Tuesday, 21 July 2020

নেটদুনিয়ায় ক্রমাগত হুমকি-আক্রমণ, ট্রোলারদের বিরুদ্ধে এবার আইনি ব্যবস্থা নেবেন করণ!


আর নয়, এবার সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোল করলেই কিংবা আক্রমণাত্মক কথা বললেই আইনি পথে হাঁটবেন করণ জোহর (Karan Johar)! ইতিমধ্যেই নাকি মায়ানগরীর বেশ কিছু আইনজীবীর সঙ্গে আলোচনা সেরে ফেলেছেন বলিউডের এই পরিচালক-প্রযোজক। কথা বলছেন কয়েকজন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞের সঙ্গেও।

প্রসঙ্গত, সুশান্ত সিং রাজপুতের (Sushant Singh Rajput) মৃত্যুর পর থেকেই নেটিজেনদের রোষানলে করণ জোহর। স্বজনপোষণের অভিযোগ তুলে ক্রমাগত ট্রোলড হতে হচ্ছে তাঁকে! পরিস্থিতি নাকি এতটাই সঙ্গীন যে তিনি নাকি অভিমানে মুম্বই ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের বোর্ড থেকে ইস্তফা দিয়ে দিয়েছেন। এমনকী, ‘কফি উইথ করণ’ চ্যাট শোয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে সন্দিহান চ্যানেল কর্তৃপক্ষ! উপরন্তু, তাঁর যমজ সন্তান যশ আর রুহিকেও নাকি খুনের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। আর এসবের জেরেই নাকি করণ মানসিকভাবে এতটাই বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন যে দিন-রাত কেঁদে ভাসাচ্ছেন! সম্প্রতি তাঁর এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু জানিয়েছিলেন একথা।

সুশান্তের আকস্মিক মৃত্যু যে গোটা বিনোদন ইন্ডাস্ট্রিকে এভাবে নাড়িয়ে দেবে, তা বোধহয় কেউ কল্পনাও করতে পারেননি! নেপোটিজম থেকে শুরু করে প্রতিপত্তিশালীদের হুমকি দেওয়া, এমন অনেক বিষয়ই উঠে এসেছে গত এক মাসে। কাদা ছোড়াছুঁড়িও কম হয়নি! নেপোটিজম নিয়ে অভিযোগের তীর মূলত করণ জোহরের দিকে। তবে নেটদুনিয়ায় ক্রমাগত আক্রমণের পরও এযাবৎকাল এই বিষয়ে কোনওরকম মুখ খোলেননি করণ। কারণ? তাঁর আইনজীবীরা তাঁকে চুপ করে থাকারই পরামর্শ দিয়েছিলেন। জল এতদূর গড়িয়েছিল যে, নেটিজেনদের কদর্য মন্তব্য বাণে বিদ্ধ হয়ে করণ টুইটারে সমস্ত তারকাদের আনফলো করে দিয়েছেন। তবে আর চুপ থাকবেন না তিনি। অভিনেত্রী আলিয়ার দিদি শাহিন ভাটের মতোই করণ আইনি পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

এক করণ-ঘনিষ্ঠের কথায়, “বিশিষ্ট কয়েকজন আইনজীবীর একটি টিমের সঙ্গে কথাবার্তা চলছে করণের। সেই টিমে রয়েছেন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরাও। এই প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা আপাতত সেসব সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টগুলিকে ট্র্যাক করছেন, যারা কিনা করণের সন্তানকে খুন এবং মা হিরু জোহরকে ধর্ষণের হুমকি দিয়েছিল। ওই অ্যাকাউন্টগুলি কি আদতেও সত্যি না ফেক, সেসবও খতিয়ে দেখছেন তাঁরা।”
এর পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এও জানান যে, যদি কেউ এই ধরণের আক্রমণাত্মক কিংবা কদর্য শব্দ ব্যবহার করে হেনস্তা করে, তাহলে হয় মোটা অঙ্কের জরিমানা দিতে হবে, নতুবা তথ্যপ্রযুক্তি আইনের আওতায় দোষী সাব্যস্ত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির জেলও হতে পারে।

শেয়ার করুন

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios: