আজ সকালে নিউটাউনের ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমনে আসেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।
লকডাউন নিয়ে তিনি জানান, লকডাউন ব্যাপারটা প্রথম থেকে বিভ্রান্তিকর ছিল। এখানকার রাজ্য সরকারের লকডাউন মানার কোনো ইচ্ছা ছিল না। বিশেষ বিশেষ এলাকা বা সম্প্রদায়ের মানুষ লকডাউন মানতে চাইনি। আর সেটাকে ছুট দেওয়া হয়েছে। তাই সময়ে লকডাউন প্রভাব পড়েনি, লাভও হয়নি তাই আজকে সংক্রমন বাড়ছে। অন্যান্য রাজ্যে লাভ পেয়েছে তাই এখন হয়ত মনে হয়েছে। তাই মুখ্যমন্ত্রীর মনে হয়েছে লকডাউন করার দরকার। সেই লকডাউন নিয়েও বিভ্রান্তি যাইনি। কালকে তিনবার ডেট চেঞ্জ করতে হয়েছে। আমি জানি না আবার চেঞ্জ হবে কি না। এর পিছনে কোনো চিন্তা ভাবনা বা প্ল্যানিং কিছু নেই। হঠাৎ মুখ্যমন্ত্রীর মনে হয় বলে দেন। আবার নাকি বলেছেন ক্যালেন্ডারে ভুল আছে। জানি না কার কার মাথায় কি আছে। এভাবে মানুষকে কনফিউস করতে গেলে লকডাউনের সত্যি সত্যি গুরুত্ব কমে যাবে। লাগু পাওয়া যাবে না। কারন কি যারা কাজকর্ম করেন খেটে খান দোকানপাট করেন ব্যবসা করেন অফিস করেন তাদের আগে থেকে প্ল্যানিং করতে হয়। কবে যাবেন কোথায় যাবেন লোকজনকে কথা দিতে হয়। রোজ রোজ যদি ডেট পরিবর্তন হয় তাহলে মানুষের জীবনযাত্রায় মুশকিল হয়ে যাবে। সমস্যা আরো বাড়বে।
এভাবে ছেড়ে ছেড়ে লকডাউন নিয়ে তিনি বলেন, এটা বিশেষজ্ঞ রা বলতে পারবেন লাভ না ক্ষতি হবে। এখনো পর্যন্ত লকডাউনের লাভ আমরা পাইনি। সেইজন্য আলাদা করে একটা ইস্যুরেন্স করা হচ্ছে। কিন্তু ইস্যুরেন্স করতে করতে অর্ধেক লোক মারা যাবে আর সারা জায়গায় ছড়িয়ে যাবে করোনা। এটা যেন না হয়। শুধু রাজনৈতিক দৃষ্টিতে বা রাজনৈতিক লাভের জন্য যদি লকডাউন করা হয় তাতে মনে হয় না কোনো লাভ হবে। বিশেষজ্ঞ দের সঙ্গে কথা বলে এই পরিস্থিতিতে যেটা আমাদের উপযোগী হবে সেটা করা উচিত।


0 coment rios: