জানা গিয়েছে, গোটা ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানিয়ে বৃহস্পতিবার চিঠিতে রাজ্যপাল লেখেন, নিয়মের অনুশাসন শিথিল করে ২,০০০ কোটি টাকা রাজ্য সরকারের তহবিল থেকে খরচ করা হয়েছে। ‘দুর্নীতি’র তদন্তে গঠিত কমিটি প্রসঙ্গে তাঁর বক্তব্য, “করোনা চিকিৎসার সরঞ্জামের ফরমায়েস দিয়েছিলেন প্রধান সচিবই। তাই তাঁর নেতৃত্বাধীন তদন্ত কমিটির অনুসন্ধান প্রক্রিয়ায় স্বার্থজনিত প্রভাব পড়তে বাধ্য।” তাই সরকারের এই অনুসন্ধান মিথ্যে ও বিশ্বাসযোগ্য নয় বলেই দাবি রাজ্যপালের।
রাজ্যপালের চিঠির জবাব দিয়েছে রাজ্য। বলা হয়েছে, করোনা চিকিৎসার সরঞ্জাম কেনার বিষয়টি রাজ্যের অভ্যন্তরীণ বিষয়। যা বিচার বিভাগীয় তদন্তের এক্তিয়ারের বাইরে। ধনকড়ের এই চিঠি ও টুইট প্রসঙ্গে এক তৃণমূল সাংসদ বলেন, “রাজ্যপালের এধরণের আচরণ সমস্যা তৈরি করছে।”




0 coment rios: