পুলিশকর্মীর স্ত্রীর অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ালো শালবনীর রঘুনাথপুরে। আত্মহত্যা না খুন তা নিয়ে জোর জল্পনা চলছে। ঘরোয়া অশান্তির জেরে তাকে মেরে ফেলার অভিযোগও তোলা হয়েছে বাপের বাড়ির পক্ষ থেকে। পুলিশ জানিয়েছে মৃত গৃহবধূর নাম মোনালিসা মাইতি(৩৪)। বৃহষ্পতিবার সকালে তার মৃতদেহ রঘুনাথপুর গ্রাম লাগোয়া বড় বাঁধ থেকে উদ্ধার হয়। বাঁধের জলে মৃতদেহ ভাসতে দেখেন প্রাতঃকৃত্যে যাওয়া স্থানীয় মানুষজন। তারাই খবর দেন গ্রামে। স্থানীয় গ্রামের লোকজনই মৃতদেহ উদ্ধার করে। পরে পুলিশ এসে মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।
মৃত ওই গৃহবধূর স্বামী জয়ন্ত মাইতি পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের একজন এএসআই। তিনি বর্তমানে কোতয়ালী থানায় কর্মরত। তার বাড়ী শালবনীর রঘুনাথপুরে। চার বছর আগে বাঁকুড়ার সারেঙ্গা গ্রামের মোনালিসার সঙ্গে বিয়ে হয় তার। তাদের বছর দুয়েকের এক সন্তানও আছে। তারা মেদিনীপুরে থাকলেও করোনার জন্য বেশ কয়েকমাস জয়ন্তবাবুর স্ত্রী ও সন্তান শালবনীতে গ্রামের বাড়িতেই থাকতেন। বুধবার সন্ধ্যা থেকেই নিখোঁজ ছিলেন মোনালিসা। জয়ন্তবাবু বলেছেন, তার স্ত্রী মানসিক রোগী ছিলেন। নিয়মিত ওষুধও খেতে হত। বুধবার সন্ধ্যায় ওষুধ খাওয়ানোর সময় থেকে বাড়ির লোকজন আর তার খোঁজ পায়নি। শেষমেশ এদিন তার মৃতদেহ বাঁধের জলে উদ্ধার হয়। যদিও মৃত গৃহবধুর বাপের বাড়ির লোকজন এটিকে পরিকল্পিত খুন বলেই অভিযোগ করেছেন। মৃত্যুর খবর পেয়ে শালবনীতে আসা গৃহবধূর পিসি রীনা ঘোষ ও বিশ্বনাথ দলুই অভিযোগ করেছেন যে -মেয়েটির উপর শারিরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতো শ্বশুর বাড়ির লোকজন। তাদের অভিযোগ, খুন করেই বাঁধের জলে দেহ ফেলে দেওয়া হয়েছে। যদিও এখনো পর্যন্ত শালবনি থানায় এনিয়ে কোনও লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি। পুলিশি তদন্ত শুরু হয়েছে।



0 coment rios: