মধ্যমগ্রাম থানার অন্তর্গত সেনের বেড়িয়া মোড় কীর্তিপুর এলাকায় একটি কেমিক্যাল কারখানার মালিক বাগুইহাটির বাসিন্দা নিখিল চন্দ্র মিত্র দীর্ঘদিন ধরে তোলাবাজি শিকার হয়ে গতকাল মধ্যমগ্রাম থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। তার অভিযোগ, কারখানার কেমিকেলের মালপত্র আন নেওয়ার জন্য এবং কর্মচারীদের আসা-যাওয়ার জন্য তাদের বেশ কয়েকটি গাড়ি ব্যবহার করতে হয়। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে সেনের বাড়ির মোড় এলাকার এক ব্যক্তি শাহার আলি রাস্তা দিয়ে গাড়ি চলাচল বন্ধ করে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে জোর-জুলুম বাজি করে প্রতি মাসে 10 হাজার করে টাকা নেয়। না দিলে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকিও পর্যন্ত দেয়। শেষ পর্যন্ত গতকাল সকালে কারখানার সামনে এসে জোরপূর্বক কারখানা গাড়ি আসা যাওয়া বন্ধ করে দেয় এবং কর্মচারীদের পুজোর বোনাস হিসেবে আনা দু লক্ষ টাকা ভয় দেখিয়ে জোরপূর্বক জুলুমবাজি করে তার কাছ থেকে হাতিয়ে নিয়ে যায়।
গতকাল সকালে এই ঘটনার পর কারখানা মালিক নিখিল চন্দ্র মিত্র সম্পূর্ণ ঘটনা বিবৃতি দিয়ে মধ্যমগ্রাম থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগের ভিত্তিতে মধ্যমগ্রাম থানার পুলিশ আজ সকালে অভিযুক্ত সাহার আলী কে গ্রেফতার করে। ঘটনার তদন্তে মধ্যমগ্রাম থানার পুলিশ।
এ ঘটনার বিষয়ে উত্তর 24 পরগনার মুখপাত্র সুনীল মুখার্জি জানান, গতকাল মধ্যমগ্রামের সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত থাকাকালীন এক আইনজীবী দুজন ব্যক্তিকে নিয়ে এসে ঘটনার কথা বিধায়ক রথীন ঘোষকে বলে। রথীন বাবু খোঁজ খবর নিয়ে ঘটনার সত্যতা জানতে পেরে পুলিশকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলে। মমতা ব্যানার্জি সরকারে এই ধরনের তোলাবাজি চলবে না, যারা করবে তাদের শাস্তি পেতে হবে। পশ্চিমবঙ্গের শান্তি রক্ষার জন্য তোলাবাজি করা চলবে না। সবথেকে অবাক করা বিষয়, একজন আইনজীবী ওই অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নিয়ে আসে রথীন ঘোষের কাছে, আমি মনে করি এই আইনজীবীদের জন্যই এই ধরনের অপরাধীরা ছাড় পেয়ে যাচ্ছে।




0 coment rios: