.বলিউড নায়কদের গায়ে ইন্ডিয়ান আর্মির উর্দি, চোখে জল আনা দেশপ্রেমের গল্প, আবেগ-ইমোশন দিয়ে পর্দায় বাজিমাত! তবে এবার থেকে ভারতীয় সেনাদের নিয়ে চাইলেই আর ছবি তৈরি করতে পারবেন না বলিউড প্রযোজকরা। তার আগে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের থেকে ছাড়পত্র আদায় করা আবশ্যক। ‘নো অবজেকশন’ সার্টিফেকট ছাড়া রিলিজ করা যাবে না সিনেমা। এবার এরকমই কড়া নির্দেশিকা জারি করা হল প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে। ইতিমধ্যেই এই মর্মে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে সিবিএফসির কাছে। (Central Board of Film Certification)
বর্ডার, এলওসি, উড়ি থেকে শুরু করে এযাবৎকাল বহু বলিউড সিনেমাতেই ভারতীয় সেনা জওয়ানদের লড়াকু কাহিনি উঠে এসেছে। একাধিক ছবি বাণিজ্যিকভাবে সফলও হয়েছে। কখনও ছবির প্রেক্ষিত ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ, একাত্তরের ঘটনা কিংবা কারগিল, আবার কখনও বা উড়ির সার্জিক্যাল স্ট্রাইক, অশান্ত কাশ্মীরের ঘটনা উঠে এসেছে সিনেমার গল্পে। পর্দায় যা দেখে দেশপ্রেমের আবেগে ভেসে গিয়েছেন দর্শকরা। সমীক্ষা অনুযায়ী, ভারতীয় সেনার কাহিনি নেপথ্যে এযাবৎকাল বলিউডে প্রায় পঞ্চাশেক ছবি তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি গালওয়ান সীমান্তে ইন্দো-চিন সংঘর্ষ নিয়ে ছবি তৈরির কথা ঘোষণা করেছেন অজয় দেবগনও। তবে এবার থেকে চাইলেই আর ভারতীয় সেনাকে উপজীব্য করে চিত্রনাট্য বাঁধতে পারবেন না পরিচালক-প্রযোজকরা।
শুধু সিনেমাই নয়, তথ্যচিত্র এমনকী ওয়েব সিরিজের ক্ষেত্রেও এই নিয়ম মেনে চলতে হবে। শুক্রবার এই মর্মে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে একটি নির্দেশিকা জারি হয়েছে। ছবির পর্দায় যাতে কোনওভাবে ভারতীয় সেনাকে বিকৃত করে কোনও তথ্য তুলে না ধরা হয়, তা নিশ্চিত করতেই প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের এই সিদ্ধান্ত।ছবির নির্মাতাদের উদ্দেশে বলা হয়েছে, ভবিষ্যতে ভারতীয় সেনাকে থিম করে সিনেমা, তথ্যচিত্র বা ওয়েবসিরিজ তৈরি হলে, বাণিজ্যিকভাবে রিলিজের আগে তা প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের কাছে জমা দিতে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রক যদি মনে করে, আপত্তিজনক কিছু নেই, তবেই মিলবে ‘নো অবজেকশন’ সার্টিফিকেট। যেটা ছাড়া বাণিজ্যিকভাবে আটকে যাবে সিনেমা, ওয়েব সিরিজের মুক্তি।


0 coment rios: