হাওড়ার সাঁকরাইল থানার অন্তর্গত হিরাপুর পাল পাড়া এলাকায় রবিবার সকাল ৬ নাগাদ তাসের ঘরের মতো হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে নবনির্মিত শ্মশান এবং স্নানের ঘাট। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। এরপরে গ্রামবাসীরা ছুটে আসে ঘাটে। এই শ্মশান ঘাট দীর্ঘদিন এলাকার মানুষের একটা বড় চাহিদা ছিল। তবে এই শ্মশানঘাট পি ডব্লিউ ডি এর আন্ডারে থাকলেও জেলা পরিষদ এই শ্মশান পুনঃনির্মাণের কাজে দায়িত্ব নিয়েছিলেন।
গ্রামবাসীদের অভিযোগ সিমেন্ট এবং রড এর গুণগত মান খারাপের জন্য এই বিপত্তি ঘটে। এমনটি অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের। পাশাপাশি জেলা পরিষদের সদস্য প্রিয়া পাল এর বিরুদ্ধে আঙ্গুল ওঠে। এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে তিনি বলেন যদি গুণগতমান খারাপ হয়ে থাকে তাহলে পূর্ণ তদন্ত হোক তাতেই বোঝা যাবে।পুরানো ভিতের উপরেই এই নতুন শ্মশান নির্মাণের কাজ হয়েছে।13 লক্ষ টাকার বাজেট ছিল এই শ্মশান তৈরিতে মাটি পরীক্ষা করা হয়নি । জেলা পরিষদের সদস্য বলেন এত কম টাকার বাজেটে মাটি পরীক্ষা হয় না। প্রশ্নচিহ্ন ওঠে নেত্রীর কথায় তিনি সাফ জানিয়েছেন এত কম টাকায় কাজ হয়না । তাহলে সব জেনেশুনেই নেত্রী মাটি পরীক্ষা না করে বা পুরোনো জিতের উপরে যে শ্মশান বানালেন সেটা কি জেনেশুনে বিপদ নিয়ে আসলেন না?এমনটি অভিযোগ তুললেন সাধারণ মানুষ।নিচে থেকে উপর পর্যন্ত কাটমানি খাওয়ার জন্যই ভেঙে পড়ে এই নতুন সদ্য তৈরি হওয়া এই শ্মশান এমনটাই গুরুতর অভিযোগ করলেন বিজেপি তরফ থেকে।পাশাপাশি বিজেপির পক্ষ থেকে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত এবং কাট মানি খাওয়ার পেছনে কারা যুক্ত রয়েছেন তা তদন্ত দাবি করলেন। বিজেপি এবং গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে।




0 coment rios: