Saturday, 11 July 2020

কি কি উপায়ে ক্যাফিন আপনার শরীরে প্রবেশ করতে পারে!

অনেকেরেই জীবনযাপনের পদ্ধতির সাথে ক্যাফিনের ব্যবহার বিশেষ ভাবে জড়িয়ে আছে। এমন অনেকেই আছে যারা কর্মব্যস্ততার মধ্যে চা বা কফির কাপে চুমুক দিতে খুব পছন্দ করেন। সে রাত জেগে কোনও কাজ শেষ করার সঙ্গী হোক অথবা ভোরবেলা উঠে ঘুম কাটানোর উপায় বা অসময় মাথা ব্যাথার সমস্যা দূর করার জন্য অথবা এনার্জি বাড়ানোর পাশাপাশি কনসেনট্রেশনের ক্ষমতা  বৃদ্ধিতেও উপকার করে থাকে। প্রায় সব ক্ষেত্রেই কফি বিশেষ ভাবে উপকার করে। কিন্তু ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) মতে একজন প্রাপ্তবয়স্কের দিনে ৪০০মিলির বেশি কফি খাওয়া একেবারেই স্বাস্থ্যকর নয় এবং দিনে দুই থেকে তিন কাপ কফি সাস্থের জন্য যথাযথ। ক্যাফেনের প্রধান সোর্স কফি এ বিষয় প্রায় সবারই ধারনা আছে। কিন্তু জানেন কি রোজ এমন অনেক খাবারই আমরা খেয়ে থাকি, যাতে যথেষ্ট পরিমাণে ক্যাফেন মজুত থাকে। রইল এমনই ৬টি খাবারের হদিশ...

                           
কফি বীজ: ক্যাফিনের একটি প্রধান উৎস হল কফি। ১০০ গ্রাম কফির মধ্যে প্রায় ৪০ মিলিগ্রাম ক্যাফিন থাকে। কফি মানুষের শরীরে ক্লান্তি দূর  করতে এবং শক্তির মাত্রা বাড়াতে সহায়তা করে।এক কাপ কফিতে প্রায় ৯৫ মিলিগ্রাম ক্যাফিন থাকতে পারে। দিনে দুই থেকে তিন কাপ কফি সাস্থের জন্য যথাযথ।

চকোলেট: কোকো বিনস-এ প্রাকৃতিক ক্যাফিন থাকে। ফলে আপনার পছন্দের চকোলেটেও যথেষ্ট পরিমাণে ক্যাফিন আছে। মিল্ক চকোলেটে ক্যাফিনের পরিমাণ কম থাকলেও, ডার্ক চকোলেটে ১০ মিলিগ্রামের বেশি ক্যাফিন মজুত থাকে। এমনকি চকোলেট আইসক্রিমেও থাকে ক্যাফিন।


সফ্ট ড্রিংকস: বিভিন্ন রকমের সফ্ট ড্রিংকসেও থাকে প্রচুর পরিমাণে ক্যাফিন। বোতল পিছু ২৩ থেকে ৪১ মিলিগ্রাম ক্যাফিন থাকে। এমনকি জিমের ওয়র্কআউট সেশনের পর যে এনার্জি ড্রিংকের বোতলে চুমুক দেন সেটিও ক্যাফিন ফ্রি নয় মোটেই।
আইস টি: শুধু কফি নয়, চায়েও থাকে অল্প পরিমাণে ক্যাফিন। এমনকি আপনার পছন্দের ফ্লেভারড আইস-টিতেও রয়েছে ক্যাফিন। প্রতি ৫০০ মিলি-তে প্রায় ৪২ মিলিগ্রাম ক্যাফিন থাকে।
পেনকিলার: সামান্য মাথা ব্যাথা অথবা জয়েন্টে ব্যাথা হলেও আমরা পেইনকিলার খেয়ে থাকি। অনেক সময়ে ডাক্তারের পরামর্শ না নিয়েই। কিন্তু একটা কথা হয়তো জানেন না, এই সব পেনকিলারেও থাকে ক্যাফিন। গবেষণায় দেখা গিয়েছে সামান্য পরিমাণে ক্যাফিন ব্যাথা দ্রুত কমাতে সাহায্য করে। এরই ভিত্তিতে পেনকিলারে ক্যাফেন যোগ করা হয়।

মাউথ ফ্রেশনার: চ্যুয়িং গাম বা বিভিন্ন রকমের মাউথ রিফ্রেশিং গাম প্রায়ই চিবোন? তা হলে জেনে রাখুন এতেও রয়েছে ক্যাফিন। কিছু কিছু ব্র্যান্ডে চ্যুয়িং গামে যে পরিমাণে ক্যাফিন থাকে তা এক কাপ কফির সমতূল্য। পরের বার কোনও মাউথ রিফ্রেশিং গাম কেনার আগে একবার লেবেল ভালো করে দেখে নেবেন।

শেয়ার করুন

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios: