বাংলার প্রত্যেক মানুষ স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পের সুবিধা পাবে, মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণার পরেই তা বাস্তবায়িত করতে বারাসাত চাপাডালি মোড়ে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে সাংবাদিক বৈঠক করলেন উত্তর 24 পরগনার দুই মুখপাত্র রথীন ঘোষ ও সুনীল মুখার্জী।এদিন সাংবাদিক বৈঠকে রথীন ঘোষ জানালেন, পশ্চিমবঙ্গের সকল নাগরিকরা যাতে এই প্রকল্পের আওতায় আসতে পারেন তার জন্যই এই পরিকল্পনা করা হয়েছে।এই প্রকল্পের নাম অন্তর্ভুক্ত করার জন্য পশ্চিমবঙ্গ সরকার দুয়ারে দুয়ারে প্রকল্প এনেছেন, যারা এই প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত হন নি তারা তাদের নাম অন্তর্ভুক্ত করতে পারবেন।এবারের বিশেষত্বটি হচ্ছে, পরিবারে যে স্ত্রীরা রয়েছেন তাদের নামে প্রকল্প টি হবে এবং প্রকল্পের কার্ডটি প্রথম তিনিই বেনিফিসারী হবেন এবং যে ক্যাশলেস 5 লক্ষ টাকা বলা হয়েছে, তার সুবিধা সমগ্র পরিবার পাবে।অর্থাৎ পরিবারভিত্তিক 5 লক্ষ টাকা ক্যাশলেস বেনিফিসারী রা পাবে।
পশ্চিমবঙ্গের সরকারি বেসরকারি হাসপাতাল ও নার্সিংহোম ছাড়াও এইমস ও ভেলোরেও চিকিৎসা করার সুযোগ এই স্বাস্থ্য সাথী কার্ড এর মাধ্যমে পাবেন । এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে তৃণমূলের অপর মুখপাত্র তথা বারাসাত পৌরসভার মুখ্য প্রশাসক সুনীল মুখোপাধ্যায় জানান আমি যেটা প্রথমে চিন্তাভাবনা করেছি ব্যক্তিগতভাবে এবং একজন মুখ্য প্রশাসক হিসাবে আমি আপনাদের বলতে চাই যে বারাসাত পৌরসভার অধীনে যে সমস্ত সাংবাদিকরা বসবাস করেন যাদের অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড নেই অথচ তাদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে হয় প্রতিদিন। অর্থাৎ অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড না থাকার কারণে যারা রাজ্য সরকারের দেওয়া মাভৈঃ স্বাস্থ্য বীমার সুযোগ পান না। তাদের জন্য বারাসাত পৌরসভার তরফ থেকে ওয়ারকিং জারনালিস্ট দের জন্য আমরা বিশেষভাবে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড ইসুু করবো। স্থায়ী কিংবা অস্থায়ীভাবে যেসব সাংবাদিক ও চিত্র সাংবাদিক বন্ধুরা বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে, ছোট-বড় পত্রিকায় এবং পোর্টালে কর্মরত, তাদের আমরা স্বাস্থ্য সাথী কার্ড করে দেব। এই স্বাস্থ্য সাথী কার্ড এর সাহায্যে তারা তাদের পরিবারের সদস্যদের বিনামূল্যে বড় বড় সিলেক্টেড নার্সিংহোমে চিকিৎসা করাতে পারবেন।
পৌরসভায় এমনি যা কাজ হচ্ছে তার সাথে সাংবাদিকদের স্বাস্থ্য সাথী কার্ড করার জন্য তারা একজন নির্দিষ্ট অফিসার তাদের জন্য থাকবে ।তার কাছেই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেবেন আপনারা। দায়িত্বপ্রাপ্ত সেই অফিসার আপনাদের সাহায্য করবে সব রকম এই স্বাস্থ্য সাথী কার্ড করবার ক্ষেত্রে। আমি সমস্ত সাংবাদিক বন্ধুদের কাছে আবেদন রাখবো তারা এই সরকারি যে স্বাস্থ্য বীমা কার্ড রয়েছে সেটা তারা সাদরে গ্রহণ করবেন এবং পরিবারের মুখে একটু হলেও হাসি ফোটাবেন। আমি আমার সতীর্থ রথীন কেউ আবেদন জানাব তিনিও যাতে তার পৌরসভা এলাকায় যে সমস্ত সাংবাদিক বন্ধুরা থাকেন তাদের এই স্বাস্থ্য সাথী কার্ড যাতে দেওয়া যায় সেটা নিয়ে চিন্তাভাবনা কর বার জন্য। পাশাপাশি উত্তর 24 পরগনার জেলার সমস্ত পৌরসভা ও পঞ্চায়েত প্রধানদের কাছেও আমার এই আবেদন রইল। কারণ রোদ বৃষ্টি ঝড় জল গুলি-বোমা সব উপেক্ষা করে সাংবাদিক বন্ধুরা প্রকৃত ঘটনা তাদের নিজস্ব সংবাদ মাধ্যমে তুলে ধরেন। এ রাজ্যের উন্নয়নের খবর তারা প্রচার করেন তাই তাদের পাশে ও আমাদের দাঁড়ানো উচিত বলে আমি মনে করি।




0 coment rios: