টিএমসি জাল পার্টি, ভুল তথ্য দিয়ে দিনরাত বাঁচার চেষ্টা করছে, নিউটাউনে বিস্ফোরক দিলীপ ঘোষ
শুক্রবার সকালে নিউটাউনের ইকোপার্কের প্রাতঃভ্রমণে এসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দেবাঞ্জন এর সিকিউরিটি রাজ্যপালের পিছনে দেখা গেছে সে প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, ওইটা একটা সিট গঠন করুক রাজ্য সরকার। কেন গেছে? এসব ব্যাপারে সিট গঠন হয়। রাজ্যপালের কাছে অনেকই যায়, সরকারের লোক যায়, বিভিন্ন রাজনৈতিক পার্টির লোকজন রায়, উনি কেন গেছেন, কবে কার ছবি আমিও জানিনা। এসব ব্যাপারে খোঁজ অবশ্যই করা উচিত। বাকি যার বাড়িতে গেছেন তারা সবার উত্তর দেবেন। এ ব্যাপারে বিজেপির দূর-দূরান্তে কোন সম্পর্ক নেই।
একটি লিস্টে জাগদীপ ধনকার নামের পাশে একটি অংক দেখা যাচ্ছে সেই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, টিএমসি কোন লিস্ট দেখাচ্ছে বা তথ্য দিচ্ছে কেউ বিশ্বাস করে? তাহলে দেবাঞ্জন এর যা যা লিস্ট দেখা যাচ্ছে তা সব মেনে নিতে হবে। টিএমসি একটি জাল পার্টি। তার তত্ত্ব কেউ বিশ্বাস করে না, তার পার্টির লোকেরা বিশ্বাস করে না,, সাধারণ মানুষ বিশ্বাস করে না। আদৌ রাজ্যপালের নামে কোন কেস হয়েছে কি। এরকম অনেক দর্জি ডাইরি বাইরে রয়েছে। আমাদের নেতাদের নামে এরকম অনেক এসেছে,তারা চ্যালেঞ্জ করেছে দেখা গেছে সব ভুয়ো। ভুয়ো পাটি ভুয়ো তত্ত্ব ভুয়ো নাম ভুয়ো অফিসার, সবই ভুয়ো. টিএমসি বাঁচার জন্য দিনরাত চেষ্টা করছে। দুর্নীতিতে ডুবে যাচ্ছে। এখন গভর্নরের পেছনে লেগে মিডিয়াতে বেঁচে আছে। নিজেদেরকে নির্দোষ প্রমাণ করার চেষ্টা করছে।
তৃণমূল রাজ্যপালের পিছনে পড়েছে কেন সেই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, কোন দল তার কোনো নীতি-আদর্শ না থাকে, তার সামনে কোনো লক্ষ্য না থাকলে, কোন ডেভলপমেন্ট নেই। 10 বছর কোন ভাবে চালিয়ে দিয়েছে। এখন ঘাড়ে চেপেছে। টাকাপয়সা কিছু নয় যা ইচ্ছা করছে, বলে দিচ্ছে মমতা ব্যানার্জি। এখন এমন গাড্ডায় পড়েছে, বাঁচার জায়গা নেই বলে গভর্নরের সঙ্গে লড়াই করে কোনমতে বেঁচে থাকার চেষ্টা হচ্ছে। যতদিন যাবে সরকারের অবস্থা আরো খারাপ হবে।
স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড সম্পর্কে দিলীপ ঘোষ বলেন,, হেলথ কার্ড হয়েছিল, স্বাস্থ্য সাথী কার্ড কোথায?় করণা হচ্ছে কজন সুবিধা পাচ্ছে? সব ভাওতা, সব লোক দেখানো। বাজেট ঘোষণা হয়ে গেছে টাকা নেই। সাময়িক কিছু ঘোষণা করে এরা মানুষকে খুশি করার চেষ্টা করে।
তৃণমূল জেতার পরেও বিজেপির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে ওরা করাপশন এ জড়িত , সেই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, সারদা কেস উঠেছিল ২০১৬ এর আগে। তাও টিএমসি জিতেছিল। তারমানে সারদা কেসটা মিথ্যা? কি নারোদা মিথ্যা? যাদের নেতা মন্ত্রীকে টিভি দেখতে পাচ্ছে টাকা নিচ্ছে, তাদের নামে দোষ হলো না, কোথায় ধনকর এর কোন কাগজে বা ডাইরিতে লেখা ছিলো, সেটা নিয়ে তুলকালাম হচ্ছে. মিডিয়ার সামনে একটা গাজর ঝুলিয়ে দেওয়া হলো সেটা নিয়ে দৌড়ানো হচ্ছে. যারা বান্ডিল বান্ডিল টাকা নিয়েছে, তাদেরকে কেন কেস দেওয়া হচ্ছে গ্রেফতার করা হচ্ছে, এ নিয়ে আন্দোলন হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর ধরনায় বসেছে। এই বিষয়টাকে তুলছে না। প্রমাণ করার দায়িত্ব সরকারের, সে অভিযোগ করছে। কেউ অভিযোগ করলে আমি প্রমাণ করার দায়ী নই। তারা প্রমাণ করুক এটা ওই ধনকর এর নাম। উনি টাকা নিয়েছেন তাই জন্য কোট আছে যাওয়া উচিত। কারণ গেলে ওখানে আসল মুখোশ টা খুলে যাবে, তাই সমস্ত মিডিয়া গরম করা হচ্ছে।


0 coment rios: