Monday, 7 June 2021

সল্টলেকে সাংবাদিকদের মুখোমুখি বিজেপি রাজ্য সম্পাদক

 অন্য রাজ্যে তৃণমূলের শক্তি বাড়ানোর জন্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যে কটাক্ষ সুরে বিধলেন বিজেপি রাজ্য সম্পাদক সায়ন্তন বসু

 অন্য রাজ্যে তৃণমূলের শক্তি বাড়ানোর জন্য এগোতে চাইছে তৃণমূল। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই মন্তব্যের পর সল্টলেকে সাংবাদিক সম্মুখে সায়ন্তন বসু কটাক্ষ সুরে বললেন, স্বপ্ন দেখার  কোন বাধা নেই, তাতে ট্যাক্সও লাগেনা, পয়সাও লাগে না। কিন্তু  ঝাড়খন্ড আর আসাম পৌঁছলে তৃণমূল কংগ্রেস কি কেউ বলতে পারবে না। কোনো রাজ্যে একজনও পঞ্চায়েত সদস্য নেই, কোথাও কোনো কাউন্সিলর কর্পোরেটর নেই, বিধায়ক সাংসদ তো ছেড়েই দিলাম। এতই যদি সহজে তো তাহলে পৃথিবীতে অনেক কিছু হয়ে যেত, বাস্তব আর স্বপ্নের মধ্যে অনেক পার্থক্য।


 পরিবার তন্ত্র নিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে সায়ন্তন বসু বলেন, উল্টা চোর তো কতুয়াল কো ডাটে. বিসিসিআই পোস্ট কি বিজেপি শাখা সংগঠন? স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর ছেলে যদি বিসিসিআই সভাপতি নির্বাচিত হন তাহলে তো দোষের কিছু নেই.সমস্যা তৃণমূলের প্রথমে একটাই পোস্ট ছিল, এখন দুটো পোস্ট হয়েছে বাকি সব ল্যাম্পপোস্ট.


 শুভেন্দু অধিকারীর প্রতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য প্রসঙ্গে সায়ন্তন বসু বলেন, কুৎসা ওনারা করছেন. বিরোধী দলনেতার নাকি ত্রিপল চুরি করেছে।অধিকারী পরিবারের এত দূরাবস্থা কি হয়েছে?যে ত্রিপল চুরি করতে হবে? তার কাছাকাছি যারা ছিলেন তাদের মিথ্যা  মামলায় দিয়ে হেনস্থা করা হচ্ছে। কুৎসা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূল করছে। শুভেন্দু অধিকারী এবং আমাদের পার্টি থেকে তো কোথাও কুৎসা হচ্ছে না। এই ধরনের মন্তব্য প্রমাণ করে কুৎসা তৃণমূল করছে।


 বিজেপির হার হজম হচ্ছে না বলে এসব করছে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই মন্তব্যের প্রসঙ্গে সায়ন্তন বসু বললেন বিজেপি ৩ জন বিধায়ক থেকে  ৭৭জন বিধায়ক হয়েছে।১০ শতাংশ ভোট থেকে ৩৮ শতাংশ ভোট, সেটা হার! পশ্চিমবঙ্গের 38 শতাংশ মানুষ বিজেপিকে ভোট দিয়েছে বলে তাদের বাঁচার অধিকার নেই? ভোটের পর এত অশান্তি এত অত্যাচার, দেশভাগের পর যেমন অশান্তি হয়েছিল, একই অত্যাচার হচ্ছে। আগে তার জবাব তৃণমূল কংগ্রেস দিক. অত্যাচার এর দায়ভার মমতা ব্যানার্জিকে নিতে হবে, এই সরকারকে নিতে হবে।

 রাজ্যপালের প্রতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রাজ্যপাল বিজেপির পক্ষে দাঁড়াচ্ছেন না, মানুষের পক্ষে দাঁড়াচ্ছেন. গোপালকৃষ্ণ গান্ধী যেমন মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন, এই রাজ্যপালও মানুষ এবং সংবিধানের পাশে দাঁড়িয়েছেন. বাংলায় আইন শৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে. ব্যাপকহারে রাজনৈতিক হিংসা চলছে. এর দায়িত্ব মুখ্যমন্ত্রীকে নিতে হবে।


শেয়ার করুন

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios: