Thursday, 30 July 2020

স্ত্রী ও তার ১৪ প্রেমিকের বিরুদ্ধে ১০০ কোটি রুপির মামলা !



স্ত্রীর সাথে পরপুরুষের অবৈধ সম্পর্ক আছে এই অভিযোগে নিজের স্ত্রী এবং তার ১৪ জন প্রেমিকের বিরুদ্ধে ১০০ কোটি রুপির মানহানির মামলা দায়ের করলেন স্বামী। 
কলকাতার ব্যবসায়ী ওই স্বামীর সন্দেহ ছিল তার স্ত্রীর সাথে সম্পর্ক রয়েছে একাধিক পুরুষের। তার প্রমাণ পেতে নিজের গাড়ির চালককে দায়িত্ব দেন ওই ব্যবসায়ী। এরপর বেশ কিছুদিন ধরে মালিকের স্ত্রীর ওপর নজরদারি চালান গাড়ির চালক। অবশেষে পর পুরুষদের সাথে সাক্ষাৎ করা, মোবাইলের ফোন কলস, চ্যাট ও অন্যান্য প্রমাণের ভিত্তিতে স্ত্রীর সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করেন ওই ব্যবসায়ী। তবে এখানেই থেমে থামেননি তিনি। 
পারিবারিকভাবে বিচ্ছিন্ন করা স্ত্রী ও তার ১৪ জন পুরুষ প্রেমিকের বিরুদ্ধে ১০০ কোটি রুপির মানহানির মামলা ঠুকে দেন স্বামী। ওই ব্যবসায়ীর অভিযোগ অন্য পুরুষদের সাথে স্ত্রীর সম্পর্ক থাকার কারণে তার ব্যক্তিগত সম্মান হানি হচ্ছে। মানসিকভাবেও তিনি বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন। 
জানা গেছে,  ওই ব্যবসায়ীর স্ত্রীর ১৪ জন প্রেমিকের অনেকেই আবার বিবাহিত ও তাদের সন্তানও আছে। ওই ব্যবসায়ীর অভিযোগ, তার স্ত্রীর পুরুষ প্রেমিকরা সব কিছু জেনেও এই সম্পর্ক রেখেছেন এবং তার সম্মান হানির উদ্দেশ্যেই তা করা হয়েছে। 
প্রত্যেককেই আলাদা আলাদা ভাবে নোটিশ পাঠিয়ে আগামী দুই সপ্তাহ সময় দিয়েছেন ওই ব্যবসায়ী। এই সময়ের মধ্যেই সকলকে অনলাইনের মাধ্যমে তাদের অর্থ মিটিয়ে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। অন্যথায় তাদের সকলের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। 
নোটিসে এই অর্থ দাবির কারণ হিসাবে ব্যবসায়ী জানান, স্ত্রীর অবৈধ সম্পর্কের কথা তিনি জানতেন, স্ত্রী নিয়মিত তাদের সাথে যোগাযোগ রাখতেন। এমনকি তাদের মধ্যে অবৈধ যৌন সম্পর্কও ছিল। যদিও স্ত্রীর এই অবৈধ সম্পর্কের ঘটনায় যতটা না হতবাক হয়েছেন, তার চেয়েও বেশি দুঃখ পেয়েছেন একসাথে ১৪ জন পর পুরুষের সাথে স্ত্রীর অবৈধ সম্পর্ক থাকার ঘটনায়।  
গত বছরের আগস্ট মাসে ঠিক এরকমই একটি ঘটনা ঘটে যুক্তরাষ্ট্রে। নিজের স্ত্রীর সাথে তার প্রেমিকের অবৈধ শারীরিক সম্পর্ক থাকার জানার পরই আদালতের দ্বারস্থ হন হন রবার্ট কেভিন হাওয়ার্ড নামে এক ব্যাক্তি। প্রেমিকের সাথে হাত মিলিয়ে স্ত্রী তাকে প্রতারণা করেছেন বলে মামলা ঠুকে দেন রবার্ট কেভিন। এরপর গ্রেগ জারনিগান নামে স্ত্রীর ওই প্রেমিককে ক্ষতিপূরণ বাবদ  ৭৫০ মার্কিন ডলার মিটিয়ে দেওয়ার আদেশ দেয় সেদেশের এক আদালত।

শেয়ার করুন

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios: