ফের পুলিশের ফাঁদে চোরাশিকারি। এবার ১৩ কেজি হরিণের মাংস-সহ এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করল মইপীঠ (Maipith) থানার পুলিশ। ধৃতের কাছ থেকে মিলেছে বন্যপ্রাণীদের ধরার একটি ফাঁদ।
জানা গিয়েছে, গোপন সূত্রের খবরের ভিত্তিতে শুক্রবার রাতে ধৃত মনীন্দনাথ দাসের বাড়িতে হানা দেয় বনদপ্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার মইপীঠ থানার পুলিশ। সেখানে তল্লাশি চালাতেই মেলে ১৩ কেজি হরিণের মাংস। এরপরই গ্রেপ্তার করা হয় ওই ব্যক্তিকে। এবিষয়ে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডিএফও জানান, “ফাঁদ পেতে বন্য প্রাণীদের শিকারের পিছনে ধৃত মনীন্দ্রনাথ দাস ছাড়া আর কে বা কারা রয়েছে তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।” তাঁর কথায়, সম্ভবত দু’দিন আগে ফাঁদ পেতে হরিণটিকে মারা হয়েছিল। এদিন ডিএফও বলেন, “এই হরিণ মারার ফাঁদে পড়ে অনেক বন্যপ্রাণীর মৃত্যু হয়েছে আগে। বছর দেড়েক আগে ফাঁদে পড়ে একটি রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের মৃত্যু হয়েছিল। চোরাশিকার যাতে বন্ধ করা যায় তার জন্য বন দপ্তর সবরকম চেষ্টা চালাচ্ছে।”
প্রসঙ্গত, এই প্রথম নয়। প্রায়ই বন্যপ্রাণী হত্যার খবর প্রকাশ্যে আসে। চোরাশিকারিদের ধরতে অভিযান চালায় বনদপ্তর। অভিযুক্তরা ধরাও পড়ে। কিন্তু তা সত্ত্বেও ফের একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটে। সম্প্রতি গরুমারায় একটি বাইসন হত্যা করে কয়েকজন যুবক। সেই মাংস দিয়ে ভুরিভোজও সারে। খবর পেয়ে অভিযুক্তদের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে মাংসও উদ্ধার করেছিল পুলিশ। সেই ঘটনাতেও বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।


0 coment rios: