ট্রেন চালু হওয়ার লক্ষ্যে যাত্রী সুরক্ষার জন্য নিরাপত্তা বলয় এবং বৃত্তের নিশান ও রং মুছে যাওয়ার মুখে। শুধুমাত্র চলছে রেল স্টাফদের জন্য স্পেশাল ট্রেন। আর কোনো কোনোদিন স্টেশন চত্বরে চলছে শ্রমিক সংগঠন গুলির বিক্ষোভ ও মিছিল সমাবেশ।সোমবার ও বারাসাত স্টেশন লাগোয়া অংশে বাম শ্রমিক সংগঠন ঠিকা শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষায় বিক্ষোভ অবস্থান করলেন।রুজি রোজগার বন্ধ থাকায় রেলওয়ে হকার দের ও নাভি শ্বাস উঠছে। যাত্রী সাধারণের অবস্থা তথৈবচ। যাত্রী সাধারণ বাসে বাদুড় ঝোলা হয়ে চলেছেন নিত্য প্রয়োজনে।
যাত্রী সাধারণ এবং সিটু সহ একাধিক শ্রমিক সংগঠন প্রশ্ন তুলছেন বাসে কি বিশেষ জৈব সুরক্ষা বলয় আছে। ফলশ্রুতি স্টাফ ট্রেনে ভিড় হচ্ছে কারণ নিষেধ না মেনে শুধুমাত্র রেল স্টাফেরা নয়, উঠে পড়ছেন যাত্রী সাধারণ ও। কিছু ক্ষেত্রে অপ্রিয় পরিস্থিতির অবতারণা হচ্ছে। রেল পরিষেবা ও রেলের গন্ডির সাথে যুক্ত মানুষ বলছেন অনন্যোপায় হয়েই মানুষ স্টাফ ট্রেনে উঠছেন।মানুষজন বলছেন, ট্রেন চলাচল নিয়ে আসন্ন বৈঠকে বাধা নিষেধ তুলে দিয়ে চালু করা হোক লোক্যাল ট্রেন।
মানুষ প্রশ্ন তুলছেন, খুলে গেছে সমস্ত পরিষেবা তখনকেন কেবলমাত্র ট্র্রেনকে বন্ধ রাখা হবে? পাশাপাশি, করোনা আবহে ভিড় ট্রেনে যাত্রীদের সংক্রমণের আশংকা উড়িয়ে দিচ্ছেন না অনেকেই।উভয় সংকট উদ্ভব হওয়ার ফলে রাজ্যে ট্রেন চলাচল সংক্রান্ত রেল কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত এখন লাখ টাকার প্রশ্ন। এ প্রসঙ্গে রাজ্য কেন্দ্র মীমাংসা সুত্র কি দিশা নেয় তা সময়ই বলবে।রেল কর্তৃপক্ষের দশা এখন শাঁখের করাতের মত তা বলাই বাহুল্য।




0 coment rios: