ভারত পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করায় বাংলাদেশে সোনার মত ভরি তে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ। আস্ত পেঁয়াজ কেনার সামর্থ্য হারানোয় একটা পিয়াজের কেউবা অর্ধেক কেউ আবার 10থেকে 50 ভরি পিয়াজ ভাগাভাগি করে কিনছেন।
তবে এরই মধ্যে একসাথে তিনটি পিয়াজ কিনে নজির সৃষ্টি করেছেন ঢাকার বিত্তশালী এলাকা বলে পরিচিত গুলশান একের বাসিন্দা মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম সাহেব । ঢাকার রাজপথে চলমান 100 টি রিস্কার গর্বিত মালিক জাহিরুল সাহেব । একসাথে তিনটি আস্ত পিয়াজ কিনে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন। তবে সংকটের বাজারে একসাথে এতগুলো টাকার পিয়াজ কেনায় তীব্র সমালোচনার মুখোমুখি হয়েছেন তিনি। তার আর্থিক উৎসের খোঁজ নিতে ইতিমধ্যেই দুদক তলব করেছে তাকে। তবে জহিরুল সাহেব বলছেন কোন কালো টাকার ব্যবহার নয় একসাথে কুড়িটি রিক্সা বিক্রি এই পিয়াজ ক্রয় করেছেন তিনি । রিক্সা বিক্রি এবং পিয়াজ ক্রয় সংক্রান্ত যথাযথ প্রমাণ তার কাছে আছে,আইনজীবী মারফত তিনি সেই কাগজপত্র দুদকের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছেন।
অন্যদিকে বাংলাদেশের পিয়াজের সবচেয়ে বড় আরত খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ীরা নতুন করে ভারত থেকে পেঁয়াজ না আসা পর্যন্ত তাদের স্টকে থাকা শেষ পাঁচ কেজি পেঁয়াজ কে জাতীয় সম্পদ ঘোষণা করার দাবি জানিয়েছেন। দেশের অন্যতম বৃহৎ বাজার শ্যামবাজারের এখনো পর্যন্ত পিঁয়াজ বিক্রি হলেও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা রক্ষী না থাকলে গ্রাহক কে পিঁয়াজ বিক্রি করছেন না বিক্রেতারা। তবে এসবের বাইরে ঢাকার কারওয়ান বাজারে পিয়াজের দোকানকে অনেকটা সোনার দোকানের মত সাজিয়ে রেখেছেন বিক্রেতারা।পিয়াজের দোকানের পাশেই ব্যাঙ্কগুলি চালু করেছে পিয়াজ রাখার জন্য স্পেশাল লকার সিস্টেম।
সাধারণ মানুষ বলছেন পিয়াজের জন্য এভাবে কাঁদতে হলে ভারতের সাথে অভিন্ন 53 টি নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা নিয়ে আর সংঘাতে জড়াতে হবে না। জনগণের চোখের পানি নদী ভরিয়ে তুলবে। তবে এমনটা হলে ফের ভয়াবহ বন্যার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।
( ঢাকা-কলকাতা কে নিয়ে মজার ছলে একাধিক সংবাদ প্রকাশিত করে বিতর্ক সৃষ্টি করায় কলকাতা মজার ছলে ঢাকাকে জানান দিল কলকাতাও মজা করতে জানে । সম্পূর্ণ সংবাদ কাল্পনিক এর সাথে বাস্তবের কোন মিলই নেই। বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের জনগণ আমাদের অকৃত্রিম বন্ধু )


0 coment rios: