Tuesday, 28 July 2020

শ্মশানঘাটের চুল্লি নিয়েও তৃনমূলের কাড়াকাড়ি !


তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ফের প্রকাশ্যে।দূর্গাপুরের একমাত্র শ্মশানঘাটের বৈদ্যুতিক চুল্লীর সংস্কার নিয়ে মেয়র এবং ৪ নং বরোর চেয়ারম্যানের সংঘাতে প্রকাশ্যে এল তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব।
দূর্গাপুরের বিরাভানপুরে শ্মশানঘাট সেখানের দুটো বৈদ্যুতিক চুল্লির একটি দীর্ঘদিন ধরে খারাপ হয়ে রয়েছে, অপর চুল্লিটি ও কিছুদিন আগে খারাপ হয়ে যাওয়ায় সমস্যায় পড়েছে দুর্গাপুর সহ বাঁকুড়ার বরজোড়া ও মেজিয়া থেকে মৃতদেহ দাহ করতে আসা লোকজন। আশপাশের এলাকায় শ্মশান গুলিতে  কাঠ দিয়ে মৃতদেহ সৎকার করতে খরচ বেশী হবার কারণে সবাই বীরভানপুরের বৈদ্যুতিক চুল্লীতে মৃতদেহ সৎকার করাতে আসেন। গড়ে প্রত্যেকদিন প্রায় ১৫ টার মতো মৃতদেহ আসে সৎকারের উদ্দেশ্যে।

এমতাবস্থায় চুল্লী মেরামত করাতে গিয়ে রীতিমতো সংঘাত লেগেছে মেয়র দিলীপ অগাস্তি এবং ৪ নং বরোর চেয়ারম্যান চন্দ্রশেখর ব্যানার্জীর মধ্যে।ইতিমধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেসের সাংঘটনিক রদবদল এই সংঘাতে দিয়েছে আরো ঘৃতাহুতি। এর ফলেই পিছিয়ে পড়ছে শ্মশানের চুল্লী মেরামত। শ্মশানে অবস্থিত মন্দির কমিটির সম্পাদক শ্যামল আচার্য্য শ্মশানের ভগ্নদশার জন্য সরাসরি মেয়র দিলীপ অগাস্তিকে দায়ী করেছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন মেয়রের সদিচ্ছার অভাবে শ্মশানের বেহাল অবস্থা। ৪ নং বরোর চেয়ারম্যান চন্দ্রশেখর ব্যানার্জীর অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে একটা চুল্লী খারাপ হয়ে পড়ে রয়েছে, তিনি অনেকবার পৌরনিগমের মেয়রকে লিখিত ভাবে জানিয়েছেন কিন্তু মেয়রের সদিচ্ছার অভাবে সে চুল্লী মেরামত হয় নি সম্প্রতি দ্বিতীয় চুল্লীটা খারাপ হয়ে গেছে। অন্যদিকে দূর্গাপুর পৌরনিগমের মেয়র দিলীপ অগাস্তি বরোচেয়ারম্যানের আনা অভিযোগ অস্বীকার করে মন্তব্য করলেন শ্মশানের সংস্কারের টাকা রাজ্য সরকার দেবে ইতিমধ্যে তা অনুমোদনের জন্য রাজ্যে সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছে। বরো চেয়ারম্যান সব তথ্য না জেনে জনগণকে ভুল বার্তা দিয়ে ইচ্ছা করে অশান্তির চেষ্টা করছেন।

শেয়ার করুন

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios: