করোনা আবহে নতুন সংকটে মিড ডে মিলের রাধুনী রা। গত মার্চ মাস থেকে তাদের মিলছেনা মাসিক ভাতা। সামান্য এই উপার্জনে যাদের সংসার চলে তারা এখন নিরুপায় হয়ে ঘরে বসে। লকডাউন এর কারণে স্কুল কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় সবই প্রায় বন্ধ। ছাত্র-ছাত্রীর আনাগোনা না থাকায় প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুলগুলিতে মিড ডে মিলের রান্না বন্ধ। মার্চ মাস থেকে তাই মিলছে না তাদের বেতন।
শুক্রবার সেই বেতন আদায়ের দাবিতে কয়েক শ রাধুনী ও সহায়িকা জেলাশাসকের দপ্তরে বকেয়া বেতনের দাবিতে স্মারকলিপি জমা দেন। তাদের অভিযোগ বারাসাত পৌরসভা এলাকার এবং তার বাইরের বিস্তীর্ণ অঞ্চল এর অবস্থা একই। অবিলম্বে বকেয়া বেতন না দিলে তারা বৃহত্তর আন্দোলনের হুমকি দেন। পুরসভাও পঞ্চায়েতের মাধ্যমে সাধারণত সহায়-সম্বলহীন মহিলাদেরই এই রাঁধুনির কাজের সুযোগ পেয়েছিলেন। মাসে 1000 টাকা করে তাদের সান্মানিক মিলত। কিন্তু বিগত ছয় মাস ধরে সেই টাকা বন্ধ। ফলে চরম আর্থিক সঙ্কটে মহিলারা।
এদিন জেলাশাসকের দপ্তরে তাদের বেতন বৃদ্ধি ও বকেয়া বেতনসহ 6 দফা দাবিতে একটি স্মারকলিপি জমা দেয়া হয়। তার আগে বিশাল মিছিল করে তারা জেলাশাসকের দপ্তরে জমায়েত হন। জেলাশাসকের দপ্তর সূত্রে অবশ্য তাদের স্মারকলিপি গ্রহণের স্বীকারোক্তি তে জানানো হয় যে তাদের অভিযোগ উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে। তবে কবে তারা এই বকেয়া বেতন বা বেতন বৃদ্ধির সুযোগ পাবেন তা এক প্রকার অনিশ্চিত।



0 coment rios: