ইতিমধ্যেই মহানন্দার জলে দুই পৌরসভা এলাকায় অর্থাৎ মহানন্দা তীরবর্তী পুরাতন মালদা পৌরসভার ৮ ও ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের বেশকিছু অঞ্চলের বসতবাড়িতে জল ঢুকে গিয়েছে। যদিও এলাকাবাসীরা নিজেদের উদ্যোগে তারা নিজেরাই উঁচু স্থানে সরে এসেছেন। পুরাতন মালদা পৌরসভা প্রশাসক কার্তিক ঘোষ জানান আমরা জলমগ্ন এলাকাগুলিতে গিয়ে মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করছি এমনকি তাদেরকে উদ্ধার করে স্কুলে ও অনুষ্ঠান বাড়িতে ত্রাণ শিবির খুলে রাখা হয়েছে। তাদের খাবার দাবার,ওষুধ পত্র সহ সব রকম ত্রাণের ব্যবস্থাও করা হয়েছে। ইংরেজবাজার পৌরসভা এলাকার নদী তীরবর্তী বসতবাড়ি ডুবে গেলে সেখানে প্রশাসনিক কোনো সহযোগিতা মিলছে না বলে এলাকার বাসিন্দারা অভিযোগ করেন।গাজলের চাকনগর এলাকার কদুবাড়িতে পুনর্ভবা নদীর তীব্র জলের স্রোতে অস্থায়ী বাঁধ ভেঙে যায়। ফলে সেখানেও বেশ কয়েকটি গ্রাম ও চাষের জমি জলমগ্ন হয়ে গিয়েছে। যদিও গ্রামবাসীদের অভিযোগ জলমগ্ন এলাকায় বাধ্য হয়ে তাদের বসবাস করতে হচ্ছে। সরকারি কোন সাহায্য বা জনপ্রতিনিধিরা এখনো পর্যন্ত তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেনি। স্বাভাবিক ভাবে এলাকায় বাড়ছে ক্ষোভ ও উত্তেজনা। এই পরিস্থিতিতে চাকনগর এলাকায় প্লাবিত মানুষদের সঙ্গে দেখা করেন রাজ্যসভার সাংসদ মৌসম বেনজির নূর। অন্যদিকে জেলা বিজেপির সহ-সভাপতি জয় গঙ্গুলি বলেন, জেলার প্রধান নদী গুলির জল ব্যাপক হারে বৃদ্ধির কারণে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে এই পরিস্থিতিতে সেচ দপ্তর ও প্রশাসনকে বলব পর্যাপ্ত ত্রাণের ব্যবস্থা করতে। নাহলে বন্যা দুর্গত মানুষের দুরবস্থা চরম অবস্থায় পৌঁছবে।
মালদায় ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি, ৫ নদীতে জলস্তর বৃদ্ধি পাওয়ায় জারি করা হলো লাল সতর্কবার্তা
মালদার মহানন্দা নদীতে ও সংরক্ষিত এলাকায় জারি করা হলো চরম লাল সর্তকতা। জেলার মূল নদীগুলিতে বাড়ছে জল। ইতিমধ্যে গঙ্গা ও ফুলহার নদীতে জল বৃদ্ধির কারণে অসংরক্ষিত এলাকায় হলুদ সর্তকতা জারি করা হয়েছে।অন্যদিকে মালদা জেলার গাজোলের চাকনগরের পুনর্ভবা ও হবিবপুরের টাঙ্গন নদীর জল স্তর বৃদ্ধি হচ্ছে ক্রমশ । এই পরিস্থিতিতে গাজোলে জলমগ্ন এলাকা পরিদর্শন করলেন জেলা তৃণমূল নেত্রী তথা রাজ্যসভার সাংসদ মৌসম বেনজির নূর। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে উত্তরবঙ্গে টানা বৃষ্টির কারণে প্রত্যেকদিন হু হু করে জল বাড়ছে মালদা মহানন্দা পুনর্ভবা,টাঙ্গন নদীতে । আবার গঙ্গা, ফুলহার নদীতেও জলবৃদ্ধির কারনে বন্যার চেহারা নিয়েছে নদী তীরবর্তী ব্লকগুলো।



0 coment rios: