ছত্রধর মাহাতোর জেল থেকে ছাড়া পাওয়া নিয়ে গুঞ্জন ছিলই,শাসক দলের সঙ্গে সমঝোতাতেই জেল থেকে ছাড়া পাচ্ছেন এমন গুজব ছিল। তবে তা অস্বীকার করতেন ছত্রধর মাহাতো। তবে এই প্রথম প্রকাশ্য তৃণমূলের সভাতে নেতৃত্ব দিতে দেখা গেল ছত্রধর মাহাতোকে। সঙ্গে স্ত্রী নিয়তি মাহাতো।বুধবার গোপীবল্লভপুর-১ ব্লক তৃণমূলের এক কর্মিসভায় আমন্ত্রিত হয়ে গিয়েছিলেন ছত্রধর ও তাঁর স্ত্রী রাজ্য সমাজকল্যাণ পর্ষদের সদস্য নিয়তি।
গোপীবল্লভপুর-১ পঞ্চায়েত সমিতির ক্ষমতায় রয়েছে বিজেপি। ব্লকের ৭টি গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে ৬টি বিজেপি-র দখলে। বুধবার বিকেলে গোপীবল্লভপুর এর গোপীকুঞ্জতে কর্মীসভার আয়োজন করেছিল তৃণমূল। ওই কর্মিসভায় ব্লকের সাতটি অঞ্চল তৃণমূলের সাতজন সভাপতি, ১০৪ টি বুথের কর্মীরা ছিলেন। এ দিন ছত্রধর ওই সভায় বলেন, ‘‘আছি মানুষের সঙ্গে আছি।’’ তৃণমূলের হারানো জমি ফেরাতে কর্মীদের সক্রিয় ভাবে কাজ করার পরামর্শ দেন ছত্রধর। ব্লক তৃণমূলের সভাপতি শঙ্করপ্রসাদ হাঁসদা বলেন, ‘‘আমন্ত্রিত হিসেবে ছত্রধরবাবু ও নিয়তিদেবী কর্মিসভায় এসেছিলেন।’’
জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার সময় ছত্রধর মাহাতোকে লালগড়ের তৃণমূলের নেতাকর্মীরা মোটর বাইক রেলী করে গ্রামে পৌঁছে দিয়েছিল। তারপরও ছত্রধর মাহাতো জানিয়েছিলেন আমি তৃণমূলে নেই। এরপর ধীরে ধীরে তৃণমূলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে তাকে দেখা যেতে শুরু করেছিল। তবে বুধবারই প্রকাশ্য সভামঞ্চে ছত্রধর দাঁড়িয়ে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের তৃণমূলে যোগদান করান।কিছুক্ষণ বক্তব্য রাখা ছাড়াও তৃণমূলের পতাকা তুলে দেন বিজেপি থেকে আগত লোকজনের হাতে। বিরোধীদের অভিযোগ শাসকদল ঘনিষ্ঠ হওয়ার কারণেই জেল থেকে বাইরে বের হতে পেরেছেন ছত্রধর মাহাতো। তার স্ত্রী নিয়তি মাহাতো শাসকদলের অনুকম্পাতেই সমাজকল্যাণ পর্ষদের পদে যোগ দিতে পেরেছেন। তৃণমূলে যোগ দেওয়া নিয়ে ছত্রধর কে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান"পরে এ বিষয়ে জানাবো।"
গোপীবল্লভপুর-১ পঞ্চায়েত সমিতির ক্ষমতায় রয়েছে বিজেপি। ব্লকের ৭টি গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে ৬টি বিজেপি-র দখলে। বুধবার বিকেলে গোপীবল্লভপুর এর গোপীকুঞ্জতে কর্মীসভার আয়োজন করেছিল তৃণমূল। ওই কর্মিসভায় ব্লকের সাতটি অঞ্চল তৃণমূলের সাতজন সভাপতি, ১০৪ টি বুথের কর্মীরা ছিলেন। এ দিন ছত্রধর ওই সভায় বলেন, ‘‘আছি মানুষের সঙ্গে আছি।’’ তৃণমূলের হারানো জমি ফেরাতে কর্মীদের সক্রিয় ভাবে কাজ করার পরামর্শ দেন ছত্রধর। ব্লক তৃণমূলের সভাপতি শঙ্করপ্রসাদ হাঁসদা বলেন, ‘‘আমন্ত্রিত হিসেবে ছত্রধরবাবু ও নিয়তিদেবী কর্মিসভায় এসেছিলেন।’’
জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার সময় ছত্রধর মাহাতোকে লালগড়ের তৃণমূলের নেতাকর্মীরা মোটর বাইক রেলী করে গ্রামে পৌঁছে দিয়েছিল। তারপরও ছত্রধর মাহাতো জানিয়েছিলেন আমি তৃণমূলে নেই। এরপর ধীরে ধীরে তৃণমূলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে তাকে দেখা যেতে শুরু করেছিল। তবে বুধবারই প্রকাশ্য সভামঞ্চে ছত্রধর দাঁড়িয়ে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের তৃণমূলে যোগদান করান।কিছুক্ষণ বক্তব্য রাখা ছাড়াও তৃণমূলের পতাকা তুলে দেন বিজেপি থেকে আগত লোকজনের হাতে। বিরোধীদের অভিযোগ শাসকদল ঘনিষ্ঠ হওয়ার কারণেই জেল থেকে বাইরে বের হতে পেরেছেন ছত্রধর মাহাতো। তার স্ত্রী নিয়তি মাহাতো শাসকদলের অনুকম্পাতেই সমাজকল্যাণ পর্ষদের পদে যোগ দিতে পেরেছেন। তৃণমূলে যোগ দেওয়া নিয়ে ছত্রধর কে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান"পরে এ বিষয়ে জানাবো।"


0 coment rios: