বিধান নগর পৌর নিগম এলাকায় দিনের পর দিন বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। করোনা নিয়ে বিধাননগরবাসীকে সচেতন করতে এগিয়ে এলো বিধাননগর কর্পোরেশন।এই সময় কি করা উচিত কি করা উচিত নয় সেই বিষয় সোশ্যাল মিডিয়ায় সরাসরি সম্প্রচারের মাধ্যমে বিশিষ্ট ডাক্তারদের মতামত পৌঁছে দেওয়া হলো বিধান নগর বাসীদের কাছে।এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ডাক্তার শ্যামাসিস ব্যানার্জী, সৃজিত ঘোষ ও শিবব্রত ব্যানার্জী।উপস্থিত ছিলেন বিধান নগর পৌর নিগমের মেয়র, ডেপুটি মেয়র চেয়ারপারসন ও কয়েকজন কাউন্সিলর।এই ডাক্তার দের বক্তব্য কাউন্সিলর দের কাছে পাঠানো হবে তাদের এলাকার জন্য।
শ্যামাসিস ব্যানার্জী বলেন.........
এই মুহূর্তে মানুষের প্রধান কাজ যাদের দরকার নেই তাদের বাড়ির বাইরে না বেরোনো।যাদের দরকার তারা মাস্ক পরে স্যানিটাইজার নিয়ে বাইরে বেরোনো।সেভ ডিস্টেন্স বজায় রাখা।
শিবব্রত ব্যানার্জী জানান........
রিপোর্ট আসতে দেরি হচ্ছে তার কারণ আমাদের কোথাও কোথাও সমন্বয়ের অভাব হচ্ছে ।আমরা যখন আর্টি পিসিআর এর ফর্ম ফিলাপ করি তখন একটা ওটিপি পেসেন্টার কাছে যায় ।কিন্তু বিভিন্ন কারণে পেসেন্টার কাছ থেকে আমাদের পেতে অসুবিধা হয়।সেই সময় এই মিথট টাকে আমরা স্কিপ করি ।এই মিথট স্কিপ করলে পেসেন্টের কমিউনিকেশন করতে অসুবিধা হয়।সেই জন্য রিপোর্ট আসার পরে তাদের কাছে যেতে সময় লেগে যাচ্ছে।আমি বিশ্বাস করি না মারধর করে ফাইন করে খুব বেশি কিছু করা যায়।
মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তী জানান.......
আবদার আদর ভালোবাসা দিয়ে আপন করতে পারবো আমাদের বিধান নগর এটা আমার বিশ্বাস।আইন করে সব সময় সব কিছু হয় না।আমি বিশ্বাস করি ভালোবাসা আবদার অভিজ্ঞতা কাজ দেয়।লকডাউন আমরা বাড়াতে পারি না স্বাস্থ্য দফতর পুলিশ তারা দেখে যদি মনে করেন বারবার প্রয়োজন তবে বাড়াতে পারে।


0 coment rios: