Wednesday, 7 October 2020

উত্তরপ্রদেশের হাথ্রাসের রেস এসে পরল কামদুনিতে, কামদুনি গণধর্ষণ মামলায় অভিযুক্তদের শাস্তির দাবিতে ফের উত্তাল কামদুনি


উত্তরপ্রদেশের হাথ্রাসে মনীষা বাল্মিকী কে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার রেশ এসে পড়ল উত্তর 24 পরগনার কামদুনিতে। দীর্ঘ সাত বছর পর আবার ক্যামেরা ঝলসে উঠল কামদুনির ধর্ষিতা শিপ্রা ঘোষ এর শহীদ বেদী।বুধবার দুপুরে বিশিষ্টজনেরা কামদুনির শিপ্রা ঘোষ এর ধর্ষক ও খুনিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে কামদুনি মোরে তারা শহীদ বেদী কে ঘিরে প্রতিবাদ সভা করেন। উপস্থিত ছিলেন চিত্রকর সমীর আইচ, সমাজকর্মী শাশ্বতী ঘোষ, কামদুনি প্রতিবাদী মঞ্চের পক্ষে প্রদীপ মুখার্জী, মৌসুমী কয়াল, টুম্পা কয়াল, ভাস্কর মন্ডল, প্রাক্তন মন্ত্রী রেখা গোস্বামী, প্রয়াত সুভাষ চক্রবর্তীর স্ত্রী রমলা চক্রবর্তী সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।এদিন শহীদ বেদীতে মাল্যদান করা হয় এবং শিপ্রা ঘোষ এর ধর্ষক ও খুনিদের এখনো কোনো সাজা হয়নি তাই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত শাস্তি ঘোষণা ও তা কার্যকরী করে
সেই বিচারাধীন মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির দাবি করা হয়। শিপ্রা ঘোষ এর পরিবারের তরফ থেকে উপস্থিত ছিলেন দাদা সন্দ্বীপ ঘোষ ও ভাই প্রসেনজিৎ ঘোষ।  তাদের দাবি অবিলম্বে দোষীদের ফাঁসি দিতে হবে। যাতে ভবিষ্যতে আর এই ধরনের কোনো ঘটনা না ঘটে, আমার মত আর কেউ যেন বোন  হারা না হয়। 

ভাগ্যিস হাথ্রাস হয়েছিল তাই কামদুনির কথা আবার মনে পড়ল ওদের। আগে তো প্রতি মাসের 7 তারিখে শহীদ দিবস পালন করত, তারপর আর তাদের দেখা যায় নি। কামদুনি প্রতিবাদী মঞ্চকে কটাক্ষ করে এমন মন্তব্য করলেন কামদুনি শান্তি রক্ষা কমিটির সভাপতি সোনা ঘোষ । তার অভিযোগ আমরা গ্রামের সবাই এক সঙ্গে আন্দোলন প্রতিবাদ বিক্ষোভ করেছিলাম কিন্তু আমাদের গ্রামের মানুষের পাশে ওরা নেই। শিপ্রা ঘোষের পরিবারের সদস্যরা আর কেউ আমাদের গ্রামে থাকেন না। সবাই চাকরী পেয়ে শাসনে মামা বাড়ীতে চলে গেছে।

গ্রামের মানুষদের সাথে কোনো রকম যোগাযোগ রাখে না। শিপ্রার মৃত্যুতে পরিবারের সদস্যরা যথেষ্ট লাভবান হয়েছেন। আমরাও চাই শিপ্রার খুনি ও ধর্ষকদের শাস্তি হোক। কিন্তু সরকার ও আইনের ওপর ভরসা করতে হবে।সোনা ঘোষ আবার কামদুনির যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি।দলের তরফেও গ্রামবাসীদের পক্ষ থেকে শিপ্রা ঘোষের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করেন। সোনা ঘোষের দাবি দল শিপ্রার পরিবারের জন্য অনেক উপকার করেছে। এখন যদি সরকারের বিরুদ্ধে কিছু বলে সেটা অন্যায়।





শেয়ার করুন

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios: