Sunday, 12 July 2020

দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকলেও খিদে অনুভূতি হচ্ছে না? অবশ্যই চিন্তার কারণ..

খিদে না পাওয়ার একটা বিশেষ কারণ হতে পারে। কিন্তু দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকার পরেও খিদে না পাওয়া একটা চিন্তার বিষয়। অনেক কারণেই খিদে না পেতে পারে। আমরা যা খাই, তাই আমাদের শরীরকে শক্তি যোগায়, সচল রাখে। তাই নির্দিষ্ট সময় অন্তর শরীরকে খাবার দেওয়া প্রয়োজন। এর পরেও যদি না খেয়ে থাকা হয় তাহলে শরীর ক্লান্ত-অবসন্ন হয়ে পড়ে এবং ধীরে ধীরে অসুস্থতা আমাদের গ্রাস করে। কিন্তু যদি দেখা যায়, দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকলেও খিদে অনুভূতি হচ্ছে না, তাহলে তা উদ্বেগের বিষয় হতে পারে। কারণ ক্ষুধার অনুভূতি না থাকা গুরুতর শারীরিক সমস্যার পূর্বাভাস হতে পারে অথবা এটা মানসিক চাপের কারণও হতে পারে। দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে খাকলেও খিদে না পাওয়ার পেছনে যে সব কারণ কাজ করতে পারে, তার একটা তালিকা তৈরি করে দেওয়া হল।

* যদি কোনও কারণে খুব উদ্বেগে, চিন্তাগ্রস্ত হয়ে থাকেন, তাহলে খিদে কমে যেতে পারে। কারণ উদ্বেগ আমাদের শরীরে এমন কিছু হরমোন নিঃস্বরণ করে, যার ফলে খাবার হজম হতে দেরি হয় এবং স্বাভাবিক ভাবে খিদেও সহজে পায় না।

* অবসাদগ্রস্ত হয়ে থাকলেও সহজে খিদে পেতে চায় না। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে যে যারা অবসাদগ্রস্ত, তাঁদের মস্তিষ্কের কোনও কোনও অংশ ভিন্ন ভাবে কাজ করে। এই কারণেই প্রভাব পড়ে খিদের অনুভূতির ওপর।
* কোনও কারণ মানসিক চাপে থাকলে তার প্রভাব অ্যাপেটাইটের ওপর পড়তে পারে। কারোর কারোর ক্ষেত্রে অবশ্য স্ট্রেসের কারণে খিদে বেড়ে যায়। তবে সাধারণত দেখা যায় স্ট্রেসের কারণে খাওয়ার ইচ্ছে চলে যায়।


* শারীরিক অসুস্থতা থাকলেও কিছু খেতে ইচ্ছে করে না। বিশেষ করে সর্দি-কাশি-জ্বর হলে খিদে পাওয়ার প্রবণতা অনেকটাই কমে যায়। সর্দি হলে নাক বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কোনও খাবারের গন্ধও পাওয়া যায় না। খাবারের গন্ধ পাওয়া অ্যাপেটাইট জাগার একটা বড় মাধ্যম।

* গর্ভাবস্থায় অনেক মহিলার খিদে কমে যায়। আবার অনেকের কোনও কোনও খাবারের প্রতি নিরাসক্তি আসে। এমনকি সেই খাবার খেলে বমি পর্যন্ত হয়ে যেতে পারে।
* অনেক সময় ওষুধ সাইড এফেক্টেও খাওয়ার ইচ্ছে চলে যায়। কোনও ওষুধের প্রভাবে খিদে কমে যেতে পারে। ক্যানসারের মতো অসুখের ক্ষেত্রে রেডিয়েশন এবং কেমোথেরাপি চললেও খাওয়ার ইচ্ছে চলে যায়।

শেয়ার করুন

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios: