আজ ভোর বেলায় গাছটি সশব্দে টালির চালে ভেঙে পড়লে খাটে ঘুমন্ত অবস্থায় বিজলি দেবীর গায়ে পড়ে l পাড়া প্রতিবেশীর সহযোগিতায় পরিবারের সকলকে উদ্ধার করে চুঁচুড়ার ইমাম বাড়া সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে হাসপাতাল কতৃপক্ষ বিজলী দেবীকে মৃত বলে ঘোষনা করেন l ঘটনা প্রসঙ্গে মৃত মহিলার ছেলে সুজয় দাস বলেন ক্ষতিগ্রস্ত গাছটি কেটে ফেলার জন্য চেয়ারম্যান কে জানিয়ে ছিলাম কিন্তু উনি আমাদের কথা শোনেন নি। তাই আমাদের এতো বড় ক্ষতি হয়ে গেলো l বিজলী দেবী ছেলে ও স্বামীকে নিয়ে সুখে শান্তিতে থাকতে গঙ্গার ধারে একটি এক চালার টালির ঘরে সংসার পাতে। কিন্তু তাঁর আর শেষ রক্ষা হলো না। করোনা, লক ডাউন আর্থিক অনটনে জর্জরিত ছিল বিজলীর সংসার । তবুও স্বামী ছেলের সামান্য রোজগারে কোনো রকমে দিন গুজরান করতেন। কিন্তু রবিবারের ভোর গঙ্গা পাড়ের এই ছোটো টালির ঘরে বিজলী চমকের মত বিজলী দেবীর প্রাণটা বেড়িয়ে গেলো কদম গাছের ডাল চাপা পড়ে।
সরকারি অবহেলায় গাছের ডাল ভেঙে ঘুমন্ত অবস্থায় মৃত্যু এক মহিলার
অভাগীর স্বর্গ লাভ । স্বামীর বুকেই মাথা রেখে ঘুমের ঘোরেই মৃত্যু হত দরিদ্র গৃহ বধূর। রবিবার সকালেই আচমকা হুগলি জেলার চুঁচুড়া পৌরসভার 28 নং ওয়ার্ড কনকশালী বোস ঘাট এলাকায় আমফানে ক্ষতিগ্রস্থ একটি কদম গাছের ডাল ভেঙ্গে পড়ে একঠি টালির ঘরে । ঘটনা স্থলে মুত্য হয় ঐ ঘরের গৃহবধু বিজলি দাসের(40) । স্বামী পেশায় রিক্সা চালক নাম বিশ্বনাথ দাস । ছেলে সুজয় কে নিয়ে স্বামী স্ত্রী টালির ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন l



0 coment rios: