বিশ্বভারতী কাণ্ডের তদন্তে রবিবার সাত সকালেই বোলপুর শান্তিনিকেতনের পৌছলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিশেষ প্রতিনিধি দল। তিন সদস্যের এই বিশেষ প্রতিনিধি দলের সঙ্গে ছিলেন জেলার পুলিশ সুপার ও জেলাশাসক সহ অন্যান্য আধিকারিক গান। কলকাতা হাইকোর্টের প্রতিনিধিদল ঘুরে দেখেন পৌষ মেলার মাঠ, প্রার্থনা স্থল, মিউজিয়াম চত্বর ও প্রশাসনিক ভবন। সম্প্রতি পৌষ মেলার মাঠ পাঁচিল দিয়ে ঘেরা কে কেন্দ্র করে অশান্তির সৃষ্টি হয় কবিতীর্থ শান্তিনিকেতনে। রাজনৈতিক চাপ চাপানউতোর শুরু হয় কলকাতা থেকে দিল্লী পর্যন্ত। পরস্পর বাকযুদ্ধে জড়িয়ে পড়েন বিবদমান রাজনৈতিক দলগুলি। উপাচার্যের সঙ্গে সরাসরি সংঘাতের সৃষ্টি হয় রাজ্য সরকারের। ভাঙচুর করা হয় বিশ্বভারতীর ঐতিহ্যবাহী স্থাপত্য শিল্প ও অফিস কাছারি। ভাংচুরের এই অভিযোগ ওঠে শাসক দলের বিরুদ্ধে। বিশ্বভারতীতে ভাঙচুরের এই ঘটনায় গত ১৮ অগাস্ট কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা করেন আইনজীবী রমাপ্রসাদ সরকার ।
বহিরাগতরা কীভাবে ভিতরে ঢুকে ভাঙচুর চালাল হাইকোর্টের নজরদারিতে পুরো ঘটনার তদন্ত চেয়ে আবেদন জানিয়েছিলেন ওই আইনজীবী। ১৮ ই সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট জানিয়ে দেয়, পাঁচিল দেওয়া যাবে না। একটি কমিটি গঠন করে দেয় হাইকোর্ট।আজ সঞ্জীব ব্যানার্জীর নেতৃত্বে তিন প্রতিনীধির দল আসে শান্তিনিকেতনে।

0 coment rios: