সরস্বতী নদী। এই নদী সংস্কারে হাত দিল প্রশাসন। ত্রিবেনীর কাছ থেকে বিযুক্ত হয়ে সরস্বতী নদী ক্রমশঃ দক্ষিন দিকে সপ্তগ্রাম, দেবানন্দপুর, সিমলার ওপর দিয় চন্দননগরকে পাশে ফেলে চন্ডীতলার ওপর দিয়ে হাওড়া জেলায় প্রবেশ করেছে। সখান থেকে আন্দুলের মাঝখান দিয়ে বেতড়ের নীচে ও সাঁকরাইল এর পাশ দিয়ে হুগলী নদীতে পড়েছে। ষোড়শ শতাব্দীর মাঝামাঝি থেকেই সরস্বতী নদীতে জলধারা কমতে শুরু করে।
ফলে নদীটি বুজে গিয়ে কোথাও নালা আবার কোথাও অস্তিত্ব পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে কনক্রিটের আক্রমণে ঘন জনবসতির কারণে। নদীতে জল না থাকায় কৃষিকাজ ব্যাহত হতে থাকে। অথচ সপ্তগ্রামের উদয় ও অস্তের সঙ্গে জড়িয়ে রহেছে এই সরস্বতীর নাম। সরস শব্দের অর্থ জলপূর্ণ স্হান। সরস্বতী যে বেগবতী তা আমরা অতীতের ইতিহাস থেকে পেয়ে থাকি। আর এই নদী দিয়েই পর্তুগীজ জাহাজ তোলপাড় করেছে।
এই নদীকে খনন করে বাণিজ্য তরী হয়তো চলবে না, কিন্তু কৃষিকাজ, নৌকায় দ্রব্য পরিবহন, বন্যার জল ধরে রেখে বন্যা নিয়ন্ত্রনে সাহায্য করতেই প্রশাসনের এই উদ্যোগ। দেবানন্দপুর এলাকায় নদী খননের কাজ শেষ করে চুচু্ঁড়া থানার সিমলা গ্রামে চলছে এই কাজ। এই কাজকে নদীর পাশাপাশি গ্রামের মানুষরা বেশ ভালো চোখেই দেখছে এজন্যই খননকাজ দেখার জমায়েতই এ কথা প্রমাণ করে।




0 coment rios: