করোনা সংক্রমণের পরেও কাজ থেকে বিরতি নেননি গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী। হোম আইসোলেশনে থাকাকালীন তিনি কাজ করে চলেছেন। শুক্রবার গোয়ার মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তর থেকে সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করা হয়। গোয়ার প্রদেশ কংগ্রেসের (Congress) সভাপতি গিরিশ চোড়ানকর মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ান্তের ওই ছবিটিই টুইট করেন। ওই ছবিটিতে দেখা গিয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ ফাইলের কাজ সারছেন তিনি। তাঁর মুখে মাস্ক রয়েছে। তবে তাঁর হাতে নেই গ্লাভস। কংগ্রেস নেতার দাবি, ওই ফাইলে পরবর্তীকালে কেউ হাত দিলেই ছড়াতে পারে করোনা ভাইরাস। কেন একজন মুখ্যমন্ত্রী যথোপযুক্ত সতর্কতা ছাড়াই এমন কাজ করছেন, সেই প্রশ্নই তুলেছেন তিনি।

ছবি ভাইরাল হওয়ার পরেই অস্বস্তিতে পড়েছেন গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী। তাই তড়িঘড়ি রাজ্য সরকারের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে সমস্ত ফাইলে মুখ্যমন্ত্রী হাত দিয়েছেন, সেগুলি জীবাণুমুক্ত করার পরই অন্য কেউ হাত দেবে।  



 

আগ্রহ হারাচ্ছে জাপানি সংস্থাগুলি, বাড়ছে খরচ! ৫ বছর পিছিয়ে যেতে পারে বুলেট ট্রেন প্রকল্প

আগ্রহ হারাচ্ছে জাপানি সংস্থাগুলি, বাড়ছে খরচ! ৫ বছর পিছিয়ে যেতে পারে বুলেট ট্রেন প্রকল্প

করোনার মার এবং সেই সঙ্গে দোসর জমি-জট। ভারতের প্রথম বুলেট ট্রেন প্রকল্প এখন অথৈ জলে। পরিস্থিতি এমনই যে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) স্বপ্নের এই প্রকল্প নাকি ৫ বছর পর্যন্ত পিছিয়ে যেতে পারে। যে প্রকল্প ২০২৩ সালে শেষ হওয়ার কথা ছিল, সেটা কিনা শেষ হতে পারে ২০২৮ সালে গিয়ে। যদিও কেন্দ্রের তরফে সরকারিভাবে এ নিয়ে এখনও কিছু ঘোষণা করা হয়নি।

মুম্বই থেকে আহমেদাবাদের মধ্যেকার ৫০৮ কিলোমিটার লম্বা এই বুলেট ট্রেন (Bullet train) প্রকল্পের কাজ হওয়ার কথা জাপান থেকে ৮০ শতাংশ ঋণ নিয়ে। জাপান সরকারের প্রতিশ্রুতিমতো মাত্র ০.১ শতাংশ সুদ এবং ১৫ বছরের মোরাটরিয়ামে এই ঋণ পাওয়ার কথা ভারতের। জাপানের সাহায্যে হওয়া এই প্রকল্পটি সম্পন্ন হওয়ার কথা সম্পূর্ণ জাপানি প্রযুক্তিতে এবং জাপানি সংস্থাগুলির মাধ্যমে। কিন্তু এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, এই প্রকল্পে মাটির তলা দিয়ে যে ২১ কিলোমিটার লম্বা লাইন হওয়ার কথা, সেই ২১ কিলোমিটার লাইন তৈরিতে জাপানি সংস্থাগুলি আগ্রহ দেখাচ্ছে না। তাছাড়া করোনার জন্য গোটা বিশ্বের অর্থনীতিই ধাক্কা খেয়েছে। যে কারণে বাড়ছে জিনিসপত্রের দাম। এই প্রকল্প সঠিক সময়ে শেষ করাতে সেটিও অন্তরায় হয় দাঁড়িয়েছে।

আরও একটি বড় সমস্যা হল জমি-জট। রেল (Indian Railway) সূত্রের খবর, ২০ হাজার কোটির এই প্রকল্পের মোট ৬৩ শতাংশ জমি এখনও পর্যন্ত অধিগ্রহণ সম্ভব হয়েছে। গুজরাটে ৭৭ শতাংশ এবং দাদরা নগর হাভেলিতে ৮০ শতাংশ জমি অধিগ্রহণ করা গেলেও মহারাষ্ট্রে মাত্র ২২ শতাংশ জমি অধিগ্রহণ সম্ভব হয়েছে। গুজরাটের নবসারি, মহারাষ্ট্রের পালঘরের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় জমি পাওয়া যায়নি। মুশকিল হল, মহারাষ্ট্রে আবার এখন বিরোধীদের সরকার। সুতরাং প্রত্যাশিত সহযোগিতা রাজ্য সরকার করছে না। করোনাও বড় বাধা। রেলের আধিকারিকরা বলছেন, করোনার জন্য অনেক কাজের টেন্ডারই ডাকা যায়নি। আবার টেন্ডার ডাকলেও, সেটা কার্যকর হয়নি। 

আর এসবের জন্যই এই প্রকল্প পিছিয়ে যেতে পারে। তাও ১-২ মাস নয়। পুরো পাঁচ বছর। সরকারের টার্গেট ছিল ২০২২ সাল নাগাদ অন্তত কিছুটা হলেও এই প্রকল্প চালু করে ফেলা। এবং ২০২৩ সালের মধ্যে তা সম্পূর্ণ করে ফেলা। কিন্তু এখন যা পরিস্থিতি তাতে পুরো প্রকল্প শেষ হতে ৫ বছর লেগে যেতে পারে। 
 

ভারতে একদিনে শনাক্ত ৮৬ হাজার করোনা রোগী, মৃত্যু ১০৮৯

ভারতে একদিনে শনাক্ত ৮৬ হাজার করোনা রোগী, মৃত্যু ১০৮৯

 

ভারতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ১ হাজার ৮৯ জন মারা গেছেন। দেশটিতে এখন পর্যন্ত এ রোগে মারা গেছেন ৬৯ হাজার ৫৬১ জন। খবর এনডিটিভি’র।

ভারতে গত ২৪ ঘণ্টায় ৮৬ হাজার ৪৩২ জন কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে বিশ্বে একদিনে সর্বাধিক সংখ্যক কোভিড রোগী শনাক্তের রেকর্ড করে ভারত। এতে দেশটিতে এখন পর্যন্ত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ৪০ লাখ ২৩ হাজার ১৭৯। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৩১ লাখ ৭ হাজার ২২৩ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৭০ হাজার ৭২ জন।

করোনাভাইরাসে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত রাজ্য মহারাষ্ট্র। এরপরই রয়েছে যথাক্রমে অন্ধ্রপ্রদেশ, তামিলনাড়ু, কর্ণাটক, উত্তরপ্রদেশ, দিল্লি, পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, তেলেঙ্গানা, আসাম, উড়িষ্যা ও গুজরাট।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মহারাষ্ট্রে মারা গেছেন মোট ২৫ হাজার ৯৬৪ জন। এরপর সর্বাধিক মৃত্যু হয়েছে যথাক্রমে তামিলনাড়ুতে ৭ হাজার ৬৮৭ জন, কর্ণাটকে ৬ হাজার ১৭০ জন এবং দিল্লিতে ৪ হাজার ৫১৩ জন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যানুযায়ী, ৪ আগস্ট থেকে বিশ্বে দৈনিক সবচেয়ে বেশি কোভিড রোগী শনাক্ত হচ্ছে ভারতে। মোট রোগীর সংখ্যার দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রাজিলের পরই ভারতের অবস্থান।

প্রেসক্রিপশন ছাড়াই চাহিদা অনুযায়ী করানো যাবে কোভিড পরীক্ষা, ছাড়পত্র কেন্দ্রের

প্রেসক্রিপশন ছাড়াই চাহিদা অনুযায়ী করানো যাবে কোভিড পরীক্ষা, ছাড়পত্র কেন্দ্রের

অদৃশ্য শত্রুর সঙ্গে প্রায় কয়েকমাস ধরে লড়াই চালাচ্ছে গোটা বিশ্ব। কিন্তু এখনও মেলেনি জয়। কারণ, প্রতিদিনই একটু একটু করে বাড়ছে করোনা (Coronavirus) সংক্রমিতের সংখ্যা। মৃত্যুর হার তুলনামূলক অনেকটাই কম। তবে ভাইরাসের দাপটে যে কেউ প্রাণ হারাচ্ছেন না তা কার্যত বলা অসম্ভব। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যগুলির জন্য নয়া অ্যাডভাইজারি জারি করল ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ বা আইসিএমআর (ICMR)। তবে প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট রাজ্য ওই নির্দেশিকায় কিছু বদল আনতে পারে। 

আইসিএমআরের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, চাহিদা অনুযায়ী করাতে হবে নমুনা পরীক্ষা। সেক্ষেত্রে কোনও ব্যক্তির কাছে প্রেসক্রিপশন (Prescription) না থাকলেও চলবে। 

এছাড়া যাঁরা কনটেনমেন্টে জোনের (Containment Zone) বাসিন্দা তাঁদের ক্ষেত্রে ব়্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট বাধ্যতামূলক। বিশেষত যে সমস্ত এলাকায় সংক্রমিতের সংখ্যা অনেকটাই বেশি সেখানকার বাসিন্দাদের এই নিয়ম অবশ্যই মানতে হবে। শহরাঞ্চলের বাসিন্দাদের কথা মাথায় রেখেই মূলত এই সিদ্ধান্ত বলেই নির্দেশিকার উল্লেখ করেছে ICMR। ওই নির্দেশিকায় আরও বলা হয়েছে, যদি ব়্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্টে করোনা সংক্রমণের প্রমাণ না পাওয়া সত্ত্বেও উপসর্গ দেখা দিলে তাঁর আরটি-পিসিআর টেস্ট করাতে হবে। এছাড়াও ICMR-এর নির্দেশিকা মতে, যাঁরা ভিনরাজ্যে কিংবা ভিনদেশে যাতায়াত করছেন, তাঁদেরও কোভিড পরীক্ষা করানো বাধ্যতামূলক।

তবে করোনা পরীক্ষার অভাবে যাতে জরুরি কোনও প্রক্রিয়া থমকে না থাকে সেদিকেও রাজ্যগুলিকে নজর রাখার নির্দেশ দিয়েছে ICMR। যেমন কোনও প্রসূতির চিকিৎসার বন্দোবস্ত যাতে কোভিড পরীক্ষার জন্য আটকে না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখার কথা বলা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আরটি-পিসিআর টেস্টেই মূলত নিশ্চিতভাবে জানা যায় সত্যিই কেউ করোনা আক্রান্ত হয়েছেন কিনা। তবে যেহেতু করোনা মোকাবিলার ব্রহ্মাস্ত্র হিসাবে বেশি পরিমাণ পরীক্ষার করানোর কথা বলা হয়েছে, তাই ব়্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্টের উপরে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে।