Sunday, 2 August 2020

নতুন মানচিত্র জাতিসংঘ-গুগলে পাঠাচ্ছে নেপাল


সম্প্রতি ভারতের ‘দখলে থাকা’ ভূখণ্ড নিজেদের মানচিত্রে অন্তর্ভুক্ত করে নেপাল।  এতে ‘কালাপানি, লিপুলেখ এবং লিম্পিয়াধাউরাকে’ অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এরপর সেই সংশোধিত মানচিত্র পাস হয় দেশটির পার্লামেন্টে। এখন সেটি জাতিসংঘ ও গুগল কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছে নেপাল।
শনিবার নেপালি সংবাদমাধ্যমের খবরে নেপালের এই পরিকল্পনার বিষয়টি সামনে এসেছে।
নেপালের ভূমি ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী পদ্মা আরিয়াল বলেন, ‘আমরা কালাপানি, লিপুলেখ এবং লিম্পিয়াধাউরাকে লিম্পিয়াধুরাকে সংযুক্ত করে সংশোধিত মানচিত্র খুব শিগগিরই আন্তর্জাতিক গোষ্ঠীর কাছে পাঠাচ্ছি।’
পাশাপাশি ইংরেজিতে একটি বইও ছাপাতে চলেছে নেপাল সরকার। তাতেও নেপালের সংশোধিত মানচিত্র থাকবে।
গত জুনে মানচিত্র সংশোধন করার প্রস্তাব নেপালের সংসদে পাস হয়। এই মানচিত্রে বর্তমানে ভারতের নিয়ন্ত্রণে থাকা তিনটি অংশ- কালাপানি, লিপুলেখ এবং লিম্পিয়াধাউরা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। নেপালের ২৭৫ আসনবিশিষ্ট সংসদের ২৫৮টি ভোটে ওই বিল পাস হয়।
এই সময় জানায়, চলতি বছরের ৮ মে লিপুলেখ থেকে ধরচুলা পর্যন্ত সড়ক উদ্বোধন করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। এর পরই ভারতের সঙ্গে নতুন করে সীমান্ত বিরোধে জড়িয়ে পড়ে নেপাল।
নেপাল ও ভারতের মধ্যে ১৬ হাজার কিলোমিটারের বেশি খোলা সীমান্ত রয়েছে। তার মধ্যে বেশ কয়েকটি জায়গা নিয়ে দু-দেশের মধ্যে বিরোধ রয়েছে। বিরোধের কেন্দ্রে থাকা ভূখণ্ডগুলোর মধ্যে- কালাপানি, লিপুলেখ এবং সুস্তা অন্যতম। অনেক দিন ধরেই এই ইস্যুতে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে ভারত ও নেপাল।
বর্তমান বিতর্কের কেন্দ্রে কালাপানি, লিপুলেখ এবং লিম্পিয়াধাউরা- এই তিনটি অংশই রয়েছে নেপালের উত্তর-পশ্চিমে। এর দক্ষিণে ভারতের কুমায়ুন এবং উত্তরে চীনের তিব্বত। এই ভূখণ্ডটি ভারত, নেপাল ও চীনের একটি সংযোগস্থল হওয়ায় কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়।

শেয়ার করুন

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios: