এদিকে আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই বিমল বাবুর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটতে থাকে। শুরু হয় শ্বাসকষ্ট। সেই দেখে বিমল বাবু স্ত্রী কাসেম পুর গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে ফোন করেন । কিন্তু সেখান থেকে তেমন সাহায্য না পেয়ে অগত্যা স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যের দ্বারস্থ হন। স্থানীয় বাসিন্দা দেবেশ অধিকারী নামে এক ব্যক্তির সহায়তায় করণা রোগী সন্দেহে স্বাস্থ্য দপ্তরের অ্যাম্বুলেন্স আনার চেষ্টা করেন । কিন্তু নিয়ম-নীতির জটিল বেড়াজাল পেরিয়ে দু'ঘণ্টা পর স্বাস্থ্য দপ্তরের করণা স্পেশাল অ্যাম্বুলেন্স পৌঁছায় বিমল বাবুর গ্রামে। কিন্তু ততক্ষণে সবশেষ। রাস্তাঘাট জলে ডোবার থাকায় অ্যাম্বুলেন্স পৌছতে পারবেনা বিমল বাবুর বাড়িতে। তাই আগে থেকেই মরণাপন্ন বিমল বাবুকে তার স্ত্রী হাটিয়ে হাটিয়ে আনতে থাকে অ্যাম্বুলেন্স এর কাছে। কিন্তু তার আর শেষ রক্ষা হলো না। পথেই মারা যান বছর 55 এর বিমল সানি।
মারা যাবার পর প্রায় দু'ঘণ্টা বিমল সানির মৃতদেহ পড়ে থাকে রাস্তাতেই। গ্রামবাসীদের অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ থাকলেও সব জায়গায় পৌঁছেছে না সঠিক স্বাস্থ্যপরিসেবা। যার ফলে মরতে হচ্ছে বিমল সানিদের। অথচ যে করোনা সন্দেহে বিমল বাবু কে কোন গ্রামবাসী স্পর্শ করেনি। মানবিকতার খাতিরে তুলে নিয়ে যায়নি হাসপাতলে।সেই বিমল বাবুর করোনা রিপোর্ট বৃহস্পতিবার বিকেলে এসে পৌঁছায় তার বাড়িতে। সেখানে উল্লেখ রয়েছে বিমল সানির করোনা হয়নি। এর পরেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন বিমল সানির পরিবার ও গ্রামবাসীরা। স্বাস্থ্য দপ্তরের গাফিলতি ও সাধারন রোগীর চিকিৎসার ক্ষেত্রে জটিল পদ্ধতির তীব্র প্রতিবাদ জানান।




0 coment rios: