Tuesday, 21 July 2020

করোনা ভ্যাকসিনের হিউম্যান ট্রায়ালের জন্য আবেদন জানালেন চূর্ণী গঙ্গোপাধ্যায়


মারণ ভাইরাস করোনার পরীক্ষামূলক ভ্যাকসিন শরীরে নিয়ে আপাতত সুস্থ রয়েছেন অক্সফোর্ডের অধ্যাপক। এলিসা গ্রানাটোর সুস্থতার জন্য একযোগে প্রার্থনা করছিলেন গোটা বিশ্বের মানুষ। কারণ, মারণ ভাইরাসকে জব্দ করার ভ্যাকসিন তিনিই প্রথম শরীরে ধারণ করেছিলেন। গোটা দুনিয়া যেভাবে করোনা ত্রাসে কাঁপছে, তাতে ভ্যাকসিনের জন্য যে অধীর অপেক্ষায় রয়েছেন সবাই, তা বলাই বাহুল্য। এর মাঝেই করোনা ভ্যাকসিনের মানব পরীক্ষার জন্য এগিয়ে আসার ইচ্ছেপ্রকাশ করলেন টলিউডের খ্যাতনামা পরিচালক তথা অভিনেত্রী চূর্ণী গঙ্গোপাধ্যায়।

অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্স অর্থাৎ AIIMS-এর তরফে মানব শরীরে যে করোনা ভ্যাকসিনের পরীক্ষা হতে চলেছে, তাতেই যোগ দেওয়ার ইচ্ছেপ্রকাশ করেছেন চূর্ণী। শুধু তাই নয়, সূত্রের খবর বলছে, ইতিমধ্যেই জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত সিনে-পরিচালক সংশ্লিষ্ট অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্স-এর সঙ্গে ই-মেল পাঠিয়ে যোগাযোগ করেছেন তিনি। কারণ, দেশের এবং মানবতার স্বার্থে নিজেকে করোনা ভাইরাস ভ্যাকসিনের পরীক্ষায় উৎসর্গ করতে চান চূর্ণী।

পরিচালক তথা অভিনেত্রী চূর্ণী অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সের করোনা ভ্যাকসিনের হিউম্যান ট্রায়ালের প্রথম ও দ্বিতীয় পর্বের শিডিউল দেখে সোমবারই আবেদনপত্র জমা দিয়েছেন ই-মেল মারফৎ। দেশ এবং মানবজাতির স্বার্থে এই কঠিন সময়ে পরিচালক যেভাবে নিঃস্বার্থে এগিয়ে এসেছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। প্রসঙ্গত, চলতি বছরই আন্তর্জাতিক মাতৃ দিবসে ‘নির্বাসিত’ পরিচালক চূর্ণী গঙ্গোপাধ্যায় একটি ফেসবুক পোস্টে হিউম্যান ট্রায়ালের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করার ইচ্ছেপ্রকাশ করেছিলেন। আর সেই ভাবনা থেকেই সোমবার অর্থাৎ ২০ জুলাই স্বেচ্ছায় আবেদন জানিয়ে ফেললেন AIIMS-এ।
বিশ্বজুড়ে লক্ষ লক্ষ মানুষ বাঁচা-মরা নিয়ে ভাবছেন। স্বপ্ন দেখছেন এক করোনামুক্ত পৃথিবীর। করোনা আক্রান্ত কিংবা সুস্থ হয়ে উঠেছেন এমন মানুষ পরস্পরের প্রতি সহমর্মীতার হাত বাড়াচ্ছেন। বিভিন্ন দেশে ভ্যাকসিন আবিষ্কারের চেষ্টাও চলছে। থেমে নেই ভারতও। আর মানবতার স্বার্থে সেই কর্মযজ্ঞেই এবার যোগ দিলেন চূর্ণী গঙ্গোপাধ্যায়।
নিয়মানুযায়ী, হিউম্যান ট্রায়ালে অংশগ্রহণকারীদের শারীরিক কোনও সমস্যা তো নয়ই, কোভিড আক্রান্ত হওয়াও চলবে না। উপরন্তু বয়সসীমাও বেঁধে দেওয়া রয়েছে- ১৮ থেকে ৫৫ বছর। বেশ কিছু শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরই ভ্যাকসিন ট্রায়ালের সুযোগ পাবেন তাঁরা।

শেয়ার করুন

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios: