রাজ্যের সার্বিক পরিস্থিতি ও আগামী দিনের কর্মসূচি নিয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করতে সাত সকালে দিল্লি ছুটলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ। একই বিমানে দিল্লি গেলেন বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা। অবশ্য গত কাল সকালেই অমিত শাহের জরুরী তলব শুনেই দিল্লী চলে যান মুকুল রায়। বাকিরা সবাই আজ বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বর সঙ্গে বিশেষ বৈঠকে যোগ দিতে দিল্লি গেলেন।
উল্লেখ্য বিজেপির দেখানো ভার্চুয়াল জনসভার পথে হেঁটে গত কাল তৃণমূল কংগ্রেস 21 জুলাই এর শহীদ দিবস পালন করে। হতে নাতে তার সাফল্যও পায়। প্রকাশ্যে না হলেও কম বেশী কিছুটা হলেও তৃণমূলের দলনেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিজেপির বিরুদ্ধে তোপ দেগে যে ভাবে তার প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন তা স্বাভাবিক ভাবেই রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে।
দলীয় সূত্রে খবর লক ডাউনের বাজারে ঝিমিয়ে পড়া বাংলার বিজেপির নেতাদের বেশ কিছু নতুন করে হোম টাস্ক দিয়ে চাঙ্গা করতে চলেছে দিল্লিওয়ালারা। রাজ্য বিজেপি রাজনৈতিক কৌশল অবলম্বন করতে তৃণমূলের শহীদ দিবসেই পাল্টা নজর কাড়তে মঙ্গলবার দুপুরে বেশ কিছু সেলেবদের যোগদান করান দলে। পরবর্তী সময়ে সেই ধারা অব্যাহত রাখতে চান বিজেপির বঙ্গ ব্রিগেড।
সামনে ছোটো,মাঝারী ও বড় মাপের রাজনৈতিক এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব জনের বিজেপিতে যোগ দান করার কথা । তাদের দেনা পাওনা কি ভাবে মিটবে সেই বিষয়ে জরুরী আলোচনা হবে এই বৈঠকে। কারণ বিধানসভা নির্বাচনের আগেই গতকাল 21 জুলাই শহীদ দিবসে তৃণমূল কংগ্রেস ওয়ার্ম আপ শুরু করে দিল। তাই একুশে জুলাইয়ের রাত কাটতে না কাটতেই রাজ্য বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্বের সদলবলে দিল্লী দৌড়।



0 coment rios: