মহারাষ্ট্রের পুনের হ হ্যাডস্পার এলাকার রাস্তায় বেরোলে 85 বছরের বৃদ্ধা সান্তা বালু পাওয়ারকে দেখা যায় দুই হাতে লাঠি ঘোরাতে। সংসার বলতে 4 পথ শিশু নাতি নাতনি নিয়ে বস্তির একচালা টিনের ঘর । এতদিন তিনি পুনের একটি ছোটো খেলনা কারখানায় কাজ করতেন। লক ডাউনের কোপে সেই কারখানা বন্ধ। ফলত কর্মহীন হয়ে পরেন 85 বছরের এই আম্মা। করোনা পরিস্থিতিতে দুবেলা দুমুঠো ভাত জোগাড় করতে আজ তাই তাকে রাস্তায় নামতে হয়েছে পথ চলতি সাধারণ মানুষ কে লাঠি খেলা দেখিয়ে কিছু রুটি রুজির আসায়। প্রতিদিন সকাল সাড়ে আটটার মধ্যে তিনি রাস্তায় নেমে পরেন শারীরিক কসরত করার প্রস্তুতি নিয়ে। তার পর প্রথম রোজগারের টাকা দিয়ে নাতি নাতনি দের সাথে নিয়ে দই ছাতুর শরবত কিনে প্রাতরাশ সারেন। অনেক সময় বউনি না হলে একবারে দুপুরের খাবার কেনার জন্য মাঝে মাঝে সন্ধ্যে পর্যন্ত তাঁর অপেক্ষা করতে হয়। যেদিন কোনো দান প্রাপ্তি না ঘটে সেদিন স্থানীয় এক গনেশ ও শিব মন্দিরে সন্ধের পর চলে যান তার প্রিয় 4 নাতি নাতনির জন্য খাবার জোগাড় করতে। সেখানকার হাতিশালার অতিরিক্ত ফেলে দেওয়া ছোলা সেদ্ধ আর আর ভাত সংগ্রহ করে নিয়ে আসেন ঘরে। তার পর চলে আম্মার সুখের সংসার।
লাঠি হাতে আম্মার ভাইরাল ভিডিও দেখেছেন , পিছনের কারন জানেন ?
মহারাষ্ট্রের পুনের হ হ্যাডস্পার এলাকার রাস্তায় বেরোলে 85 বছরের বৃদ্ধা সান্তা বালু পাওয়ারকে দেখা যায় দুই হাতে লাঠি ঘোরাতে। সংসার বলতে 4 পথ শিশু নাতি নাতনি নিয়ে বস্তির একচালা টিনের ঘর । এতদিন তিনি পুনের একটি ছোটো খেলনা কারখানায় কাজ করতেন। লক ডাউনের কোপে সেই কারখানা বন্ধ। ফলত কর্মহীন হয়ে পরেন 85 বছরের এই আম্মা। করোনা পরিস্থিতিতে দুবেলা দুমুঠো ভাত জোগাড় করতে আজ তাই তাকে রাস্তায় নামতে হয়েছে পথ চলতি সাধারণ মানুষ কে লাঠি খেলা দেখিয়ে কিছু রুটি রুজির আসায়। প্রতিদিন সকাল সাড়ে আটটার মধ্যে তিনি রাস্তায় নেমে পরেন শারীরিক কসরত করার প্রস্তুতি নিয়ে। তার পর প্রথম রোজগারের টাকা দিয়ে নাতি নাতনি দের সাথে নিয়ে দই ছাতুর শরবত কিনে প্রাতরাশ সারেন। অনেক সময় বউনি না হলে একবারে দুপুরের খাবার কেনার জন্য মাঝে মাঝে সন্ধ্যে পর্যন্ত তাঁর অপেক্ষা করতে হয়। যেদিন কোনো দান প্রাপ্তি না ঘটে সেদিন স্থানীয় এক গনেশ ও শিব মন্দিরে সন্ধের পর চলে যান তার প্রিয় 4 নাতি নাতনির জন্য খাবার জোগাড় করতে। সেখানকার হাতিশালার অতিরিক্ত ফেলে দেওয়া ছোলা সেদ্ধ আর আর ভাত সংগ্রহ করে নিয়ে আসেন ঘরে। তার পর চলে আম্মার সুখের সংসার।


0 coment rios: