শুক্রবার বলাগড় বিধানসভার শেরপুর মাঠে প্রকাশ্য সভা করলেন রাজ্যের পরিবহনমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এদিন বলাগড় শেরপুর আদর্শ তরুণ সংঘের পরিচালনায় এক শীতবস্ত্রের আয়োজন করা হয়। সেই অনুষ্ঠানে যোগদান করেন শুভেন্দু অধিকারী। এরপরে স্বামী বিবেকানন্দ ও বিদ্যাসাগরের ছবিতে মাল্যদান করেন। পরে স্থানীয় একটি রাধাকৃষ্ণ মন্দিরে গিয়ে পূজা দেন তিনি। হরিচাঁদ ও গুরুচাঁদ ঠাকুরের ছবিতে পুষ্প প্রদান করেন। পরে তাকে স্থানীয় ক্লাবের পক্ষ থেকে বিশেষ সম্বর্ধনা দেওয়া হয় তাকে। এদিন প্রায় কয়েক হাজার মানুষের হাতে শীতবস্ত্র তুলে দেন মন্ত্রী।
এদিন অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে দলীয় কোনো কথা না বললেও নাম না করে সাংসদ কল্যাণ ব্যানার্জীর উদ্দেশ্যে মানুষের দিকে প্রশ্ন ছুড়ে দেন যে যদি কোনো জনপ্রতিনিধি তাকে বা তার পরিবারকে অসম্মান করেন সেটা কি মানুষ মেনে নেবে।কারণ কিছুদিন আগে শুভেন্দু সম্পর্কে নাম না করে আলু বিক্রির কথা বলেছিলেন কল্যাণ ব্যানার্জী।এদিন শুভেন্দু বলেন সিপিএম সাংসদ অনিল বসু অধিকারী পরিবারকে নিয়ে বাজে কথা বলেছিলেন সেটা মানুষ মেনে নেয়নি।এখন বর্তমান জনপ্রতিনিধি কেউ শুভেন্দু বা তার পরিবার নিয়ে বাজে কথা বললে মানুষ সেটাও মেনে নেবে না।শুভেন্দু ঘনিষ্ঠদের সূত্রের খবর কল্যাণ ব্যানার্জী শুভেন্দুকে নাম না করে আলু বিক্রি করার বক্তব্যের এদিন কল্যাণ ব্যানার্জীর নাম না করেই জবাব দিলেন শুভেন্দু অধিকারী।
এদিন সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে নারী শক্তির কথাও শোনা যায় শুভেন্দুর গলায়। পাশাপাশি ডুমুরদহ নিত্যানন্দপুর এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান শ্যামাপ্রসাদ রায় ব্যানার্জি বলাগড়ের বিধায়ক প্রসঙ্গে তিনি বলেন মানুষের পরিষেবা সে চায় না। মানুষকে নিয়ে কাজ করতে চায় না, কিছু মুষ্টিমেয় লোককে নিয়ে কাজ করেন তিনি। তাই তিনি এরকম জনসেবা মূলক কাজ কর্মের অনুষ্ঠানে তিনি নেই। ভোট আসলে কর্মীদের কথা মনে পড়ে ভোট চলে গেলে তিনি সব বলে কটাক্ষ করলেন বিধায়ক কে। এছাড়াও নবনিযুক্ত ব্লক সভাপতি কে প্রতিবন্ধী বলার পাশাপাশি বিধায়ক কাধে করে সব জায়গায় নিয়ে যায়, না নিয়ে গেলে তিনি চলতে পারেন না, তার কোন নিজস্ব কোন কর্মী নেই বলে কটাক্ষ করলেন ব্লক সভাপতি।




0 coment rios: