Showing posts with label খেলা. Show all posts
Showing posts with label খেলা. Show all posts

Sunday, 1 August 2021

যুব মোর্চার উদ্যোগে রেড রোডে দৌড়ের আয়োজন "চিয়ার্স ফর ইন্ডিয়া"

যুব মোর্চার উদ্যোগে রেড রোডে দৌড়ের আয়োজন "চিয়ার্স ফর ইন্ডিয়া"

 


আজ রাজ্য বিজেপির যুব মোর্চার উদ্যোগে রেড রোডে এক কিলোমিটার ব্যাপী দৌড় আয়োজন করা হলো, উক্ত দৌড় শুরু হয় সকাল আটটা নাগাদ রেড রোডের নেতাজি মূর্তি পাদদেশে শেষ হয় শ্যামাপ্রসাদ মূর্তির পাদদেশে চিয়ার্স ফর ইন্ডিয়া এই কার্যক্রমের নামকরণ করে যুব মোর্চা তথা বঙ্গ বিজেপি। 

টোকিওতে চলছে অলিম্পিকের আসর তাই যে সমস্ত ভারতীয় প্রতিযোগিরা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছেন তাদের উৎসাহ দানের উদ্দেশ্যেই এই পদক্ষেপ বিজেপির যুব মোর্চার। এই দৌড়ে অংশ নিয়েছিলেন যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি সৌমিত্র খাঁ, বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ সহ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও এমপিরা, ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজু বিস্টা সহ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াট সহ এক ঝাঁক যুব মোর্চা কর্মীবৃন্দ।

Friday, 23 July 2021

মধ্যমগ্রাম বসুনগর হাইস্কুলে উচ্চ মাধ্যমিকের রেজাল্ট নিয়ে অনিশ্চয়তায় সমস্ত ছাত্র-ছাত্রী অভিভাবক

মধ্যমগ্রাম বসুনগর হাইস্কুলে উচ্চ মাধ্যমিকের রেজাল্ট নিয়ে অনিশ্চয়তায় সমস্ত ছাত্র-ছাত্রী অভিভাবক

 


উচ্চ মাধ্যমিকের রেজাল্ট ওয়েবসাইট পাওয়ার কথা। কিন্তু উচ্চ মাধ্যমিক রেজাল্ট ওয়েবসাইটে রেজিস্ট্রেশন নাম্বার দিলে ব্লাঙ্ক মার্কশীট আসছে। 

তাতেই টেনশনে পড়েছে মধ্যমগ্রাম বসুনগর  উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা ।  স্কুল কর্তৃপক্ষ এখনো এ ব্যাপারে কিছু জানাতে পারেননি । কারণ মার্কশিট এখনো স্কুলে এসে পৌঁছায়নি । স্কুলে মার্কশিট আসলে তবে স্কুল কর্তৃপক্ষ সমস্যা নিয়ে পরিষ্কার করে জানতে পারবেন।তবে ছাত্র ছাত্রী দের এই রেজাল্ট সমস্যা জেনে স্কুল ও উদ্বেগ আছে।তবে এখানে স্কুলের কোন ভুল নেই বলে দাবি শিক্ষকের।



Saturday, 19 September 2020

মানিকতলা খালপাড়ের সুবিধাবঞ্চিত ৮০ টি পরিবারের পাশে ভাষা ও চেতনা সমিতি

মানিকতলা খালপাড়ের সুবিধাবঞ্চিত ৮০ টি পরিবারের পাশে ভাষা ও চেতনা সমিতি

৭ইসেপ্টেম্বর লক ডাউনের ভোরে বিধ্বংসী আগুনে  মানিকতলা খালপাড়ের সুবিধাবঞ্চিত ৮০ টি পরিবারের ঘর বাড়ি সব পুড়ে ছাই হয়ে যায়। সবকিছু হারিয়ে এক বস্ত্রে নিঃস্ব হয়েছিল প্রাায় আশি টি পরিবার। সেই দিনই ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প্রত্যেক মহিলার হাতে ভালো মানের নতুন শাড়ি তুলে দেওয়া হয়েছিল ভাষা ও চেতনা সমিতির পক্ষ থেকে। নাট্যব্যক্তিত্ব বিপ্লব  বন্দোপাধ্যায়ের  উপস্থিতিতে চালু করা হয়েছিল যৌথ রান্নাঘর।৭ই সেপ্টেম্বরের পর থেকে আজ পর্যন্ত শুধু প্ল্যাস্টিক পেতে মাটিতে শুতো তারা। এইভাবে মাটিতে শুয়ে ঠান্ডা লাগছে ওদের। গলা বসে  যাচ্ছে। জ্বর হচ্ছে ছোটদের। আজ তাদের মধ্যে ৫৪ টি পরিবারের ৩০০ জন সদস্যর হাতে পাঁচ ফুট বাই ছয় ফুটের তোষক তুলে দেওয়া হল। ভাষা ও চেতনা সমিতির পক্ষ থেকে।একাজে সহায়তা করেছেন সমর নাগ।
অসহায় মানুষগুলির হাতে দেওয়া হল মাদুর ও মুড়ি। হিন্দমোটরের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন হিন্দমোটর ফোকাস ২৫ টি মাদুর ও কয়েক কেজি মুড়ি দিলো। সমিতির উদ্যোক্তা ইমানুল হক বললেন বাকি মাদুর তারা কিনে দেবেন। গত ১৩ দিন ধরে চলছে যৌথ রান্নাঘর। একটু একটু করে জীবনের ছন্দে ফিরতে সহায়তা করা হচ্ছে পরিবারগুলিকে। সমিতির উদ্যোগে ইমানুল হক আরো জানালেন সরকারি সহায়তা অপ্রতুল। ওঁদের ঘরগুলো গড়ে দেওয়া দরকার। বাসন্তী কলোনি পুড়ে যাওয়ার পর  ঘর বানানোয় উদ্যোগ নেন সরকার। এখানেও তা দরকার। এছাড়াও সমিতির পরিকল্পনা আছে, ২১১ জন শিশু কিশোর কিশোরীদের নিয়মিত খাবার দেওয়া।দেখি কতটা পারা যায়।

Saturday, 5 September 2020

বার্সেলোনার পৃথিবীতে মেসি এখন সত্যিই ‘ভিনগ্রহে’র

বার্সেলোনার পৃথিবীতে মেসি এখন সত্যিই ‘ভিনগ্রহে’র


 ফুটবলপ্রেমীদের জন্য যথেষ্ট উত্তেজনাপূর্ণ কাটল গত দশ দিন। তর্কযোগ্যভাবে ক্লাব ইতিহাসের শ্রেষ্ঠতম খেলোয়াড় কী দুই দশকের সম্পর্কচ্ছেদ করে প্রাণপ্রিয় ক্লাব ছেড়ে চলে যাবেন? চলে গেলে ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় দলবদল ঘটেই যেত হয়তো। তীক্ষ্ণ নজর রাখছিল ম্যানচেস্টার সিটি, পিএসজি, ইন্টার মিলানের মতো ক্লাবগুলো। যা হোক, সেটা হয়নি। গোল ডটকমকে দেওয়া আবেগঘন এক সাক্ষাৎকারে মেসি জানিয়েছেন, ক্লাব সভাপতির প্রতি তাঁর অসন্তুষ্টির কথা। শেষমেশ মেসি থাকছেন, বার্সা সমর্থকদের জন্য আনন্দের খবর এটাই। তবে এভাবে আর কত দিন? সংগত কারণেই মেসি জানাননি এই থাকাটা কত দিনের জন্য হচ্ছে। খোলা চোখে যেটা বোঝা যাচ্ছে, ক্লাবের সঙ্গে বর্তমান চুক্তির যেহেতু আর এক বছর বাকি, মেসি সেই চুক্তিকে সম্মান করবেন। থাকবেন অন্তত আরও এক বছর। কিন্তু এর পর? চুক্তিহীন মেসি কি সাড়া দেবেন পেপ গার্দিওলার ডাকে? নাকি বার্সেলোনার সঙ্গেই চুক্তি বাড়াবেন আবার? শেষমেশ ক্যারিয়ারের ইতি টানবেন ক্যাম্প ন্যু-তে?সাক্ষাৎকারে দুটো জিনিস স্পষ্ট, বার্সেলোনার প্রতি মেসির অশেষ ভালোবাসা, আর ক্লাব সভাপতি জোসেপ মারিয়া বার্তোমেউর প্রতি মেসির অনিঃশেষ বিরক্তি। মেসির কথা মানলে বলতে হয়, তাঁদের মধ্যে সম্পর্ক খারাপ এক দিনে হয়নি। দূরত্ব সৃষ্টি হয়নি রাতারাতি। সভাপতির প্রতি বহুদিনের পুঞ্জীভূত ক্ষোভেরই বহিঃপ্রকাশ গতকালের এই সাক্ষাৎকার। মেসি চেয়েছিলেন একটি স্থায়ী সমাধান। চেয়েছিলেন খেলা চালিয়ে যাওয়ার জন্য একটি আদর্শ প্রকল্প, পরিকল্পনা। বছরের পর বছর ধরে বার্তোমেউকে বলে যাওয়ার পরেও যে পরিকল্পনার ছিটেফোঁটাও দেখেননি তিনি। উল্টো বারবার দেখছিলেন, ইনিয়ে-বিনিয়ে ক্লাবের সব ব্যর্থতার জন্য তাঁর নামকে ব্যবহার করা হচ্ছে ঢাল হিসেবে।গত জানুয়ারির কথাই ধরুন। সাবেক কোচ আর্নেস্তো ভালভার্দের ছাঁটাইয়ের পেছনে মেসিরা কলকাঠি নেড়েছিলেন, ইঙ্গিত দিয়েছিলেন বোর্ড পরিচালক এরিক আবিদাল। শোনা গিয়েছিল নিজের সভাপতিত্ব রক্ষার দায়ে মেসি-পুয়োলদের নাম নষ্ট করতেও পিছপা হননি বার্তোমেউ। আইথ্রি ভেঞ্চার্স নামে এক জনসংযোগ প্রতিষ্ঠানকে প্রয়োজনের চেয়ে ৬০০ শতাংশ বেশি টাকা দিয়ে রাখাই হয়েছিল মেসিদের নামে কুৎসা রটানোর জন্য। যা রটে, তা যে কিছু হলেও বটে—সেটার প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে আস্তে আস্তে। খোদ কাতালান পুলিশ বিভাগই (লস মোজোস দে এসকাদ্রা) বার্তোমেউর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে। তাঁরা বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট অভিযোগের সমন্বয়ে প্রতিবেদন বানিয়ে বার্সেলোনা আদালতে পাঠিয়েছে। যে প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে, নিজের স্বার্থের জন্য বার্সেলোনার নাম ব্যবহার করেছেন বার্তোমেউ। ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধির উদ্দেশ্যে সম্ভাব্য ফৌজদারি অপরাধ করেছেন বার্তোমেউ, বার্সেলোনার সঙ্গে আইথ্রি ভেঞ্চার্সের চুক্তিপত্রে এমন প্রমাণ পেয়েছে বলে জানিয়েছে কাতালান পুলিশ বিভাগ। পুলিশ নিশ্চিত হয়েছে, ক্লাবের অভ্যন্তরীণ নীতিকে তোয়াক্কা না করে বাজারমূল্যের চেয়ে ৬০০ শতাংশ বেশি অর্থ দিয়ে জনসংযোগ প্রতিষ্ঠান আইথ্রি ভেঞ্চার্সকে ভাড়া করেছিলেন বার্তোমেউ। কিছুদিন আগে কাতালান সংবাদমাধ্যম ‘কে থি জোগাস’ এক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল, আইথ্রি নামের সেই প্রতিষ্ঠানের কাজ ছিল বার্সা সভাপতি হোসে মারিয়া বার্তোমেউর ভাবমূর্তি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উজ্জ্বল করা। আর যেসব বর্তমান ও সাবেক খেলোয়াড়ের সঙ্গে বার্তোমেউর বনে না, তাদের বিরুদ্ধে কুৎসা রটাত এই প্রতিষ্ঠান। কে থি জোগাসের দাবি, ওই প্রতিষ্ঠান এক শর কাছাকাছি টুইটার ও ফেসবুক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ক্লাব কিংবদন্তি মেসি, জাভি, জেরার্ড পিকে, পেপ গার্দিওলা, কার্লেস পুয়োলদের আক্রমণ করত। সাবেক সভাপতি হুয়ান লাপোর্তা ও কাতালান স্বাধীনতাকামী রাজনীতিবিদ কার্লেস পুচ দে মন্তের বিপক্ষেও নেমেছিল আইথ্রি।একটু ভেবে দেখুন, ক্লাবের কাজ হলো নিজেদের খেলোয়াড়দের যেকোনো মূল্যে রক্ষা করা। এমনকি সমর্থকদের সাফাইও গায় ক্লাব। মুসা মারেগা বর্ণবৈষম্যের শিকার হওয়ায় প্রতিবাদ জানিয়েছে পর্তুগালের ক্লাব এফসি পোর্তো। ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর বিপক্ষে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠার পর সর্বোচ্চ সহযোগিতা করেছে ক্লাব জুভেন্টাস। এমনিতেই তারকাদের প্রতিপক্ষের অভাব নেই। মাঠের প্রতিপক্ষ তো আছেই। ছিদ্রান্বেষী সংবাদমাধ্যম আছে। চাইলে ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থার কঠিন নিয়ম কানুনের গায়েও এ ট্যাগ দিয়ে দেওয়া যায়। এসবের বিরুদ্ধে ক্লাব ও খেলোয়াড় একে অপরের সম্বল। সেখানে কিনা বার্সেলোনা নিজেদের খেলোয়াড়দের বিপদে ফেলে দিচ্ছে। তা-ও মেসিকে! বার্তোমেউই পর্দার আড়ালে আস্তে আস্তে হয়ে উঠেছেন মেসির সবচেয়ে বড় শত্রু! এমন অবস্থায় এক মৌসুম টেকা যায়, দুই মৌসুম টেকা যায়, হয়তো আরও কয়েক বছর থাকা যায়, কিন্তু প্রতিবাদ না করে আর কতকাল? অবস্থার উন্নতি হচ্ছে না যে মোটেও!এক ক্লাবে সারা জীবন কাটিয়ে দিয়ে ফুটবলপ্রেমীদের চোখের মণি হয়ে আছেন রায়ান গিগস, পল স্কোলস, ফ্রান্সেসকো টট্টি, পাওলো মালদিনির মতো তারকারা। একই কথা খাটে মেসির ক্ষেত্রেও। তবে বাকিদের সঙ্গে মেসির সবচেয়ে বড় পার্থক্য, তাঁদের কেউই ফুটবল ইতিহাসের শ্রেষ্ঠতম তারকার তর্কে আসেননি। মেসি এ দিক দিয়ে অনন্য। সেই মেসিই যখন ক্লাব সভাপতির মুখোশ এভাবে খুলে দেন, ক্লাবের অভ্যন্তরীণ কর্তাব্যক্তিদের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কটা আদতেই কী আর আগের জায়গায় থাকে? হয়তো থাকে না। যে কারণে মেসি থাকছেন এই খবরের শেষে দেখা যায়নি দুই পক্ষের উষ্ণ আলিঙ্গন, করমর্দন কিংবা হাসিমাখা মুখ। বরং উল্টো মেসির হতাশ প্রতিচ্ছবিই মূর্ত হয়ে উঠেছে এই ক্ষেত্রে। ক্লাবের সবচেয়ে বড় তারকা থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, এ খবরে তো এমনটা হওয়ার কথা ছিল না, তাই না?কারণ মেসির থাকার পেছনে সবচেয়ে বড় উপযাচক হিসেবে কাজ করেছে ক্লাবের সঙ্গে আদালতের নোংরা খেলায় মেতে ওঠার অনীহা। এত দিন ধরে মেসি যে একটা সুনির্দিষ্ট প্রকল্পের জন্য মাথা কুটে কুটে মরছেন—সেটা হয়নি। আর এই কারণটাই আস্তে আস্তে হয়ে উঠেছে দুর্লঙ্ঘ্য। হয়ে উঠেছে মেসি-বার্সা দাম্পত্যে সবচেয়ে বড় প্রশ্নবোধক চিহ্ন—যে চিহ্ন হয়তো আর কখনই দুপক্ষের সম্পর্ককে আগের মতো হতে দেবে না। বার্সেলোনার পৃথিবীটা তাই মেসির কাছে এখন অচেনা লাগাই স্বাভাবিক। ক্যাম্প ন্যু-তে মেসি নিজেকে মনে করতে পারেন ভিনগ্রহের কেউ।

কোহলির পেছনে ‘অপরাধী’ ফিঞ্চ

কোহলির পেছনে ‘অপরাধী’ ফিঞ্চ


 ইতিহাস দ্বিতীয়কে মনে রাখে না। অ্যারন ফিঞ্চেরও মনে রাখার কোনো কারণ নেই। দল হারলে ব্যক্তিগত অর্জনে তো কিছু যায় আসে না। তবু তো অর্জন। আর সে পথে ফিঞ্চ পেছনে ফেলেছেন রোহিত শর্মা, ডেভিড ওয়ার্নার, ব্রেন্ডন ম্যাককালামদের। অস্ট্রেলিয়া অধিনায়কের তাই কালকের অর্জনটা দ্রুত ভুলে যাওয়ারও কোনো কারণ নেই। সাউদাম্পটনে সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচে কাল ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। ২ উইকেটের হারে শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি সফরকারি দলের। লক্ষ্য যে আহামরি কিছু ছিল তা-ও না। ওপেনার জস বাটলারের ২৯ বলে ৪৪ ও তিনে নামা ডেভিড ম্যালানের ৪৩ বলে ৬৬ রানের সৌজন্যে আগে ব্যাট করা ইংল্যান্ড ১৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় অস্ট্রেলিয়াকে। লক্ষ্যটা ডেভিড ওয়ার্নার, ফিঞ্চ, স্টিভ স্মিথ, মার্কাস স্টইনিসদের কাছে তেমন শক্ত কিছু হওয়ার কথা নয়। আর শুরুটাও হয়েছিল দুর্দান্ত। ১১তম ওভারে ফিঞ্চ আউট হওয়ার আগে ওপেনিং জুটিতে ৯৮ রান পেয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। কিন্তু ১২৪ থেকে ১৩৩—এই ৯ রান তুলতে ৪ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে অস্ট্রেলিয়া। বলা ভালো জফরা আর্চার-আদিল রশিদ আটকে দেন অস্ট্রেলিয়াকে। অস্ট্রেলিয়ার কিন্তু তবু জয়ের সুযোগ ছিল। ১৮ ওভার শেষে তাদের সংগ্রহ ছিল ৫ উইকেটে ১৪৪। এখান থেকে শেষ দুই ওভারে জয়ের জন্য ১৯ রান তুলতে পারেনি ফিঞ্চের দল। ক্রিস জর্ডান-স্যাম কারেন মিলে জয় নিশ্চিত করেন ইংল্যান্ডের। হারের দায়টা নিজেদের কাঁধে তুলে নিয়েছেন ফিঞ্চ, ‘ডেভি (ওয়ার্নার) এবং আমার দায়টা বেশি। ভালো শুরু করেও ম্যাচ জেতানোর মতো অবদান রাখতে পারিনি।’ ৪৭ বলে ৫৮ রান করেন ওয়ার্নার। ফিঞ্চ করেন ৩২ বলে ৪৬। এ পথে তিনি টি-টোয়েন্টিতে দ্বিতীয় দ্রুততম ব্যাটসম্যান হিসেবে পেয়েছেন ২০০০ রানের মাইলফলকের দেখা। ৬২তম ইনিংসে এসে মাইলফলকটির দেখা পেলেন এ ওপেনার। ৫৬ ইনিংসে ২০০০ রান তুলে রেকর্ডটির মালিক বিরাট কোহলি। সব মিলিয়ে টি-টোয়েন্টিতে ১০ম ব্যাটসম্যান হিসেবে মাইলফলকটির দেখা পেলেন তিনি। রোহিত শর্মা, ওয়ার্নার, ম্যাককালামরা এ তালিকায় আগে ঢুকলেও ফিঞ্চের মতো এত দ্রুত আসতে পারেননি।

 

Friday, 4 September 2020

আয়ের দিক থেকে মেসিকে টপকে গেলেন রোনাল্ডো

আয়ের দিক থেকে মেসিকে টপকে গেলেন রোনাল্ডো


 মাঠ ও মাঠের বাইরে দুই তারকার লড়াই অব্যাহত। তবে রোনাল্ডো রিয়েল মাদ্রিদ ছেড়েছেন। মেসির বার্সিলোনা ছাড়া নিয়ে জল্পনা চলছে। তাই এই মুহূর্তে হয়ত দুই তারকার মাঠে মুখোমুখি সাক্ষাৎ সম্ভব হচ্ছে না। তবে মাঠের বাইরের লড়াইয়ে মেসিকে পিছনে ফেললেন রোনাল্ডো। আয়ের দিক থেকে ফোর্বস তালিকায় মেসির চেয়ে এগিয়ে রোনাল্ডো। অবশ্য তফাত মাত্র ১ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের।
আয়ের দিক থেকে বিশ্বের প্রথম দশজন সেলিব্রিটির তালিকা প্রকাশ করেছে ফোর্বস ম্যাগাজিন। তাতে আয়ের দিক থেকে ফুটবলারদের মধ্যে সবচেয়ে উপরে রয়েছে ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর নাম। গত ২০১৯–২০ মরশুমে মোট ১০৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করেছেন সিআর সেভেন। অন্যদিকে, এক মিলিয়ন কম আয় করে রোনাল্ডোর পরে রয়েছেন মেসি। তাঁর মোট আয় ১০৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। অন্যদিকে, মূল তালিকায় যথাক্রমে ৪ এবং ৫ নম্বরে রয়েছেন রোনাল্ডো এবং মেসি। তবে ক্রীড়াক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি আয় করেছেন টেনিস তারকা রজার ফেডেরার সুইস খেলোয়াড় গত বছর আয় করেছেন ১০৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। যদিও মূল তালিকায় তিনি রয়েছেন তিন নম্বরে। তালিকায় প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কাইলি জেনার (‌৫৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) এবং কেনিই ওয়েস্ট (‌১৭০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার)। সাত নম্বরে আছেন নেইমার। তিনি আয় করেছেন ৯৫.‌৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। আর মহম্মদ সালার আয়ের পরিমাণ সেখানে ৩৫.‌১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

বিশ্বকাপ জেতানো ধোনির সেই ব্যাট বিশ্বের সবচেয়ে দামি, মূল্য কত জানেন?

বিশ্বকাপ জেতানো ধোনির সেই ব্যাট বিশ্বের সবচেয়ে দামি, মূল্য কত জানেন?


বিশ্বের সবচেয়ে দামি ব্যাট কোন ক্রিকেটারের? জানেন তার দাম কত? সাধারণভাবে একটা ক্রিকেট ব্যাটের দাম হয়ে থাকে ৪০০০ থেকে ৮০০০ টাকার মধ্যেই। তবে তা অনেকটাই নির্ভর করে উইলো কেমন তার ওপর। তেমনই আবার বিখ্যাত ব্রিটিশ ব্যাট প্রস্তুতকারক সংস্থা গ্রে-নিকোলস লেজেন্ড'র দামি ব্যাটটির মূল্য ৯৮,০০০ টাকা। তবে সেটি বিশ্বের সবচেয়ে দামি ব্যাটের ধারে কাছেও নয়!

বিশ্বের সবচেয়ে দামি ব্যাটের মূল্য নাকি ৮৩ লাখ টাকা। ২০১১ সালে বিশ্বকাপ ফাইনালে যে ব্যাট দিয়ে ছক্কা হাঁকিয়ে ২৮ বছর পর ভারতকে বিশ্বকাপ এনে দিয়েছিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি সেই ব্যাটের মূল্য আকাশছোঁয়া। বিশ্বকাপের ম্যাচ জেতানো ধোনির সেই ব্যাট লন্ডনে সমাজসেবামূলক এক অনুষ্ঠানে বিক্রি হয়েছিল ১,০০,০০০ পাউন্ডে। 

ধোনির সেই ব্যাট কিনেছিল আরকে গ্লোবাল শেয়ার্স অ্যান্ড সিকিউরিটিজ লিমিটেড (ইন্ডিয়া)। টাকার হিসাবে যার পরিমাণ ৮৩ লাখ টাকা। ছক্কা হাঁকিয়ে বিশ্বকাপ জেতানোর ৯ বছর পর অর্থাৎ চলতি বছর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়ে দিয়েছেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। তবে আইপিএলে খেলছেন তিনি এখন।


 

ফের ধাক্কা চেন্নাই শিবিরে, রায়নার পর এবার আইপিএল থেকে সরে দাঁড়ালেন হরভজন

ফের ধাক্কা চেন্নাই শিবিরে, রায়নার পর এবার আইপিএল থেকে সরে দাঁড়ালেন হরভজন


রেশ রায়না (Suresh Raina), লাসিথ মালিঙ্গার (Lasith Malinga) পর এবার হরভজন সিং (Harbhajan Singh)। দুবাইয়ে আসন্ন IPL থেকে সরে দাঁড়ালেন আরও এক তারকা ক্রিকেটার। শুক্রবার এমনটাই জানিয়েছে একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম। জানা গিয়েছে, ব্যক্তিগত কারণেই এবারের আইপিএল থেকে সরে দাঁড়ালেন টার্বুনেটর। তবে তাঁর এই সিদ্ধান্তে স্বভাবতই বিপাকে পড়বে চেন্নাই সুপার কিংস।

দীর্ঘদিন আইপিএলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে খেলার পর গতবছরই চেন্নাইয়ে এসেছিলেন ভাজ্জি। ক্রিকেটের পাশাপাশি ধারভাষ্যকারের কাজও করছেন তিনি। তবে আসন্ন আইপিএলে হলুদ জার্সিতে খেলার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু টুর্নামেন্ট শুরুর দিনক্ষণ এগিয়ে আসলেও প্রথমে চেন্নাইয়ে দলের প্রস্তুতি শিবিরে এবং পরে দুবাইয়ে দলের সঙ্গে যোগ না দেওয়ার পরই তাঁকে নিয়ে জল্পনা শুরু হয়। আর শুক্রবার সিএসকে (Chennai Super Kings) ম্যানেজমেন্টকে ৪০ বছর বয়সি স্পিনার জানিয়ে দিলেন, তিনি এবারের আইপিএলে অংশ নেবেন না। এমনটাই সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর।

করোনা আবহে বারবার পিছিয়ে যাওয়ার পর, অবশেষে দুবাইয়ে শুরু হতে চলেছে এবারের আইপিএল। তবে দেশের মাটিতে না হওয়ার কারণে প্রথম থেকেই জৌলুস যেন কিছুটা ফিকে হচ্ছিল। এরপর সুরেশ রায়না, লাসিথ মালিঙ্গা–একে একে টুর্নামেন্ট থেকে সরে দাঁড়ান। সেই তালিকাতেই এবার নাম লেখালেন হরভজন সিং। এর আগে চেন্নাইয়ের আরেক খেলোয়াড় রায়না দেশে ফেরার সময় ব্যক্তিগত কারণ দেখালেও, একাধিক জল্পনা তৈরি হয়েছিল। শেষপর্যন্ত বাঁ–হাতি খেলোয়াড়কে মুখ খুলতে হয়েছিল। রায়না জানিয়েছিলেন, দুবাইয়ের করোনা পরিস্থিতি দেখে পরিবারের কথা ভেবেই দেশে ফিরেছেন তিনি। হরভজন যদিও এখনও এই ব্যাপারে স্পষ্ট কিছু জানাননি। এখন দেখার আর কোনও ক্রিকেটার এই তিনজনের পদাঙ্ক অনুসরণ করেন কি না। 

জিদানের সঙ্গে দ্বন্দ্ব, রিয়াল মাদ্রিদ ছাড়তে চান বেল

জিদানের সঙ্গে দ্বন্দ্ব, রিয়াল মাদ্রিদ ছাড়তে চান বেল


 

কোচ জিনেদিন জিদানের প্রথম পর্বে যেমন ব্রাত্য ছিলেন, দ্বিতীয় পর্বের প্রথমভাগেও ছবিটা কিছুই বদলায়নি। লকডাউন পরবর্তী মৌশুম পুনরায় চালু হওয়ার পর জিদানের কোচিংয়ে ১২টি ম্যাচ খেলেছে রিয়াল মাদ্রিদ। যার মধ্যে মাত্র ৪৮ মিনিট খেলার সুযোগ হয়েছেন ওয়েলস তারকা গ্যারেথ বেলের। এমন অবস্থায় দাঁড়িয়ে ক্লাব ছাড়তে চাইলেও চুক্তির কারণে ক্লাব ছাড়তে পারছেন না বেল। ক্লাব ছাড়ার ব্যাপারে কোনওরকম সহযোগীতাও তিনি পাচ্ছেন না ক্লাবের তরফ থেকে। এমনই অভিযোগ সাবেক টটেনহ্যাম তারকার।

ফরাসি কোচের সঙ্গে তার মনোমালিন্যের কথা অজানা নয় অনুরাগীদের। অভিমানে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলোয় ম্যান সিটির বিরুদ্ধে দ্বিতীয় লেগে মাঠে নামতে অস্বীকার করেন ওয়েলস উইঙ্গার। যা নিয়ে তার উপর আরও চটেছেন জিদান। সবমিলিয়ে চুক্তির বাকি দু’বছরে ক্লাবে তার ম্যানেজারের পরিকল্পনায় নিজেকে কোনওভাবেই দেখছেন না এই তারকা ফুটবলার। তাই যেভাবেই হোক মাদ্রিদ থেকে ছুটি চাইছেন বেল। কিন্তু এব্যাপারে তার মূল প্রতিপক্ষ তারই ক্লাব।

গত মৌশুমের শুরুতে চীনের সুপার লিগের ক্লাব জিয়াংসু সুনিংয়ে ওয়েলস তারকার যোগদান প্রায় নিশ্চিত ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে চীনের ক্লাবের সঙ্গে সেই চুক্তিতে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় রিয়াল মাদ্রিদ। সেই হতাশা এখনও ভুলতে পারেন না তিনি। সম্প্রতি দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তাই বর্তমান ক্লাবের থেকে সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছেন দক্ষ উইঙ্গারটি। বেল বলেছেন, আমি গতবছরেই ক্লাব ছাড়তে চেয়েছিলাম। কিন্তু ওরা আমায় শেষ মুহূর্তে আটকে দিয়েছিল। এর কারণ কী? আমি জানতে চাই।

বেল আরও জানিয়েছেন, চীনের প্রোজেক্টটার জন্য আমি ভীষণভাবে উৎসাহী ছিলাম। কিন্তু সেটা দিনের আলো দেখল না। এছাড়াও আমি একাধিক ক্ষেত্রে কিছু করতে গেলেই ক্লাব বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সকলটাই ক্লাবের হাতে। আমি তাদের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ রয়েছি। আশা করি কিছু ইতিবাচক দিক খুলে যাবে। তবে সত্যি কথা বলতে ওরা আমার সবকিছু কঠিন করে তুলেছে।  

সাত বছর আগে যখন টটেনহ্যাম ছেড়ে রিয়াল মাদ্রিদ শিবিরে যখন চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলেন বেল তখন তিনিই ছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে দামী ফুটবলার। ৮৫ মিলয়ন পাউন্ডে প্রিমিয়র লিগ ক্লাবটি থেকে লা লিগায় পা দিয়েছিলেন বেল। রিয়ালের জার্সি গায়ে ২টি লা লিগা সহ ৪টি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতেছেন ওয়েলস অধিনায়ক। কিন্তু জিনেদিন জিদানের প্রসঙ্গ উঠলেই বেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি নাকি ফরাসি ম্যানেজারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল নন। কিন্তু বেল তা মানতে নারাজ। 

বরং বেল বলছেন, তার বয়স মাত্র ৩১। এখনও দারুণ শেপে রয়েছেন তিনি। তাই তিনি কোনওদিকে না তাকিয়ে ফুটবলটা খেলতে চান। ইতিমধ্যেই সাবেক ক্লাব টটেনহ্যাম প্রস্তাব পাঠিয়েছে তাকে। রিয়াল ছাড়লে এখনও প্রিমিয়র লিগে ফিরতে চান তিনি। বেল বলছেন আমি প্রস্তাবগুলো মাথায় রেখেছি। ট্রান্সফার উইন্ডোয় অনেকটা সময় রয়েছে, অনেককিছু হতে পারে।

Thursday, 3 September 2020

মেসিকে বেতন বাড়িয়ে আরও ২ বছরের চুক্তির প্রস্তাব বার্সার

মেসিকে বেতন বাড়িয়ে আরও ২ বছরের চুক্তির প্রস্তাব বার্সার

 


স্প্যানিশ জায়ান্ট বার্সেলোনার সঙ্গে চরমে পৌঁছেছে বিশ্ব ফুটবলের মহাতারকা লিওনেল মেসির দ্বন্দ্ব। ম্যান সিটিতে যাওয়ার জন্য মুখিয়ে আছেন মেসি। তবে এত কিছু সত্ত্বেও এলএম১০ থেকে যেতে পারেন বার্সাতেই। এমন সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না মেসি। 

২৪ ঘণ্টা আগেই বার্সা সাফ জানিয়ে দিয়েছে মেসিকে কোনোভাবেই তারা ট্রান্সফার করবে না। তারপরই মেসির এজেন্ট (পিতা) বার্সাতেই থেকে যাওয়ার সম্ভাবনা একেবারেই উড়িয়ে দিচ্ছেন না।

সম্প্রতি মেসির পিতা হোর্হে মেসির সাক্ষাৎকার নেয় স্পেনের কুয়াত্র টিভি চ্যানেল। সেখানেই তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়, মেসি বার্সাতেই থাকছে নাকি ফ্রি এজেন্ট হিসেবে অন্য ক্লাবে পাড়ি দিচ্ছেন। এ সময় তিনি বলেন, বার্সাতেও থেকে যেতে পারেন তারকা ফুটবলার।

বার্সেলোনায় এসে হোর্হে বলে দিয়েছিলেন, বার্সায় মেসির খেলা সমস্যাকীর্ণ হয়ে পড়েছে। তারপরই বার্সা প্রেসিডেন্ট জোসেফ বার্তামেউয়ের সঙ্গে আলোচনা হয় তার।

মেসি সম্প্রতি ব্যুরোফ্যাক্স পাঠিয়ে নিজের ক্লাব ছাড়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দেন। সেখানে তিনি চুক্তির বিশেষ ক্লজের কথা উল্লেখ করেছেন। যে ক্লজে বলা হয়েছে চলতি মৌসুম শেষের পর মেসি ফ্রি প্লেয়ার। তবে বার্সার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে এই ক্লজের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে।

বার্সা সম্প্রতি মেসিকে আরও দু বছরের চুক্তি বৃদ্ধির প্রস্তাব দিয়েছে। বেতনও বাড়ানো হয়েছে। মেসিকে বোঝানোর চেষ্টা চলছে যে ক্লাবে তিনি দু’ দশক আগে ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন, সেখানেই যেন কেরিয়ার শেষ করেন।

মেসির বাবার সঙ্গে বার্সার বুধবারের বৈঠকে কী নিয়ে আলোচনা হয়েছে তা কেউই প্রকাশ্যে জানায়নি। তবে জানা গেছে, ক্লাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মেসির ট্রান্সফার কোনওভাবেই করবে না বার্সা।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে বায়ার্ন মিউনিখের কাছে হারের পরই কোচ কুইকে সেতিয়েনকে বরখাস্ত করে বার্সা। নতুন কোচ রোনাল্ড কোম্যান ইতিমধ্যেই স্কোয়াডে একাধিক পরিবর্তনের কথা জানিয়েছেন। বায়ার্নের কাছে লজ্জাজনক হার মেসির ক্যারিয়ারেও নিকৃষ্টতম। তবে নতুন কোচ কোম্যান জানিয়েছেন, লুইস সুয়ারেজ, আর্তুরো ভিদাল, রাকিটিচ এবং উমতিতি তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় নেই। প্রিয় বন্ধু সুয়ারেজকে ব্রাত্য করে দেওয়ার পরই কার্যত নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন মেসি। তবে এখনও তিনি প্রকাশ্যে মুখ খোলেননি।

Wednesday, 2 September 2020

জল্পনার অবসান ঘটিয়ে মুখ খুললেন রায়না

জল্পনার অবসান ঘটিয়ে মুখ খুললেন রায়না


আইপিএল (IPL) না খেলেই‌ দুবাই (Dubai) থেকে দেশে ফিরে এসেছেন সুরেশ রায়না (Suresh Raina)। আচমকাই। আর এভাবে তাঁর দেশে ফেরা নিয়ে শুরু হয় একের পর এক জল্পনা। কখনও পিসেমশাইয়ের মৃত্যু, কখনও আবার হোটেলের রুম অপছন্দ– উঠে আসতে থাকে একের পর এক কারণ। বাড়তে থাকে বিতর্কও। আর সেই জল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে মুখ খুললেন রায়না। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বাঁ–হাতি এই ব্যাটসম্যান জানান, কেন তিনি দেশে ফিরে এলেন।

না, হোটেলের রুম অপছন্দ হওয়া বা অন্য কোনও কারণ নয়, দলের একাধিক খেলোয়াড় এবং সাপোর্ট স্টাফের করোনা আক্রান্ত হওয়াতেই ভয় পেয়েছিলেন রায়না। ওই সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘‌‘‌যখন জৈব বলয় সুরক্ষিত নয়, তখন কেন ঝুঁকি নেব?‌ আমার দু’‌টো ছোট সন্তান রয়েছে, বয়স্ক মা–বাবা রয়েছে। পরিবারের কাছে ফিরে আসাটাই তাই আমার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। হ্যাঁ, এটা আমার কাছে খুবই কঠিন সিদ্ধান্ত ছিল। চেন্নাই সুপার কিংসও (Chennai Super Kings) আমার কাছে পরিবারের মতো। কিন্তু দুবাইয়ে করোনা পরিস্থিতি মোটেই ভাল নয়, আর তাই সন্তানদের মুখ মনে পড়তেই ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নিই।’‌’ ধোনির (Mahendra Singh Dhoni) সঙ্গে ঝামেলা প্রসঙ্গে রায়না বলেন, ‘‌‘‌মাহি ভাই আমার বড় দাদার মতো। এগুলো সবই রং চড়ানো গল্প।’‌’ এছাড়া তিনি এটাও জানান, আগামিদিনে পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটলে তিনি ফের দলের সঙ্গে যোগ দেবেন। তিনি জানান, ‘‌‘‌আমি চিরকাল চেন্নাইয়ের খেলোয়াড়। দুবাইয়ে পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটলে আমি ফিরতেও পারি। চেন্নাইয়ের জন্য আমার দরজা সবসময় খোলা।’‌’

এদিকে, আইপিএলের অফিশিয়াল পার্টনার হিসেবে এবার ‘‌ক্রেড’–এর সঙ্গে তিন বছরের চুক্তি করল ভারতীয় বোর্ড (BCCI)। বুধবার IPL–এর গভর্নিং বডির পক্ষ থেকে একথা জানিয়ে দেওয়া হ‌য়েছে। 

Tuesday, 1 September 2020

বার্সায় প্রতিদিন কত টাকা বেতন কাটা যাচ্ছে মেসির?

বার্সায় প্রতিদিন কত টাকা বেতন কাটা যাচ্ছে মেসির?

বার্সেলোনার প্রাক মৌসুম কর্মসূচী শুরু হয়ে গেছে। গত রোববার (৩০ আগস্ট) থেকে শুরু হওয়া এ কর্মসূচিতে যোগ দেননি লিওনেল মেসি। এমনকি করোনাভাইরাস টেস্ট করাতেও যাননি তিনি। আর তাই ক্লাবের পক্ষ থেকে তার বেতন কেটে রাখা হচ্ছে। বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, মেসির ভবিষ্যৎ চূড়ান্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি যতদিন অনুশীলনে যোগ দেবেন না ততদিনের বেতন কাটা যাবে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মেসির প্রতিদিনের বেতন ১ লাখ ১০ হাজার ইউরো। বাংলাদেশি মুদ্রায় ১ কোটি ১১ লাখ টাকার মতো। এই বিশাল আর্থিক ক্ষতি স্বীকার করেও ক্লাবের কর্মসূচিতে যোগ না দেয়া এটাই ইঙ্গিত দেয় যে ক্লাব ছাড়ার সিদ্ধান্তে তিনি অটল। তবে পরিস্থিতি যা দাঁড়িয়েছে তাতে বার্সেলোনা ছেড়ে যাওয়া মেসির জন্য মোটেও সহজ হবে না। শুধু বার্সেলোনা নয়, লা লিগা কর্তৃপক্ষও একটি বিবৃতিতে জানিয়ে দিয়েছে, মেসি চাইলেই ফ্রি ট্রান্সফারে যেতে পারবেন না কোথাও। সেক্ষেত্রে তাকে ছাড়িয়ে নেয়ার মূল্য বা বাই আউট ক্লজ বহাল থাকবে। মেসির বাই আউট ক্লজ ৭০০ মিলিয়ন ইউরো। তবে মেসিকে পেতে আগ্রহী ইংলিশ ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটি এখনো বার্সেলোনার সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে। ইতালিয়ান সাংবাদিক টানস্রেডি পালমেরি টুইট করেছেন, মেসিকে নিয়ে ৪৫০ মিলিয়ন পাউন্ডের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। এই পরিকল্পনার অধীনে মোট পাঁচ বছরের চুক্তির তিন বছরের পরে মেসি ম্যানচেস্টার সিটির মালিকের আরেক ক্লাব নিউ ইয়র্ক সিটিতেও দুই বছর কাটাবেন। তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী, বার্সেলোনার প্রেসিডেন্ট জোসেপ বার্তেমেউ এবং মেসির বাবা বুধবার দেখা করবেন।


Sunday, 2 August 2020

দশ মাস ধরে বেতন পান না কোহলি-রোহিতরা!

দশ মাস ধরে বেতন পান না কোহলি-রোহিতরা!


লকডাউনে আর্থিক ক্ষতির শিকার কেবল আমজনতাই হয়নি। বিশ্বের ধনীতম ক্রিকেট বোর্ড বিসিসিআই-তেও আটকে আছে তারকা ক্রিকেটারদের বেতন। 
জানা গেছে, গত বছরের অক্টোবর থেকে বেতনহীন অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন কোহলি-রোহিত শর্মাসহ বোর্ডের ২৭ জন চুক্তিভিত্তিক ক্রিকেটার। চার মাস অন্তর ক্রিকেটাররা প্রাপ্য বেতন পেয়ে থাকেন। সেই হিসেবে ডিসেম্বর থেকে জাতীয় ক্রিকেট দল যে দুটো টেস্ট, আটটা টি২০ এবং নয়টা ওডিআই ম্যাচ খেলেছে, সেই টাকা এখনও বকেয়া রয়ে গেছে।
বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে চুক্তিবদ্ধ ক্রিকেটারদের বেতন দিতে বার্ষিক বিসিসিআই'র খরচ হয় ৯৯ কোটি রুপি। বোর্ডের কমপক্ষে আটজন ক্রিকেটার জানান, গত দশ মাস বেতন পাননি তারা। এই বিষয়ে অরুণ ধূমলকে ফোন করা হলে তার জবাব মেলেনি।

বিসিসিআই'র পক্ষ থেকে শেষবার ব্যালান্স শিট প্রকাশ করা হয়েছিল ২০১৮ সালের মার্চে। সেখানে বলা হয়েছে বোর্ডের নগদ ও ব্যাংক ব্যালেন্সের পরিমাণ ৫ হাজার ৫২৬ কোটি রুপি। ফিক্সড ডিপোজিটের পরিমাণ ২ হাজার ৯৯২ কোটি রুপি। ২০১৮ সালের এপ্রিলে বোর্ডের সঙ্গে স্টার টিভির সম্প্রচার স্বত্ব অনুযায়ী চুক্তির পরিমাণ ৬ হাজার ১৩৮ কোটি রুপি।
ঘটনাচক্রে, গত ডিসেম্বর থেকে বোর্ডের কোনও ফিনান্সিয়াল অফিসার নেই। গত মাস থেকে ফাঁকা রয়েছে জেনারেল ম্যানেজার এবং সিইও পোস্টও। বোর্ডের সংবিধান অনুযায়ী, সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলি এবং সচিব জয় শাহের মেয়াদ ফুরিয়েছে। সব মিলিয়ে বেশ টালমাটাল অবস্থায় বিসিসিআই।
ভারতীয় দলের এক তারকা জানালেন, বোর্ডের পক্ষ থেকে চুক্তিভুক্ত ক্রিকেটারদের জানানো হয়েছে, তিন মাস অন্তর বেতনের জন্য ইনভয়েস সংগ্রহ করতে। কিন্তু এবার কিছুই জানানো হয়নি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সেই ক্রিকেটার জানালেন, “বেতনের বিষয়ে কী হবে, তা নিয়ে কোনও স্পষ্ট ধারণা নেই আমাদের। শেষবার ফেব্রুয়ারিতে নিউজিল্যান্ড সফরের জন্য বেতনের ইনভয়েস সংগ্রহ করতে বলা হয়। সেই টাকাও জমা পড়েনি।”
শুধু জাতীয় দলের তারকা ক্রিকেটাররাই নন। বয়সভিত্তিক ও প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটারদেরও বেতন নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। যদিও বিসিসিআই'র ওয়েবসাইটে দাবি করা হয়েছে প্রত্যেক রাজ্য সংস্থাকে বেতন বাবদ ১০ কোটি করে টাকা দিয়ে দেওয়া হয়েছে।

Saturday, 1 August 2020

বাজেয়াপ্ত করা হবে পাক দলের সমস্ত সম্পত্তি!

বাজেয়াপ্ত করা হবে পাক দলের সমস্ত সম্পত্তি!



মাঠ হোক কিংবা মাঠের বাইরে। বিতর্ক যেন কিছুতেই পিছু ছাড়ে না পাকিস্তান ক্রিকেট দলের। ইংল্যান্ডে পৌঁছে করোনার কোপ থেকে বাঁচতে জৈব সুরক্ষা বলয়ে রয়েছে দল। কিন্তু একেবারেই নিরাপদে নেই তারা। কেন? কারণ ব্রিটেনের সঙ্গে ‘প্রতারণা’ করার ফল হাড়ে হাড়ে টের পেতে হচ্ছে দলকে! পাক দলের সমস্ত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে নেওয়ার হুমকি দিয়েছে ব্রিটেনের একটি কোম্পানি। 

ব্যাপারটা তাহলে একটু বিস্তারিত বলা যাক। একটি ইংরাজি সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ব্রডশিট LLC নামের ওই কোম্পানির থেকে ৩৩ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি অর্থ নিয়েছিল পাকিস্তান ও ন্যাশনাল অ্যাকাউন্টেবিলিটি ব্যুরো (NAB)। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেই অর্থ ফেরত দিতে ব্যর্থ হয় পাকিস্তান। এই মর্মে ব্রিটেনের সংস্থাটির পাক কাউন্সেল ‘অ্যালেন অ্যান্ড ওভারি’কে একটি চিঠি দেয়। কিন্তু জানা গিয়েছে, গত কয়েক মাস ধরে এ প্রসঙ্গে ইংলিশ সংস্থাকে কোনও প্রশ্নেরই উত্তর দেয়নি তারা। এরপর পাকিস্তান ও NAB-এর বিরুদ্ধে মামলা করে জয়ী হয় সংস্থাটি। পাক জাতীয় ক্রিকেট দলের সমস্ত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেয় আদালত। তখনকার মতো কোম্পানি কোনও পদক্ষেপ করেনি ঠিকই। তবে এবার ইংল্যান্ড সফরে এসেছেন বাবর আজম, আজহার আলিরা। করোনা আবহেই পাক ড্রেসিংরুমে ‘স্ট্রাইক’ চালাতে পারে সংস্থাটি। বিলেত ভূমে কান পাতলে অন্তত এমনটাই খবর। 


রীতিমতো হুমকির সুরেই কোম্পানি জানিয়েছে, পাক দল এখন ব্রিটেনে। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্টের প্রস্তুতি নিচ্ছে। বকেয়া না মেটানোয় দলের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হতে পারে। শুধু তাই নায়, লন্ডনে পাক দূতাবাস বিল্ডিং এবং হাই কমিশনারের বাড়িও বাজেয়াপ্ত করার কথা ভাবা হচ্ছে। নিউ ইয়র্কে রুসভেল্ট হোটেলটিও রয়েছে কোম্পানির নিশানায়।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ২০০০ সালে নওয়াজ শরিফের পরিবার-সহ পাক মুকুলের বেশ কিছু সরকারি আধিকারিকের দুর্নীতির তদন্ত করতে ভাড়া করা হয়েছিল ব্রডশিট LLC-কে। সেই সময়ে কাজের বিনিময়ে অর্থ পায়নি কোম্পানি। ২০ বছর পর সেই ঘটনার জন্য এবার চাপের মুখে বাবর আজমরা।

Thursday, 30 July 2020

আমাকে নিষিদ্ধ করার কারণ আমি আজও জানি না: আজহারউদ্দিন

আমাকে নিষিদ্ধ করার কারণ আমি আজও জানি না: আজহারউদ্দিন


ম্যাচ গড়াপেটার কারণে ভারতের সাবেক অধিনায়ক আজহারউদ্দিনকে আজীবন নির্বাসিত করেছিল বিসিসিআই। কিন্তু আদালেতে এই নির্বাসনের বিরুদ্ধে আবেদন করেছিলেন তিনি। ২০০০ সালের ডিসেম্বরে ম্যাচ ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকার কারণে আজহারউদ্দিনকে বিসিসিআই আজীবন নির্বাসনে পাঠায়। 
তবে দীর্ঘ লড়াইয়ের পরে আজহারউদ্দিনের বিরুদ্ধে নির্বাসন প্রত্যাহার করার জন্য বোর্ডকে নির্দেশ দেয় ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ হাইকোর্ট। ২০১২ সালে আদালত এটিকে 'অবৈধ' বলে অভিহিত করে।
ক্রিকেট পাকিস্তান ডটকমের ওয়েবসাইটে দেওয়া একটি সাক্ষাতকারে আজহারউদ্দিনতার জীবনের অন্যতম কঠিনতম সময়ের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, যা ঘটেছে তার জন্য আমি কাউকে দোষ দিতে চাই না। তবে আমাকে নিষিদ্ধ করার কারণ আমি আজও সত্যিই জানি না৷
সাবেক ভারত অধিনায়ক আরও বলেন, তবে আমি লড়াইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম এবং আমি কৃতজ্ঞ যে ১২ বছর পর আমি নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছি। তারপর হায়দরাবাদ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছি। পরে আমি বিসিসিআইয়ের এজিএম-এ যোগ দিয়ে আমি খুব সন্তুষ্ট বোধ করেছি।
 
আজহারউদ্দিন ৯৯টি টেস্ট খেলেছেন। ৪৫ গড়ে ৬১২৫ রান করেছেন। তিনি ৩৩৪ ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন। রান করেছেন ৯৩৭৮।

Monday, 27 July 2020

করোনার কোপে এবার অনলাইনেই উদযাপিত হবে মোহনবাগান দিবস, জেনে নিন কীভাবে শামিল হবেন

করোনার কোপে এবার অনলাইনেই উদযাপিত হবে মোহনবাগান দিবস, জেনে নিন কীভাবে শামিল হবেন


২৯ জুলাই। বাগান ভক্তদের গর্বের দিন। আবেগে ভেসে যাওয়ার দিন। গলা তুলে ‘আমাদের খুঁজলে পাবে, সোনায় লেখা ইতিহাসে’, গাওয়ার দিন। এই দিনটায় ময়দানের সবুজ-মেরুন তাঁবুর ছবিটা একেবারে পালটে যায়। আলো ঝলমলে হয়ে ওঠে গোটা ক্লাব। রঙিন ফুলে মুড়ে দেওয়া হয় গেট। জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে কোনও কিংবদন্তির হাতে তুলে দেওয়া হয় মোহনবাগান রত্ন। কিন্তু করোনা এবার ফিকে করে দিয়েছে ময়দানের সেই রং। তাই সদস্য সমর্থকদের আবেগ আর ভালবাসার কথা মাথায় রেখে মহামারীর মধ্যে একটু অন্যরকমভাবে মোহনবাগান দিবস (Mohun Bagan Day) উদযাপনের সিদ্ধান্ত নিলেন ক্লাব কর্তারা।

সোমবার ক্লাবের তরফে জানানো হল, এবার অমর একাদশের স্মরণে ভারচুয়াল অনুষ্ঠান হবে। অর্থাৎ পুরো ইভেন্টই হবে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে। সোশ্যাল মিডিয়ায় মোহনবাগানের অফিসিয়াল পেজে সেই অনুষ্ঠান লাইভ দেখতে পাবেন সমর্থকরা। সকাল সকালই শুরু হয়ে যাবে প্রোগ্রাম। চলবে সারাদিন। মোহনবাগান দিবস উপলক্ষে কী কী থাকবে অনুষ্ঠানে?

ক্লাবের প্রাক্তন কিংবদন্তি, সেলিব্রিটি ফ্যান এবং ক্লাব কর্তাদের সঙ্গে টক শোয়ের আয়োজন করা হচ্ছে। এছাড়াও এবছর যাঁদের সম্মানিত করা হবে, তাঁদেরও ভারচুয়াল মাধ্যমে উপস্থিত থাকার কথা। ঠিক কোন সময় কাকে দেখতে পাবেন, তা শীঘ্রই সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়ে দেওয়া হবে। এ প্রসঙ্গে মোহনবাগান সচিব সৃঞ্জয় বোস বলেন, “বর্তমানে এমন মহামারী পরিস্থিতিতে ক্লাবে মোহনবাগান দিবসের আয়োজন করা বেশ কঠিন কাজ ছিল। তাছাড়া ২৯ জুলাই রাজ্যজুড়ে লকডাউন জারি থাকবে। তাই সব দিক বিচার করেই আমরা এবছর অনলাইনে অনুষ্ঠান আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিলাম। এতে বাড়িতে বসেই মোহনবাগান দিবসের আবেগে ভাসতে পারবেন সমর্থকরা।” অর্থসচিব দেবাশিস দত্তরও আশা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে হতে চলা এই আয়োজন বাগান ভক্তদের পছন্দ হবে।

প্রসঙ্গত, এবার মোহনবাগান রত্নে সম্মানিত করা হবে হকির কিংবদন্তি গুরবক্স সিং এবং প্রাক্তন ক্রিকেটার পলাশ নন্দী। সেরা সিনিয়র ফুটবলারের পুরস্কার পাবেন জোসেবা বেইতিয়া। এর পাশাপাশি সেরা প্রশাসক হিসেবে প্রথম অঞ্জন মিত্র স্মৃতি পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে আইএফএ সচিব জয়দীপ মুখোপাধ্যায়ের হাতে।
ক্রিকেট বিশ্বের একমাত্র ব্যাটসম্যান যে ৯০, ১৯০,২৯০ স্কোরে আউট হয়েছে

ক্রিকেট বিশ্বের একমাত্র ব্যাটসম্যান যে ৯০, ১৯০,২৯০ স্কোরে আউট হয়েছে


ক্রিকেট দুনিয়ায় আজ পর্যন্ত অনেক তারকা খেলোয়াড় এসেছেন। ভারতীয় ক্রিকেট ইতিহাসের দিকে লক্ষ্য করলে দেখা যাবে যে প্রত্যেক যুগে ভারতের কাছে বিস্ফোরক আর ম্যাচ উইনার খেলোয়াড় মজুত ছিল। কিন্তু এসবের মধ্যেই ভারতে এমন একজন খেলোয়াড়ও এসেছেন যিনি ৯০,১৯০, আর ২৯০তে আউট হয়েছেন। সেই সঙ্গে এই খেলোয়াড় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজের ব্যাটিংয়ের প্রতিভা দেখিয়ে সেঞ্চুরি, ডবল সেঞ্চুরির সঙ্গে ট্রিপল সেঞ্চুরি করেও ইতিহাসে নিজের নাম নথিভুক্ত করেছেন। ভারতীয় ক্রিকেট দলের সবচেয়ে সফল ওপেনিং ব্যাটসম্যান হিসেবে গুনতি হওয়া বীরেন্দ্র সেহবাগ বিশ্বের একমাত্র এমন ব্যাটসম্যান যিনি নিজের টেস্ট কেরিয়ারে ৯০, ১৯০ আর ২৯০ রানে আউট হয়েছেন।


শুধু তাই নয় সেই সঙ্গে তিনি সেঞ্চুরি, ডবল সেঞ্চুরি এবং ট্রিপল সেঞ্চুরিও করেছেন। সেহবাগ একমাত্র ভারতীয় খেলোয়াড় যিনি নিজের কেরিয়ারে দুটি ট্রিপল সেঞ্চুরি করেছেন। ট্রিপ সেঞ্চুরির কাছে পৌঁছনো সেহবাগ নিজের উইকেট ২৯৩ রানে হারিয়েছিলেন। নয়ত আজ তার নামে তিনটি ট্রিপল সেঞ্চুরি হতো। কিন্তু এ সত্ত্বেও আসুন আপনাদের জানানো যাক যে সেহবাগ কবে কবে ৯০, ১৯০ আর ২৯০ রানে আউট হয়েছিলেন।

৯০,১৯০ আর ২৯০তে কবে আউট হন সেহবাগ? বীরেন্দ্র সেহবাগ ভারতীয় ক্রিকেট নিজের নাম স্বর্ণ অক্ষরে নথিভুক্ত করেছেন। কিন্তু তিনি ৯০,১৯০ আর ২৯০ত আউট হয়েছেন। ২০০৯ এ শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে চেন্নাইতে ব্যাটিং করার সময় বীরেন্দ্র সেহবাগ ২৯৩ রানের স্কোরে প্যাভিলিয়নে ফেরেন। এই ম্যাচে সেহবাগের আশা ছিল যে তিনি ট্রিপল সেঞ্চুরি করবেন, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত তিনি ২৯৩ রানেই আউট হয়ে যান। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে মেলবোর্ণের মাঠে ব্যাটিং করে সেহবাগ ১৯৫ রান করে আউট হয়ে গিয়েছিলেন।

অন্যদিকে সকলেরই আশা ছিল যে তিনি ডবল সেঞ্চুরি করবেন। এছাড়াও বেশ কয়েকবার সেহবাগ ৯০ রানে আউট হজন। ২০০৮এ অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ৯২ রান, ২০০৮ এই অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধেই বিদর্ভে ৯২ রান, ২০১০এ শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে কলম্বোতে ৯৯ রান, ২০১০ নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে হায়দ্রাবাদে ৯৬ রান করে আউট হয়েছিলেন সেহবাগ।

বিস্ফোরক ব্যাটিং করা বীরেন্দ্র সেহবাগ ভারতের হয়ে ২টি ট্রিপল সেঞ্চুরি করা একমাত্র ব্যাটসম্যান। সেহবাগের ব্যাট থেকে প্রথম ট্রিপল সেঞ্চুরি মুলতানে ৩০৯ রান করে করেছিলেন। এরপর তার ব্যাট থেকে দ্বিতীয় ট্রিপল সেঞ্চুরি চেন্নাইতে ২০০৮ এ ২৯ মার্চ ৩১৯ রান হিসেবে আসে।

Sunday, 26 July 2020

স্টুয়ার্ট ব্রড অপরাজিত ৪৯৯

স্টুয়ার্ট ব্রড অপরাজিত ৪৯৯


সকালে রাজত্ব ছিল তাঁর। ২২ বলে ১১ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের লেজ ছেটে দিয়েছিলেন স্টুয়ার্ট ব্রড। তাতে ইনিংসে ৬ উইকেটও হয়ে যায় ইংলিশ পেসারের। আর জেসন হোল্ডারের ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্রথম ইনিংসে অলআউট ১৯৭ রানে। ১৭২ রানের লিড পায় ইংল্যান্ড।
ফাইনাল হয়ে ওঠা শেষ টেস্টের শেষ বিকেলটাও রাঙালেন সেই ব্রড। ম্যাচ জিততে করতে হবে ৩৯৯ রান। চতুর্থ ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমেই আবার ব্রডের তোপের মুখে ওয়েস্ট ইন্ডিয়ানরা। নিজের প্রথম ওভারে ওপেনার জন ক্যাম্পবেলকে স্লিপে অধিনায়ক রুটের ক্যাচ বানানোর পর পরের ওভারের প্রথম বলেই তুলে নিলেন নৈশপ্রহরী হিসেবে নামা কেমার রোচকে। উইকেটটি টেস্ট ক্রিকেটে ব্রডের ৪৯৯। ওয়েস্ট ইন্ডিয়ানরা আর কোনো উইকেট না হারিয়ে ৬ ওভারে ১০ রান তুলে দিন শেষ করেছে।
ম্যাচের চতুর্থ দিনে ইতিহাসের সপ্তম ও ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় বোলার হিসেবে ব্রড ৫০০ উইকেটের মাইলকলক ছুঁতে পারবেন কি? উত্তরটা জানতে তাকিয়ে থাকতে হবে ম্যানচেস্টারের আকাশের দিকে। আবহাওয়া অফিস যে বলছে ভেসে যেতে পারে পুরো চতুর্থ দিনের খেলাই। তবে মঙ্গলবার শেষ দিনে আবার বৃষ্টির পূর্বাভাস নেই।
ওই পূর্বাভাসকে মাথায় রেখেই তৃতীয় দিনের শেষ সেশনে ব্যাট হাতে আগুন ঝরালেন জো রুট ও ররি বার্নস। সময় কম, কিন্তু উইজডেন ট্রফি ফিরে পেতে জয় ছাড়া উপায় নেই। কম সময়ে বেশি রান তুলে বড় লক্ষ্য দিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে আবারও অলআউট করার মতো সময় তো বের করতে হবে!
দ্বিতীয় উইকেটে মাত্র ১৭.১ ওভারেই ১১২ রান যোগ করলেন দুজন। ৯০ রান করে বার্নস আউট হতেই ২২৬ রানে ইনিংস ঘোষণা করলেন ৫৬ বলে ৬৮ রান করা রুট। অথচ ডম সিবলি–ররি বার্নসের উদ্বোধনী জুটি ১১৪ রান করতে লাগিয়ে ফেলেছিল ৪০.৫ ওভার। যা দেখে মাইকেল ভনের মতো সাবেকরা সমালোচনাও করেছিলেন। উদ্বোধনী জুটিটা অবশ্য ভাঙতে পারত ৩৮ রানেই। হয়নি মুখে বল লেগে আহত হয়ে মাঠের বাইরে চলে যাওয়া উইকেটকিপার শেন ডাউরিচের বদলি হিসেবে নামা জশুয়া ডি সিলভার জন্য। রোস্টন চেজের বলে বার্নসকে স্টাম্পিং করার সহজ সুযোগ নষ্ট করেছেন ২২ বছর বয়সী উইকেটকিপার। বার্নসের রান তখন ১২।
‘দাদা’র হয়ে ব্যাট ধরলেন সঙ্গাকারা

‘দাদা’র হয়ে ব্যাট ধরলেন সঙ্গাকারা


বেশ কিছুদিন ধরেই ক্রিকেট মহলে কানাঘুষো শোনা যাচ্ছে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় (Sourav Ganguly) নাকি আইসিসির প্রেসিডেন্ট হতে পারেন। গ্র্যাম স্মিথ, ডেভিড গওয়ারের মতো প্রাক্তনীরা ইতিমধ্যেই সৌরভকে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থার কর্তা হিসেবে দেখার ইচ্ছাপ্রকাশ করেছেন। এবার সেই তালিকায় নাম লেখালেন শ্রীলঙ্কার কিংবদন্তী ক্রিকেটার তথা প্রাক্তন অধিনায়ক কুমার সঙ্গাকারা (Kumar Sangakkara)। সঙ্গা বললেন, এই মুহূর্তে আইসিসির সভাপতি হওয়ার একেবারে আদর্শ ব্যক্তি হলেন সৌরভ।

সৌরভের আইসিসি (ICC) চেয়ারম্যান হওয়া নিয়ে শ্রীলংকার প্রাক্তন অধিনায়ক বলছিলেন, ‘আমি দাদার বড়সড় ফ্যান। শুধু একজন ক্রিকেটার হিসেবে নয়, আমার মনে হয় ওঁর ক্রিকেট বুদ্ধিও খুব ভাল। দাদা মন থেকে ক্রিকেটের ভাল চায়। আর সেটা বিসিসিআই বা আইসিসি বা অন্য কোনও ক্রিকেট সংস্থার প্রধান হয়ে গেলেও বদলাবে না। সৌরভ পারবে এই চ্যালেঞ্জটা নিতে। আসলে ক্রিকেটের ভিত্তিই হল সমর্থক, দর্শক আর শিশুরা। আমি অনেকদিন আগে থেকে সৌরভের কাজ দেখছি। এমসিসির (MCC) সদস্য থাকার সময় থেকে। বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগে থেকে। গোটা বিশ্বের ক্রিকেটারদের সম্পর্কে দুর্দান্ত সম্পর্ক তৈরি করেছে সৌরভ। আমার মনে হয় ও এই কাজটা খুব, খুব, খুব ভালভাবে করতে পারবে। আমার কোনও সন্দেহ নেই, সৌরভ আইসিসি চেয়ারম্যান হওয়ার আদর্শ ব্যক্তি।

সঙ্গার এই বয়ান সৌরভকে আইসিসির চেয়ারম্যান হওয়ার দৌড়ে আরও খানিকটা এগিয়ে দিল, তাতে সন্দেহ নেই। এর আগে সৌরভ নিজেও আইসিসির শীর্ষপদে বসা নিয়ে ধোঁয়াশা জিইয়ে রেখেছেন। বিসিসিআই (BCCI) প্রেসিডেন্ট বলেছেন, “আমি জানি না এই মুহূর্তে আমি বিসিসিআই ছেড়ে যাওয়ার অনুমতি পাব কিনা। সুতরাং এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না। নির্ভর করছে বিসিসিআইয়ের সিদ্ধান্তের উপর। তাছাড়া আমার এমন কিছু তাড়াহুড়োও নেই। এখনও আমার এমন বেশি বয়স হয়নি। আর এই পদগুলি সাম্মানিক পদ। জীবনে একবারই এসব পদ পাওয়া যায়।”

Saturday, 25 July 2020

শেষমেশ ক্রিকেটের সমস্ত ফর্ম্যাট থেকে এই ভারতীয় খেলোয়াড় করলেন অবসর ঘোষণা

শেষমেশ ক্রিকেটের সমস্ত ফর্ম্যাট থেকে এই ভারতীয় খেলোয়াড় করলেন অবসর ঘোষণা


এই মুহূর্তে মিডিয়ায় মহেন্দ্র সিং ধোনির অবসরের অনুমান করা হচ্ছে। যদিও এখনো পর্যন্ত মহেন্দ্র সিং ধোনি অবসর নেননি। ক্রিকেট সমর্থকদের আশা যে ২০২০র টি-২- বিশ্বকাপ পর্যন্ত তিনি ভারতীয় দলের হয়ে অবশ্যই খেলবেন। কিন্তু এর মধ্যেই তার এক পুরোনো সতীর্থ খেলোয়াড় ক্রিকেটের সমস্ত ফর্ম্যাট থেকে নিজের অবসর ঘোষণা করে দিয়েছেন।

ভারতীয় দলের হয়ে ২০০৩ সালের বিশ্বকাপে খেলা দীনেশ মোঙ্গিয়া ক্রিকেটের সমস্ত ফর্ম্যাট থেকে নিজের অবসর ঘোষণা করে দিয়েছেন। জানিয়ে দিই যে ৪২ বছর বয়েসী দীনেশ মোঙ্গিয়া ভারতীয় দলের হয়ে ৫৭টি ওয়ানডে আর ১টি টি-২০ ম্যাচ খেলেছেন। দীনেশ মোঙ্গিয়া মার্চ ২০০১ এ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক করেছলেন। তিনি অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে প্রথম ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছিলেন।

দীনেশ মোঙ্গিয়া বাঁহাতি ব্যাটসম্যান ছিলেন। তারও শুরুর ক্রিকেট কেরিয়ার যথেষ্ট ভাল ছিল, কিন্তু পরে তিনিও ফ্লপ প্রমানিত হতে থাকেন আর তাকে দল থেকে বাদ দেওয়া হয়। তিনি ২০০২ এ জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে ১৫৯ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছিলেন। নিজের কেরিয়ারের শুরুতে তিনি ভারতীয় দলের হয়ে লাগাতার রান করেন। কিন্তু ২০০৫ এ তার ব্যাট থেকে রান বেরনো বন্ধ হয়ে যায়, যারপর তাকে ভারতীয় দল থেকে ড্রপ করা হয়।

দীনেশ মোঙ্গিয়া ভারতের হয়ে ৫৭টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছিলেন। যারমধ্যে তিনি ২৭.৯৫ গড়ে ১২৩০ রান করেন। তিনি ১টি টি-২০ ম্যাচও ভারতীয় দলের হয়ে খেলেন। যেখানে তিনি ৩৮ রানের একটা ভাল ইনিংস খেলেছিলেন। তিনি বোলিংও করতেন, তিনি ভারতীয় দলের হয়ে ওয়ানডেতে ১৪টি উইকেটও নিয়েছলেন। পাঞ্জাবের হয়ে ঘরোয়া ক্রিকেট খেলা দীনেশ মোঙ্গিয়া ১২১টি প্রথম শ্রেণীর ম্যাচ খেলেছেন, অন্যদিকে লিস্ট এ ক্রিকেটে তিনি ১৯৮টি ম্যাচ খেলেছেন। প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে তিনি ৪৮.৯৫ এর দুর্দান্ত গড়ে ৮০২৮ রান করেন, অন্যদিকে নিজের লিস্ট এ কেরিয়ারে তিনি ৩৫.২৫ গড়ে ৫৫৩৫ রান করেন।