* যদি কোনও কারণে খুব উদ্বেগে, চিন্তাগ্রস্ত হয়ে থাকেন, তাহলে খিদে কমে যেতে পারে। কারণ উদ্বেগ আমাদের শরীরে এমন কিছু হরমোন নিঃস্বরণ করে, যার ফলে খাবার হজম হতে দেরি হয় এবং স্বাভাবিক ভাবে খিদেও সহজে পায় না।
* অবসাদগ্রস্ত হয়ে থাকলেও সহজে খিদে পেতে চায় না। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে যে যারা অবসাদগ্রস্ত, তাঁদের মস্তিষ্কের কোনও কোনও অংশ ভিন্ন ভাবে কাজ করে। এই কারণেই প্রভাব পড়ে খিদের অনুভূতির ওপর।
* কোনও কারণ মানসিক চাপে থাকলে তার প্রভাব অ্যাপেটাইটের ওপর পড়তে পারে। কারোর কারোর ক্ষেত্রে অবশ্য স্ট্রেসের কারণে খিদে বেড়ে যায়। তবে সাধারণত দেখা যায় স্ট্রেসের কারণে খাওয়ার ইচ্ছে চলে যায়।
* শারীরিক অসুস্থতা থাকলেও কিছু খেতে ইচ্ছে করে না। বিশেষ করে সর্দি-কাশি-জ্বর হলে
খিদে পাওয়ার প্রবণতা অনেকটাই কমে যায়। সর্দি হলে নাক বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কোনও খাবারের
গন্ধও পাওয়া যায় না। খাবারের গন্ধ পাওয়া অ্যাপেটাইট জাগার একটা বড় মাধ্যম।
* গর্ভাবস্থায় অনেক মহিলার খিদে কমে যায়। আবার অনেকের কোনও কোনও খাবারের প্রতি নিরাসক্তি
আসে। এমনকি সেই খাবার খেলে বমি পর্যন্ত হয়ে যেতে পারে।
* অনেক
সময় ওষুধ সাইড এফেক্টেও খাওয়ার ইচ্ছে চলে যায়। কোনও ওষুধের প্রভাবে খিদে কমে যেতে পারে।
ক্যানসারের মতো অসুখের ক্ষেত্রে রেডিয়েশন এবং কেমোথেরাপি চললেও খাওয়ার ইচ্ছে চলে যায়।


0 coment rios: