প্রতিদিনের মতো আজ সকালে নিউটাউন ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমনে এসেছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। লকডাউন নিয়ে তিনি বলেন, লকডাউন টা কবে লেগেছে পশ্চিম বাংলায়। মুখে লকডাউন। যারা ঘোষণা করেছেন তারা মানছেন না। তাদের দেখাদেখি বাকিরা মানছেন না। তাই ধীরে ধীরে হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে পরিস্থিতি।
কোনদিনও আটকানো গেল না। কন্টিনিউ বেড়ে চলেছে। আজ হাজার ক্রস করেছে। মৃত্যু ২৫-৩০ হয়ে যাচ্ছে। সরকার এটার পরও কেন সতর্ক হয়নি। কেন মাসের পর মাস মুখে বাড়ানো হচ্ছে লকডাউন। কাজের কাজ কিছু হচ্ছে না। লকডাউন ঘোষণা করেছেন। অন্যান্য রাজ্যও লকডাউন কড়াকড়ি ভাবে করেছে। একবার হোক। কিছু লোককে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হবে। সরকারের দলের লোকরা মানবেন না। তাদের লকডাউন নাই। তাহলে সংক্রমন আটকানো যাবে কিভাবে। মুখমন্ত্রী অফিসারদের ধমকাচ্ছেন বলছেন তোমরা বাড়িয়ে বাড়িয়ে বলছেন। উনি সব ঠিক করে দেবেন। উনি বিশেষজ্ঞ হয়ে গিয়েছেন সব ব্যাপারে। বাকিদের কোনো কাজ নেই। সব পলিটিক্যাল ডিসিশন হয়ে যাচ্ছে। সেই জন্য কোনো রেজাল্ট পাওয়া যাচ্ছে না। কোনো জিনিস থাকলে তারপর তো প্রহসন। লকডাউন হলই না। অল পার্টি মিটিংয়ে দিদি বলছেন লকডাউন কি বাড়াব।
আমরা বললাম লকডাউন হল কবে। লকডাউন তো হয়নি। উনি মানেননি ওনার লোকজনও মানেননি। এখন টিএমসির মিটিং মিছিল হচ্ছে মাইক লাগিয়ে। কিসের লকডাউন। লকডাউন তো তোলেনি কেউ। লকডাউন সত্ত্বেও হচ্ছে। তিনমাস মানুষ কষ্ট করে বাড়ি থেকেছে। এবার যদি লকডাউন হয় সত্যি সত্যি করা হোক। কন্টেনমেন্ট জোন হলে ব্লক করা উচিত। সেখানে পুলিশ রাখা উচিত। মানুষ ভেবে নিয়েছেন মানার দরকার নেই। কিন্তু যেভাবে সংক্রমন বাড়ছে, মৃত্যু বাড়ছে সেটা আটকাবার কোনো রাস্তা নেই। যদি সরকার ঘোষণা করেন তাহলে তার নিয়ম পুরোপুরি লাগানো উচিত।কড়াকড়ি ভাবে লাগানো উচিত। পুলিশকে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। পুলিশ অসুস্থ হয়ে যাচ্ছে। সরকারের কথা ও কাজে অমিল। এরা বলছে পাঁচ হাজার বেড আছে। বেড খালি আছে। অথচ এক মেডিকেল কলেজের ডাক্তারের বাবাকে নিয়ে সারারাত ঘুরে সিট পাওয়া যাচ্ছে না।


0 coment rios: