চেন দিয়ে গলায় জড়িয়ে খুন করত মহিলাদের। তার পর সেই মৃত মহিলার সাথে যৌন সম্পর্ক করতোঅবশেষে চেন কিলারের ফাঁসির সাজা।
চেন কিলার কামরুজ্জামান সরকারের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিলেন পূর্ব বর্ধমান জেলা কালনা মহকুমা আদালতের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা বিচারক।
গত বছরের ৩০ মে কালনা থানার সিঙ্গেরকোণ গ্রামে বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে এক কিশোরীকে ধর্ষণ ও খুনের চেষ্টা করে। কিশোরীর মা ঘরে ফিরে তার মেয়েকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে। এরপর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কয়েক দিন চিকিৎসা চলার পর ১২ জুন সেখানেই তার মৃত্যু হয়। এরপরই পুলিশের জালে ধরা পরে কামরুজাম্মান। ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে উঠে আসে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য।
কিভাবে অপারেশন চালাতো চেন কিলার?
পুলিশের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী জানা যায়, কোনও বাড়িতে মহিলা সদস্য একা থাকলে সেই বাড়ি হয়ে যেত টার্গেট। বিদ্যুত দপ্তরের কর্মী পরিচয় দিয়ে বিদ্যুতের মিটার দেখার অছিলায় সেই বাড়িতে ঢুকত কামরুজ্জামান। এরপর সুযোগ বুঝে চেন দিয়ে গলায় জড়িয়ে খুন করত মহিলাদের। তার পর সেই মৃত মহিলার সাথে যৌন সম্পর্ক করতো। গত ২ জুলাই বৃহস্পতিবার কামরুজ্জামানকে এই মামলায় দোষী সাব্যস্ত করেন বিচারক। সোমবার সেই মামলার সাজা ঘোষণা করলেন বিচারক।
গত শুত্রুবার ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪৪৮ / ৩৭৬A / ৩০২ এবং পকসো আইনের ৬ ধারায় অভিযুক্ত কামরুজাম্মান সরকার কে দোষী সাব্যস্ত করেছিলেন বিচারক। এদিন সোমবার সেই মামলার চুড়ান্ত সাজা ঘোষণা করা হয়।
কালনা আদালত সূত্রে জানা গেছে, ৩০২ ধারায় মৃত্যুদন্ড, ৩৭৬A ধারায় যাবজ্জীবন, ৪৪৮ ধারায় এক বছরের কারাদণ্ড এবং পকসো আইনের ৬ ধারায় অভিযুক্তের সাজা ঘোষণা করেন বিচারক।
এই রায়ে নাবালিকার পরিবারের খুশি সকলেই



0 coment rios: